ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

বয়স্কদেরও ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৩৬৮ বার

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বয়স্ক লোকদের কারোরই জন্মতারিখ ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই। আমার জন্ম ১৯২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, অথচ সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ হচ্ছে ১ জুন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বেতন ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় সরকারি কর্মকর্তা -কর্মচারীদের বিরাজমান হয়রানি ও জটিলতা দূর করতে অর্থমন্ত্রণালয় অনলাইন পদ্ধতি প্রবর্তন চালু করে। তিনি বলেন, আমার ধারণা, আমার মতো বয়সী যারা আছেন, তাদের সবারই জন্মতারিখ একেক জায়গায় একেক রকম। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইনে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর টিপেই যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বেতন ও পেনশনের টাকার পরিমাণ ও উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সহজে জানতে পারবেন। প্রশাসনের ইতিহাসে ২৬৮ বছরের মধ্যে এটি সর্বাধুনিক পদ্ধতি বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জম্মতারিখ, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানাসহ বিভিন্ন ধরনের ভুলভ্রান্তি রয়েছে। অনেক কর্মকর্তার সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে গরমিল রয়েছে। এসব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে অনলাইনে প্রবেশ করে বেতন ও পেনশনের অর্থ নিরূপণ ও উত্তোলন করা যাবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমাদের জন্ম তারিখ একেক জায়গায় একেকটা। আমার মতো বয়সী যারা তাদের তো আর কথাই নেই। আমার নিজের জন্মতারিখের সঙ্গে তো সার্টিফিকেটের জন্মতারিখের মিল নেই। তিনি বলেন, আমাদের জন্মের সময় তারিখ লিখে রাখার রেয়াজ ছিল না। বড়রা আমাদের ধরে স্কুলে নিয়ে গেছেন। হেড স্যার ভর্তি করিয়ে নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় কেরানি স্যার একটা জন্ম তারিখ লিখে দিয়েছেন, ব্যাস হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো কোনো ফরমে জন্মতারিখের কথাই ছিল না। কোথাও হয়তো বয়স লিখতে হতো। আবার কোথাও বয়স লেখারও ঘর ছিল না। এসময় তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নেয়ার পরামর্শ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

বয়স্কদেরও ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই

আপডেট টাইম : ১১:৩১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বয়স্ক লোকদের কারোরই জন্মতারিখ ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই। আমার জন্ম ১৯২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, অথচ সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ হচ্ছে ১ জুন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বেতন ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় সরকারি কর্মকর্তা -কর্মচারীদের বিরাজমান হয়রানি ও জটিলতা দূর করতে অর্থমন্ত্রণালয় অনলাইন পদ্ধতি প্রবর্তন চালু করে। তিনি বলেন, আমার ধারণা, আমার মতো বয়সী যারা আছেন, তাদের সবারই জন্মতারিখ একেক জায়গায় একেক রকম। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইনে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর টিপেই যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বেতন ও পেনশনের টাকার পরিমাণ ও উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সহজে জানতে পারবেন। প্রশাসনের ইতিহাসে ২৬৮ বছরের মধ্যে এটি সর্বাধুনিক পদ্ধতি বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জম্মতারিখ, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানাসহ বিভিন্ন ধরনের ভুলভ্রান্তি রয়েছে। অনেক কর্মকর্তার সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে গরমিল রয়েছে। এসব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে অনলাইনে প্রবেশ করে বেতন ও পেনশনের অর্থ নিরূপণ ও উত্তোলন করা যাবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমাদের জন্ম তারিখ একেক জায়গায় একেকটা। আমার মতো বয়সী যারা তাদের তো আর কথাই নেই। আমার নিজের জন্মতারিখের সঙ্গে তো সার্টিফিকেটের জন্মতারিখের মিল নেই। তিনি বলেন, আমাদের জন্মের সময় তারিখ লিখে রাখার রেয়াজ ছিল না। বড়রা আমাদের ধরে স্কুলে নিয়ে গেছেন। হেড স্যার ভর্তি করিয়ে নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় কেরানি স্যার একটা জন্ম তারিখ লিখে দিয়েছেন, ব্যাস হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো কোনো ফরমে জন্মতারিখের কথাই ছিল না। কোথাও হয়তো বয়স লিখতে হতো। আবার কোথাও বয়স লেখারও ঘর ছিল না। এসময় তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নেয়ার পরামর্শ দেন।