ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

সিলেটের জেলগেট থেকে স্বামীকে নিয়ে যায় ডিবি, আজ শুনি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ২৯৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ফটিক ওরফে লিটনের স্ত্রী হালিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। দুই বছর দুই মাস পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিনে মুক্ত করি। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হওয়ার দুই মিনিটের মাথায় জেলগেট থেকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে আজ দুপুরে স্বামীর লাশ ফেসবুকে দেখে শনাক্ত করি। থানায় এসে শুনি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনি মারা গেছেন।’

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মরদেহ নিয়ে বিশ্বনাথের বৈরাগী ইউনিয়নের নদার পূর্বপাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়ার সময় হালিমা বেগম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার চার বছরের একটা ছেলে আছে, আমি এখন কই যাব ছেলেটারে কী খাওয়াব। স্বামী রঙের কাজ আর কাঁচামাল বিক্রি করে যখন যা পেত তা করে পরিবার চালাত। সে ডাকাত হতে পারে না। কিন্তু পুলিশ আমার স্বামীকে ডাকাত বানাইছে। আমি এর বিচার চাই।’

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সিলেটের বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর বাইপাস সড়কের মরমপুর-সুরিরখাল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ফটিক ওরফে লিটন। নিহত ফটিক সিলেটের বিশ্বনাথের পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিছ আলীর ছেলে।

পুলিশের দাবি, তিনি ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে ১৭টি ডাকাতি মামলাসহ ২১টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে নিহত ডাকাত সদস্যের হাতে একটি দেশীয় পাইপগান ও কোমরে থাকা তিনটি তাজা কার্তুজ ছিল।

নিহত ফটিকের স্ত্রী অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম মুসা বলেন, রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালেই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ফটিক।

তিনি আরও বলেন, ডাকাতিসহ সকল প্রকার অপরাধ দমনে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সিলেটের জেলগেট থেকে স্বামীকে নিয়ে যায় ডিবি, আজ শুনি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

আপডেট টাইম : ১২:০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ফটিক ওরফে লিটনের স্ত্রী হালিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। দুই বছর দুই মাস পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিনে মুক্ত করি। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হওয়ার দুই মিনিটের মাথায় জেলগেট থেকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে আজ দুপুরে স্বামীর লাশ ফেসবুকে দেখে শনাক্ত করি। থানায় এসে শুনি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিনি মারা গেছেন।’

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মরদেহ নিয়ে বিশ্বনাথের বৈরাগী ইউনিয়নের নদার পূর্বপাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়ার সময় হালিমা বেগম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার চার বছরের একটা ছেলে আছে, আমি এখন কই যাব ছেলেটারে কী খাওয়াব। স্বামী রঙের কাজ আর কাঁচামাল বিক্রি করে যখন যা পেত তা করে পরিবার চালাত। সে ডাকাত হতে পারে না। কিন্তু পুলিশ আমার স্বামীকে ডাকাত বানাইছে। আমি এর বিচার চাই।’

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সিলেটের বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর বাইপাস সড়কের মরমপুর-সুরিরখাল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ফটিক ওরফে লিটন। নিহত ফটিক সিলেটের বিশ্বনাথের পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিছ আলীর ছেলে।

পুলিশের দাবি, তিনি ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে ১৭টি ডাকাতি মামলাসহ ২১টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে নিহত ডাকাত সদস্যের হাতে একটি দেশীয় পাইপগান ও কোমরে থাকা তিনটি তাজা কার্তুজ ছিল।

নিহত ফটিকের স্ত্রী অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম মুসা বলেন, রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালেই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ফটিক।

তিনি আরও বলেন, ডাকাতিসহ সকল প্রকার অপরাধ দমনে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।