ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

এতো উৎসব, উচ্ছ্বাসে বিস্ময় আকবরের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ২৮৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিমান বন্দর থেকে মিরপুর শের-ই-বাংলা। ১৪ কিলোমিটার রাস্তা।

কতো পথ! অথচ রাস্তার দুই ধারে জনতার ঢল। এক নজর আকবরদের দেখার প্রত্যাশা। ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন’ লেখা বাসটা যখন যেই রাস্তা ধরে অতিক্রম করছিল ওই রাস্তায় জনস্রোত। কন্ঠে স্লোগান, ‘বাংলাদেশ-বাংলাদেশ।’

এ শহরের মানুষের রাস্তায় অপেক্ষা করার অভ্যাস নিত্যদিনের। কিন্তু আকবরের জন্য অপেক্ষাটা ছিল শুধুই গর্বের। লাল-সবুজের বাংলাদেশকে এতো বড় অর্জন যারা এনে দিল তাদের জন্য অপেক্ষা ছিল মধুর। বিমানবন্দরে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল প্রায় তিনশতাধিক সমর্থক। বিমান বন্দর থেকে মোটরসাইকেলের এসকোর্টে মিরপুরে আসে আকবর আলীরা। প্রায় পঞ্চাশ মিডিয়ার গাড়ি, বোর্ডের গাড়ি আর ব্যক্তিগত গাড়ির মিছিলে পুরো পথ ছিল আনন্দের।

মিরপুর স্টেডিয়ামের রাস্তায় ছিল সমর্থকদের ঢল। তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না স্টেডিয়াম পাড়ায়। এক শব্দে উন্মাতাল ছিল আকবরদের পথ। এতোসব কিছু-ই তো চ্যাম্পিয়নদের জন্য। যুব চ্যাম্পিয়নরা জানতেন তাদের জন্য ঢাকায় অপেক্ষা করছে বিশেষ কিছু। কিন্তু এতো বিশাল কিছু হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

‘আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, কিছু একটা হতে পারে। তবে এতো বড় ভাবে হবে সেটা ভাবিনি। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে যেটা বলবো, ক্রিকেটের জন্য আপনাদের প্যাশন অনেক বেশী। সবসময় যেই সাপোর্ট আমাদের করে এসেছেন সেটা ভবিষ্যতেও আশা করবো।’

আকবরা মিরপুরে শিরোপা উন্মোচন করেছেন। স্বপ্নের শিরোপা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের হাতে। কেক কাটা, আতঁশবাজি পুড়ানো কতো কিছুই না হলো তাদের জন্য। এমন সম্মান তো তাদের প্রাপ্যই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

এতো উৎসব, উচ্ছ্বাসে বিস্ময় আকবরের

আপডেট টাইম : ১১:২৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিমান বন্দর থেকে মিরপুর শের-ই-বাংলা। ১৪ কিলোমিটার রাস্তা।

কতো পথ! অথচ রাস্তার দুই ধারে জনতার ঢল। এক নজর আকবরদের দেখার প্রত্যাশা। ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন’ লেখা বাসটা যখন যেই রাস্তা ধরে অতিক্রম করছিল ওই রাস্তায় জনস্রোত। কন্ঠে স্লোগান, ‘বাংলাদেশ-বাংলাদেশ।’

এ শহরের মানুষের রাস্তায় অপেক্ষা করার অভ্যাস নিত্যদিনের। কিন্তু আকবরের জন্য অপেক্ষাটা ছিল শুধুই গর্বের। লাল-সবুজের বাংলাদেশকে এতো বড় অর্জন যারা এনে দিল তাদের জন্য অপেক্ষা ছিল মধুর। বিমানবন্দরে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল প্রায় তিনশতাধিক সমর্থক। বিমান বন্দর থেকে মোটরসাইকেলের এসকোর্টে মিরপুরে আসে আকবর আলীরা। প্রায় পঞ্চাশ মিডিয়ার গাড়ি, বোর্ডের গাড়ি আর ব্যক্তিগত গাড়ির মিছিলে পুরো পথ ছিল আনন্দের।

মিরপুর স্টেডিয়ামের রাস্তায় ছিল সমর্থকদের ঢল। তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না স্টেডিয়াম পাড়ায়। এক শব্দে উন্মাতাল ছিল আকবরদের পথ। এতোসব কিছু-ই তো চ্যাম্পিয়নদের জন্য। যুব চ্যাম্পিয়নরা জানতেন তাদের জন্য ঢাকায় অপেক্ষা করছে বিশেষ কিছু। কিন্তু এতো বিশাল কিছু হবে তা কল্পনাও করতে পারেননি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

‘আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, কিছু একটা হতে পারে। তবে এতো বড় ভাবে হবে সেটা ভাবিনি। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে যেটা বলবো, ক্রিকেটের জন্য আপনাদের প্যাশন অনেক বেশী। সবসময় যেই সাপোর্ট আমাদের করে এসেছেন সেটা ভবিষ্যতেও আশা করবো।’

আকবরা মিরপুরে শিরোপা উন্মোচন করেছেন। স্বপ্নের শিরোপা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের হাতে। কেক কাটা, আতঁশবাজি পুড়ানো কতো কিছুই না হলো তাদের জন্য। এমন সম্মান তো তাদের প্রাপ্যই।