ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নরসিংদীর মনোহরদী ও কাপাসিয়া উপজেলার প্রায় ১০ গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯
  • ৩৩৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের উপর একটি পাকা সেতুর অভাবে নরসিংদীর মনোহরদী ও গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীসহ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দুই উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি বাঁশের সাঁকোর স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণ হলে তাদের ভোগান্তি দূর হবে।

মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর গ্রাম এবং কাপাসিয়ার মির্জানগর গ্রামের সীমানা ঘেঁষে বয়ে গেছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ। দৌলতপুর ইউনিয়নের কোচেরচর, কীর্ত্তিবাসদী, নিশ্চিন্তপুর, কেরানীনগর এবং সনমানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণগাঁও, মির্জানগর, সনমানিয়া ও আড়াল গ্রামের মানুষ এ নদের উপর তৈরি করা বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করে। স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে দুই পাড়ের লোকজন মিলে বাঁশ সংগ্রহের পর সাঁকো তৈরি করে তার উপর দিয়ে চলাচল করছে।

বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে প্রতিদিন দুটি কলেজ, দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি ফাযিল মাদ্রাসা ও তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীসহ প্রায় চার সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে। দৌলতপুর গ্রামের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল-ফাহাদ জানান, উভয় পাড়ের শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসায় যেতে নানা রকমের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অনেক অতিথি সাঁকোতে চড়ার অভ্যাস নেই এবং ছোট-ছোট শিশুরা দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পাড়ি দিতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

সনমানিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক ভূঁইয়া জানান, দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি সেতু নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে তাদের স্কুল-কলেজে যেতে পারবে এবং ব্যবসায়ীরাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দ্রুত বাজারজাত করতে পারবেন। দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাদিউল ইসলাম জানান, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে একটি সেতু নির্মাণ হলে দুই এলাকার লোকজনের মাঝে আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধন তৈরি হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

নরসিংদীর মনোহরদী ও কাপাসিয়া উপজেলার প্রায় ১০ গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো

আপডেট টাইম : ১২:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের উপর একটি পাকা সেতুর অভাবে নরসিংদীর মনোহরদী ও গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীসহ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দুই উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি বাঁশের সাঁকোর স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণ হলে তাদের ভোগান্তি দূর হবে।

মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর গ্রাম এবং কাপাসিয়ার মির্জানগর গ্রামের সীমানা ঘেঁষে বয়ে গেছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ। দৌলতপুর ইউনিয়নের কোচেরচর, কীর্ত্তিবাসদী, নিশ্চিন্তপুর, কেরানীনগর এবং সনমানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণগাঁও, মির্জানগর, সনমানিয়া ও আড়াল গ্রামের মানুষ এ নদের উপর তৈরি করা বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করে। স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে দুই পাড়ের লোকজন মিলে বাঁশ সংগ্রহের পর সাঁকো তৈরি করে তার উপর দিয়ে চলাচল করছে।

বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে প্রতিদিন দুটি কলেজ, দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি ফাযিল মাদ্রাসা ও তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীসহ প্রায় চার সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে। দৌলতপুর গ্রামের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল-ফাহাদ জানান, উভয় পাড়ের শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসায় যেতে নানা রকমের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অনেক অতিথি সাঁকোতে চড়ার অভ্যাস নেই এবং ছোট-ছোট শিশুরা দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পাড়ি দিতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

সনমানিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক ভূঁইয়া জানান, দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি সেতু নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে তাদের স্কুল-কলেজে যেতে পারবে এবং ব্যবসায়ীরাও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দ্রুত বাজারজাত করতে পারবেন। দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাদিউল ইসলাম জানান, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে একটি সেতু নির্মাণ হলে দুই এলাকার লোকজনের মাঝে আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধন তৈরি হবে।