ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুত বাংলাদেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯
  • ২৯৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ। আনুষঙ্গিক যে প্রস্তুতি রয়েছে, তা চলছে। এখন নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছিল টাস্কফোর্সের সদস্যরা। রোববার দুপুরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে টাস্কফোর্সের জরুরি বৈঠক শেষে এ কথা বলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার নুরুল আলম নেজামী।

তিনি বলেন, ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন নিয়ে তারা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শেষ করেছেন। এখন শেষ পর্যায়ের কাজ করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়ত এ কার্যক্রম আরো বাড়ানো হবে।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত আরআরসি শামসুদ্দৌজা নয়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম সরওয়াল কামালসহ সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ডের প্রতিনিধিরা।

মিয়ারমার সরকার ঘোষণা দিয়েছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার। যেভাবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া করা যায় তার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর আগে গত বছরের ১৫ নভেম্বর নির্ধারিত সময়ে রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের মুখে প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। সেই সময় উখিয়ার ঘুমধুম ও টেকনাফের নাফ নদী তীরে প্রত্যাবাসন ঘাট নির্মাণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে টেকনাফের প্রত্যাবাসন ঘাটে লম্বা কাঠের জেটি, ৩৩টি সেমি-টিনের থাকার ঘর, চারটি শৌচাগার রয়েছে। সেখানে ১৬ আনসার ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুত বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ। আনুষঙ্গিক যে প্রস্তুতি রয়েছে, তা চলছে। এখন নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছিল টাস্কফোর্সের সদস্যরা। রোববার দুপুরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে টাস্কফোর্সের জরুরি বৈঠক শেষে এ কথা বলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার নুরুল আলম নেজামী।

তিনি বলেন, ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন নিয়ে তারা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শেষ করেছেন। এখন শেষ পর্যায়ের কাজ করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়ত এ কার্যক্রম আরো বাড়ানো হবে।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, কক্সবাজার পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত আরআরসি শামসুদ্দৌজা নয়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম সরওয়াল কামালসহ সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ডের প্রতিনিধিরা।

মিয়ারমার সরকার ঘোষণা দিয়েছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার। যেভাবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া করা যায় তার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর আগে গত বছরের ১৫ নভেম্বর নির্ধারিত সময়ে রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের মুখে প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। সেই সময় উখিয়ার ঘুমধুম ও টেকনাফের নাফ নদী তীরে প্রত্যাবাসন ঘাট নির্মাণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে টেকনাফের প্রত্যাবাসন ঘাটে লম্বা কাঠের জেটি, ৩৩টি সেমি-টিনের থাকার ঘর, চারটি শৌচাগার রয়েছে। সেখানে ১৬ আনসার ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।