ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

লিওনেল মেসির ‘হাফসেঞ্চুরি’ : বার্সায় বিধ্বস্ত আলাভেস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৪২:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ৩০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গত সপ্তাহের এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে বার্সেলোনার তিন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, আঁতোয়া গ্রিযমান এবং লুইস সুয়ারেজের মধ্যে বোঝপড়ার অভাবটা বেশ ভুগিয়েছিল কাতালানদের। কিন্তু দিন তিনেক পরই নিজেদের মাঠে বার্সেলোনার আক্রমণত্রয়ী যেন নিজেদের খুঁজে পেলেন নতুন করে। আর তাতে ছিন্নবিন্ন হল আলাভেস। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের পর বার্সেলোনার নতুন ‘এমএসজি’ ত্রিফলায় বিদ্ধ হল তারা। ন্যু ক্যাম্পে গোল করলেন তিনজনই, বার্সেলোনাও জিতল ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে। ২০১৯ সালে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি, শেষ ১০ বছরের ৯ বছরই গোলের ‘হাফসেঞ্চুরি’ পূরণ করলেন ‘লা পুলগা’।

ম্যাচের শুরু থেকেই আলাভেসকে এতটুকু থিতু হতে দেয়নি বার্সেলোনা। ১০ মিনিটেই সার্জিও বুস্কেটসের পাস থেকে জাল খুঁজে পেয়েছিলেন মেসি, কিন্তু অফসাইডে বাতিল হয় গোলটি। তবে লিড নেয়ার জন্য খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি কাতালানদের। ১৪ মিনিটে আর্তুরো ভিদালের পাস থেকে আলাভেস ডিবক্সের ডানপ্রান্তে বল পেয়ে যান সুয়ারেজ। তার মাইনাস থেকে ডানপায়ের নিচু শটে গোল করেন গ্রিযমান। ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত হলেও সময় যত গড়িয়েছে, বার্সার আক্রমণ রং হারিয়েছে তত। আলাভেসও কম যায়নি, গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল তারাও।

কিন্তু গোলমুখে ফরোয়ার্ডদের ভুলে আর সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। প্রথমার্ধের শেষদিকে অবশ্য আলাভেস ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগায় বার্সা। মেসির পাস থেকে বল পান সুয়ারেজ, এবার তার মাইনাস থেকে গোল করেন ভিদাল। প্রথমার্ধে গোল না পেলেও খুব সম্ভবত কাতালানদের সেরা ফুটবলার ছিলেন সুয়ারেজই। প্রথমার্ধের মত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোল পেয়ে যায় বার্সা। ৫১ মিনিটে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত চিপে জাল খুঁজে পান গ্রিযমান। কিন্তু প্রথমার্ধে বার্সা অধিনায়কের মত ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ডের গোলও বাতিল হয় অফসাইডে। প্রথমার্ধে চেষ্টা করেও ম্যাচে ফিরতে না পারা আলাভেস দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বল পাঠায় কাতালানদের জালে। ৫৩ মিনিটে রুবেন দুয়ার্তের ক্রসে হেড করে দলকে ম্যাচে ফেরান পেরে পন্স।

এরপর আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বার্সার পুরনো সমস্যা, রক্ষণ। সার্জি রবার্তোর ভুল পাসে বার্সা গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগানকে একা পেয়ে যান অ্যালেক্স ভিদাল। কিন্তু সাবেক বার্সেলোনা ফুলব্যাককে ফিরিয়ে দেন জার্মান গোলরক্ষক। প্রথমার্ধের মত এবারও আলাভেসের গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার চড়া মাশুলই দিতে হয়েছে। ৬৭ মিনিটে আলাভেসের তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাল খুঁজে পান মেসি।

এই গোলের পরই মূলত ম্যাচে ফেরার ইচ্ছাশক্তি হারিয়ে ফেলে আলাভেস। ম্যাচের বাকিটা সময় যেন আর গোল হজম না করার দিকেই নজর ছিল তাদের। তাতে অবশ্য লাভ হয়নি খুব একটা। ৭৫ মিনিটে সুয়ারেজের ক্রস মার্টিন আগিরেগাবিরিয়ার হাতে লাগলে পেনাল্টির বাঁশি দেন রেফারি। ১২ গজ থেকে এবার গোল করেন সুয়ারেজ। শেষ পর্যন্ত ন্যু ক্যাম্পে আরো এক বড় জয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে এর্নেস্তো ভালভার্দের দল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

