ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি ১৬ জেলায় বন্যা প্রবাহিত হচ্ছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • ৩০২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বর্তমানে দেশের ১৬টি জেলা বন্যায় আক্রান্ত। ১৩টি নদীর পানি ২১টি পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের উজানে ভারত সংলগ্ন বিভিন্ন অংশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় রয়েছে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসও। দেশের নদ-নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আবারও তা খুব দ্রুতই বাড়তে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে  এসব তথ্য জানা গেছে। রোববার (১৯ জুলাই) তারা বলেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। অপরদিকে নাটোর, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও ঢাকা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে বা সামান্য উন্নতি হতে পারে।

তারা আরও বলছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি কমছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল আছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি কমতে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজান মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীর পানি কমছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে দেশের ১০১টি পানি স্টেশনের মধ্যে পানি বাড়ছে ৫৬টির, কমছে ৩৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি স্টেশনের পানি। আর বিপৎসীমার উপরে রয়েছে ২১টি স্টেশনের পানি। স্টেশনগুলোর মধ্যে ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম অংশে বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তাছাড়া ঘাঘট নদীর গাইবান্ধা অংশে ৫৩, ব্রহ্মপুত্রের নুনখাওয়া অংশে ৪৪, চিলমারী অংশে ৬২; যমুনার ফুলছড়ি অংশে ৮৫, বাহাদুরাবাদ অংশে ৯২, সারিয়াকান্দি অংশে ৯৮, কাজিপুর অংশে ৯১, সিরাজগঞ্জ অংশে ৮১, আরিচা অংশে ৬৮; গুড়ের সিংড়া অংশে ৫৩, আত্রাইয়ের বাঘাবাড়ী অংশে ১০০, ধলেশ্বরীর এলাসিন অংশে ১০৭, পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের জামালপুর অংশে ২, কালিগঙ্গার তারাঘাট অংশে ৫৮, পদ্মার গোয়ালন্দ অংশে ১০৩, ভাগ্যকুল অংশে ৬৪, মাওয়া অংশে ৫৭; সুরমার কানাইঘাট অংশে ৫, পুরাতন সুরমার দিরাই অংশে ২ সেন্টিমিটার এবং মেঘনার চাঁদপুর অংশে ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশের ডালিয়ায় ১২১ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ১১০, রংপুরে ১০৫, টেকনাফে ৭৫, লরেরগড়ে ১২০, ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০, পঞ্চগড়ে ৮১ এবং সুনামগঞ্জে ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। একই সময়ে ভারতের বাংলাদেশ সংলগ্ন অংশের চেরাপুঞ্জিতে ২৮৮, ধুবরিতে ১৪৩ এবং পাসিঘাটে ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ২০০৪ সালের পর দেশে এত দীর্ঘসময় ধরে আর কখনও বন্যা ছিল না। অর্থাৎ গত ১৬ বছরে এমন বন্যার কবলে পড়েনি বাংলাদেশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি ১৬ জেলায় বন্যা প্রবাহিত হচ্ছে

আপডেট টাইম : ১২:৪৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বর্তমানে দেশের ১৬টি জেলা বন্যায় আক্রান্ত। ১৩টি নদীর পানি ২১টি পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের উজানে ভারত সংলগ্ন বিভিন্ন অংশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় রয়েছে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসও। দেশের নদ-নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আবারও তা খুব দ্রুতই বাড়তে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে  এসব তথ্য জানা গেছে। রোববার (১৯ জুলাই) তারা বলেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। অপরদিকে নাটোর, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও ঢাকা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে বা সামান্য উন্নতি হতে পারে।

তারা আরও বলছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি কমছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীল আছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি কমতে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজান মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীর পানি কমছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে দেশের ১০১টি পানি স্টেশনের মধ্যে পানি বাড়ছে ৫৬টির, কমছে ৩৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি স্টেশনের পানি। আর বিপৎসীমার উপরে রয়েছে ২১টি স্টেশনের পানি। স্টেশনগুলোর মধ্যে ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম অংশে বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তাছাড়া ঘাঘট নদীর গাইবান্ধা অংশে ৫৩, ব্রহ্মপুত্রের নুনখাওয়া অংশে ৪৪, চিলমারী অংশে ৬২; যমুনার ফুলছড়ি অংশে ৮৫, বাহাদুরাবাদ অংশে ৯২, সারিয়াকান্দি অংশে ৯৮, কাজিপুর অংশে ৯১, সিরাজগঞ্জ অংশে ৮১, আরিচা অংশে ৬৮; গুড়ের সিংড়া অংশে ৫৩, আত্রাইয়ের বাঘাবাড়ী অংশে ১০০, ধলেশ্বরীর এলাসিন অংশে ১০৭, পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের জামালপুর অংশে ২, কালিগঙ্গার তারাঘাট অংশে ৫৮, পদ্মার গোয়ালন্দ অংশে ১০৩, ভাগ্যকুল অংশে ৬৪, মাওয়া অংশে ৫৭; সুরমার কানাইঘাট অংশে ৫, পুরাতন সুরমার দিরাই অংশে ২ সেন্টিমিটার এবং মেঘনার চাঁদপুর অংশে ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশের ডালিয়ায় ১২১ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ১১০, রংপুরে ১০৫, টেকনাফে ৭৫, লরেরগড়ে ১২০, ঠাকুরগাঁওয়ে ১১০, পঞ্চগড়ে ৮১ এবং সুনামগঞ্জে ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। একই সময়ে ভারতের বাংলাদেশ সংলগ্ন অংশের চেরাপুঞ্জিতে ২৮৮, ধুবরিতে ১৪৩ এবং পাসিঘাটে ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, ২০০৪ সালের পর দেশে এত দীর্ঘসময় ধরে আর কখনও বন্যা ছিল না। অর্থাৎ গত ১৬ বছরে এমন বন্যার কবলে পড়েনি বাংলাদেশ।