ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মানুষের সেবাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ঢাবির ডিন থেকে বাউবির উপাচার্য হচ্ছেন ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান, অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখছে সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক নূরুর ইন্তেকাল শাসক হিসেবে নয় জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী ২৬ মার্চ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী ঈদের ছুটিতে মেট্রো রেলে উপচে পড়া ভিড় ই-হেলথ কার্ড: ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় নতুন ধারা কঠিন পরিস্থিতিতেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ যেভাবে ইংল্যান্ডে বলের সংকট তৈরি করল মসজিদের আজান শুনে আসে সাপ, শেষ হলেই অদৃশ্য

বয়স্কদেরও ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৩৬১ বার

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বয়স্ক লোকদের কারোরই জন্মতারিখ ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই। আমার জন্ম ১৯২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, অথচ সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ হচ্ছে ১ জুন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বেতন ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় সরকারি কর্মকর্তা -কর্মচারীদের বিরাজমান হয়রানি ও জটিলতা দূর করতে অর্থমন্ত্রণালয় অনলাইন পদ্ধতি প্রবর্তন চালু করে। তিনি বলেন, আমার ধারণা, আমার মতো বয়সী যারা আছেন, তাদের সবারই জন্মতারিখ একেক জায়গায় একেক রকম। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইনে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর টিপেই যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বেতন ও পেনশনের টাকার পরিমাণ ও উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সহজে জানতে পারবেন। প্রশাসনের ইতিহাসে ২৬৮ বছরের মধ্যে এটি সর্বাধুনিক পদ্ধতি বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জম্মতারিখ, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানাসহ বিভিন্ন ধরনের ভুলভ্রান্তি রয়েছে। অনেক কর্মকর্তার সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে গরমিল রয়েছে। এসব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে অনলাইনে প্রবেশ করে বেতন ও পেনশনের অর্থ নিরূপণ ও উত্তোলন করা যাবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমাদের জন্ম তারিখ একেক জায়গায় একেকটা। আমার মতো বয়সী যারা তাদের তো আর কথাই নেই। আমার নিজের জন্মতারিখের সঙ্গে তো সার্টিফিকেটের জন্মতারিখের মিল নেই। তিনি বলেন, আমাদের জন্মের সময় তারিখ লিখে রাখার রেয়াজ ছিল না। বড়রা আমাদের ধরে স্কুলে নিয়ে গেছেন। হেড স্যার ভর্তি করিয়ে নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় কেরানি স্যার একটা জন্ম তারিখ লিখে দিয়েছেন, ব্যাস হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো কোনো ফরমে জন্মতারিখের কথাই ছিল না। কোথাও হয়তো বয়স লিখতে হতো। আবার কোথাও বয়স লেখারও ঘর ছিল না। এসময় তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নেয়ার পরামর্শ দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষের সেবাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

বয়স্কদেরও ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই

আপডেট টাইম : ১১:৩১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বয়স্ক লোকদের কারোরই জন্মতারিখ ঠিক নেই, আমার নিজেরটাও ঠিক নেই। আমার জন্ম ১৯২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, অথচ সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ হচ্ছে ১ জুন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বেতন ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের সময় সরকারি কর্মকর্তা -কর্মচারীদের বিরাজমান হয়রানি ও জটিলতা দূর করতে অর্থমন্ত্রণালয় অনলাইন পদ্ধতি প্রবর্তন চালু করে। তিনি বলেন, আমার ধারণা, আমার মতো বয়সী যারা আছেন, তাদের সবারই জন্মতারিখ একেক জায়গায় একেক রকম। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইনে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর টিপেই যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বেতন ও পেনশনের টাকার পরিমাণ ও উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সহজে জানতে পারবেন। প্রশাসনের ইতিহাসে ২৬৮ বছরের মধ্যে এটি সর্বাধুনিক পদ্ধতি বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জম্মতারিখ, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানাসহ বিভিন্ন ধরনের ভুলভ্রান্তি রয়েছে। অনেক কর্মকর্তার সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্রে গরমিল রয়েছে। এসব জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে অনলাইনে প্রবেশ করে বেতন ও পেনশনের অর্থ নিরূপণ ও উত্তোলন করা যাবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমাদের জন্ম তারিখ একেক জায়গায় একেকটা। আমার মতো বয়সী যারা তাদের তো আর কথাই নেই। আমার নিজের জন্মতারিখের সঙ্গে তো সার্টিফিকেটের জন্মতারিখের মিল নেই। তিনি বলেন, আমাদের জন্মের সময় তারিখ লিখে রাখার রেয়াজ ছিল না। বড়রা আমাদের ধরে স্কুলে নিয়ে গেছেন। হেড স্যার ভর্তি করিয়ে নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় কেরানি স্যার একটা জন্ম তারিখ লিখে দিয়েছেন, ব্যাস হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো কোনো ফরমে জন্মতারিখের কথাই ছিল না। কোথাও হয়তো বয়স লিখতে হতো। আবার কোথাও বয়স লেখারও ঘর ছিল না। এসময় তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নেয়ার পরামর্শ দেন।