ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

এটা একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২০
  • ৩৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে অন্য অনেক তারকার মতো তিনিও সব ধরনের কাজ বন্ধ রেখেছেন। ঘরেই থাকছেন সারাক্ষণ। এই পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয় ইমরানের সঙ্গে। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ফয়সাল রাব্বিকীন

কি অবস্থা? কেমন আছেন?
এইতো ভালো আছি। তবে সবার মতোই আমিও একটি ক্রাইসিস পার করছি। এই পরিস্থিতি যে কবে স্বাভাবিক হবে সেটা নিয়েও চিন্তায় আছি। কারণ এটা একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতি।

তারপরও সবাই যেন সচেতন থাকে সেটাই চাওয়া। আর এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আসলে কাজে ফিরছি না।

বাসা থেকে কি বেরই হচ্ছেন না?
একদমই না। আমার পরিবারের লোকজনরাও তাই। কারণ নিরাপদ ও সুস্থ থাকার জন্য এখন বাসায় থাকার বিকল্প নেই। আড্ডা, জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য বলা হয়েছে। কারণ এই ভাইরাস ঠেকাতে হলে যতটুকু সম্ভব আমাদের বাসাতেই থাকতে হবে। তা না হলে বড় বিপদ বয়ে আসতে পারে।

আপনিতো সচেতনতামূলক পোস্টও দিচ্ছেন?
শিল্পী হিসেবে আমার কিছু দায়বদ্ধতা আছে। তাছাড়া মানুষ হিসেবেও এ সময় সবাইকে সচেতন করা দরকার। সেই কাজটি করার চেষ্টা করছি। ফেসবুক পোস্ট ও লাইভের মাধ্যমে আমি এরইমধ্যে ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছি। এ সময়ে যেসব নিয়ম পালনের জন্য বলা হচ্ছে আমি আমার ভক্ত-শ্রোতা-দর্শকদের সেসব ঠিকভাবে পালন করার জন্য বলবো। নিয়মিত হাত ধুয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থেকে এবং সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশা না করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যে কোনো ধরণের অনুষ্ঠান, জনসভা, জনসমাগম আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। যতটুকু সম্ভব বাসাতেই থাকতে হবে। আর বাসায় থেকেও বারবার সাবান, পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। যেসব বস্তুতে অনেক মানুষের স্পর্শ লাগে যেমন সিঁড়ির রেলিং, লিফট, দরজা, পানির কল, কম্পিউটারের মাউস বা ফোন, গাড়ির বা রিকশার হাতল ইত্যাদি ধরলে সঙ্গে সঙ্গে হাত পরিষ্কার করতে হবে। সবাই সচেতনতা অবলম্বন করলে এই অবস্থা থেকে আমরা বের হতে পারবো।

এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তো আপনাকে আর গানে পাওয়া যাবে না?
আমার বেশ কিছু গানের কাজ করে রেখেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেগুলো প্রকাশ করবো। তাছাড়া আমি আমার হোমস্টুডিওতে কাজ করছি। তবে আপাতত রেকর্ডিং করছি না। আমি নিজে সুর ও সংগীতের কাজ করছি নিয়মিত। এক্সপেরিমেন্ট করছি। বাসায় থেকে কাজগুলো এগিয়ে রাখছি। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গান প্রকাশের ইচ্ছে নেই। কারণ এখন শ্রোতাদের গান শোনার মতো মন  মানসিকতা নেই। সবাই একটা আতঙ্কের মধ্যে আছে। আমি নিজেও তাই। সুতরাং আমাদের নিজেদের সহযোগিতায় আমরা এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারি। সচেতনতা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তাই আবারো বলবো সবাইকে সচেতন হতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

এটা একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতি

আপডেট টাইম : ১০:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে অন্য অনেক তারকার মতো তিনিও সব ধরনের কাজ বন্ধ রেখেছেন। ঘরেই থাকছেন সারাক্ষণ। এই পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয় ইমরানের সঙ্গে। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ফয়সাল রাব্বিকীন

কি অবস্থা? কেমন আছেন?
এইতো ভালো আছি। তবে সবার মতোই আমিও একটি ক্রাইসিস পার করছি। এই পরিস্থিতি যে কবে স্বাভাবিক হবে সেটা নিয়েও চিন্তায় আছি। কারণ এটা একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতি।

তারপরও সবাই যেন সচেতন থাকে সেটাই চাওয়া। আর এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আসলে কাজে ফিরছি না।

বাসা থেকে কি বেরই হচ্ছেন না?
একদমই না। আমার পরিবারের লোকজনরাও তাই। কারণ নিরাপদ ও সুস্থ থাকার জন্য এখন বাসায় থাকার বিকল্প নেই। আড্ডা, জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য বলা হয়েছে। কারণ এই ভাইরাস ঠেকাতে হলে যতটুকু সম্ভব আমাদের বাসাতেই থাকতে হবে। তা না হলে বড় বিপদ বয়ে আসতে পারে।

আপনিতো সচেতনতামূলক পোস্টও দিচ্ছেন?
শিল্পী হিসেবে আমার কিছু দায়বদ্ধতা আছে। তাছাড়া মানুষ হিসেবেও এ সময় সবাইকে সচেতন করা দরকার। সেই কাজটি করার চেষ্টা করছি। ফেসবুক পোস্ট ও লাইভের মাধ্যমে আমি এরইমধ্যে ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছি। এ সময়ে যেসব নিয়ম পালনের জন্য বলা হচ্ছে আমি আমার ভক্ত-শ্রোতা-দর্শকদের সেসব ঠিকভাবে পালন করার জন্য বলবো। নিয়মিত হাত ধুয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থেকে এবং সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশা না করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যে কোনো ধরণের অনুষ্ঠান, জনসভা, জনসমাগম আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। যতটুকু সম্ভব বাসাতেই থাকতে হবে। আর বাসায় থেকেও বারবার সাবান, পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। যেসব বস্তুতে অনেক মানুষের স্পর্শ লাগে যেমন সিঁড়ির রেলিং, লিফট, দরজা, পানির কল, কম্পিউটারের মাউস বা ফোন, গাড়ির বা রিকশার হাতল ইত্যাদি ধরলে সঙ্গে সঙ্গে হাত পরিষ্কার করতে হবে। সবাই সচেতনতা অবলম্বন করলে এই অবস্থা থেকে আমরা বের হতে পারবো।

এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তো আপনাকে আর গানে পাওয়া যাবে না?
আমার বেশ কিছু গানের কাজ করে রেখেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেগুলো প্রকাশ করবো। তাছাড়া আমি আমার হোমস্টুডিওতে কাজ করছি। তবে আপাতত রেকর্ডিং করছি না। আমি নিজে সুর ও সংগীতের কাজ করছি নিয়মিত। এক্সপেরিমেন্ট করছি। বাসায় থেকে কাজগুলো এগিয়ে রাখছি। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গান প্রকাশের ইচ্ছে নেই। কারণ এখন শ্রোতাদের গান শোনার মতো মন  মানসিকতা নেই। সবাই একটা আতঙ্কের মধ্যে আছে। আমি নিজেও তাই। সুতরাং আমাদের নিজেদের সহযোগিতায় আমরা এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারি। সচেতনতা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তাই আবারো বলবো সবাইকে সচেতন হতে।