ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৩৬৯ বার

অসুস্থ থাকায় আগামীকাল বৃহস্পতিবারও হাজিরা দিতে আদালতে যাচ্ছেন না বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার সকালে বিএনপির চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে এ মামলার বিচারকাজ চলছে। সানাউল্লাহ মিয়া জানান, গত৩ ডিসেম্বর সর্বশেষ এ মামলার সাক্ষীকে জেরা করা হয়। আদালত পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ১০ ডিসেম্বর দিন রেখেছিলেন। খালেদা জিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে সেদিন আদালতে হাজির হতে পারেননি। আগামীকালও তিনি হাজির থাকতে পারবেন না। মামলায় সানাউল্লাহ মিয়ার সহকারী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেসবাহ বলেন, হাতে ব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া কাল আদালতে যাচ্ছেন না। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে অভিযোগপত্রে। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ। ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া

আপডেট টাইম : ১১:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৫

অসুস্থ থাকায় আগামীকাল বৃহস্পতিবারও হাজিরা দিতে আদালতে যাচ্ছেন না বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার সকালে বিএনপির চেয়ারপারসনের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে এ মামলার বিচারকাজ চলছে। সানাউল্লাহ মিয়া জানান, গত৩ ডিসেম্বর সর্বশেষ এ মামলার সাক্ষীকে জেরা করা হয়। আদালত পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ১০ ডিসেম্বর দিন রেখেছিলেন। খালেদা জিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে সেদিন আদালতে হাজির হতে পারেননি। আগামীকালও তিনি হাজির থাকতে পারবেন না। মামলায় সানাউল্লাহ মিয়ার সহকারী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন মেসবাহ বলেন, হাতে ব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া কাল আদালতে যাচ্ছেন না। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে অভিযোগপত্রে। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ। ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।