লিওনেল মেসির ‘হাফসেঞ্চুরি’ : বার্সায় বিধ্বস্ত আলাভেস

আপডেট টাইম : ০৮:৪২:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গত সপ্তাহের এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে বার্সেলোনার তিন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, আঁতোয়া গ্রিযমান এবং লুইস সুয়ারেজের মধ্যে বোঝপড়ার অভাবটা বেশ ভুগিয়েছিল কাতালানদের। কিন্তু দিন তিনেক পরই নিজেদের মাঠে বার্সেলোনার আক্রমণত্রয়ী যেন নিজেদের খুঁজে পেলেন নতুন করে। আর তাতে ছিন্নবিন্ন হল আলাভেস। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের পর বার্সেলোনার নতুন ‘এমএসজি’ ত্রিফলায় বিদ্ধ হল তারা। ন্যু ক্যাম্পে গোল করলেন তিনজনই, বার্সেলোনাও জিতল ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে। ২০১৯ সালে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি, শেষ ১০ বছরের ৯ বছরই গোলের ‘হাফসেঞ্চুরি’ পূরণ করলেন ‘লা পুলগা’।

ম্যাচের শুরু থেকেই আলাভেসকে এতটুকু থিতু হতে দেয়নি বার্সেলোনা। ১০ মিনিটেই সার্জিও বুস্কেটসের পাস থেকে জাল খুঁজে পেয়েছিলেন মেসি, কিন্তু অফসাইডে বাতিল হয় গোলটি। তবে লিড নেয়ার জন্য খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি কাতালানদের। ১৪ মিনিটে আর্তুরো ভিদালের পাস থেকে আলাভেস ডিবক্সের ডানপ্রান্তে বল পেয়ে যান সুয়ারেজ। তার মাইনাস থেকে ডানপায়ের নিচু শটে গোল করেন গ্রিযমান। ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত হলেও সময় যত গড়িয়েছে, বার্সার আক্রমণ রং হারিয়েছে তত। আলাভেসও কম যায়নি, গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল তারাও।

কিন্তু গোলমুখে ফরোয়ার্ডদের ভুলে আর সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। প্রথমার্ধের শেষদিকে অবশ্য আলাভেস ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগায় বার্সা। মেসির পাস থেকে বল পান সুয়ারেজ, এবার তার মাইনাস থেকে গোল করেন ভিদাল। প্রথমার্ধে গোল না পেলেও খুব সম্ভবত কাতালানদের সেরা ফুটবলার ছিলেন সুয়ারেজই। প্রথমার্ধের মত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোল পেয়ে যায় বার্সা। ৫১ মিনিটে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত চিপে জাল খুঁজে পান গ্রিযমান। কিন্তু প্রথমার্ধে বার্সা অধিনায়কের মত ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ডের গোলও বাতিল হয় অফসাইডে। প্রথমার্ধে চেষ্টা করেও ম্যাচে ফিরতে না পারা আলাভেস দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বল পাঠায় কাতালানদের জালে। ৫৩ মিনিটে রুবেন দুয়ার্তের ক্রসে হেড করে দলকে ম্যাচে ফেরান পেরে পন্স।

এরপর আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বার্সার পুরনো সমস্যা, রক্ষণ। সার্জি রবার্তোর ভুল পাসে বার্সা গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগানকে একা পেয়ে যান অ্যালেক্স ভিদাল। কিন্তু সাবেক বার্সেলোনা ফুলব্যাককে ফিরিয়ে দেন জার্মান গোলরক্ষক। প্রথমার্ধের মত এবারও আলাভেসের গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার চড়া মাশুলই দিতে হয়েছে। ৬৭ মিনিটে আলাভেসের তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাল খুঁজে পান মেসি।

এই গোলের পরই মূলত ম্যাচে ফেরার ইচ্ছাশক্তি হারিয়ে ফেলে আলাভেস। ম্যাচের বাকিটা সময় যেন আর গোল হজম না করার দিকেই নজর ছিল তাদের। তাতে অবশ্য লাভ হয়নি খুব একটা। ৭৫ মিনিটে সুয়ারেজের ক্রস মার্টিন আগিরেগাবিরিয়ার হাতে লাগলে পেনাল্টির বাঁশি দেন রেফারি। ১২ গজ থেকে এবার গোল করেন সুয়ারেজ। শেষ পর্যন্ত ন্যু ক্যাম্পে আরো এক বড় জয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে এর্নেস্তো ভালভার্দের দল।