ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

দিনের কথা থেকে রাতে সরে আসলেন বরগুনার এসপি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯
  • ২৯৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, রিফাত শরীফ হত্যায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। তবে রাতে আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে তিনি বলেন, ‘স্বীকারোক্তি তো পুলিশের কাছে হয় না, স্বীকারোক্তি হয় জজের কাছে।’

বৃহস্পতিবার রাতে এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের এসপি মারুফ হোসেন বলেন, ‘মিন্নি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমাদের যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে আমাদের মনে হয়েছে, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত; যার কারণে এইসব তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে তাকে রিমান্ডে এনেছি। এই হত্যাকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এটাই প্রতীয়মান হয়েছে।’

এর আগে এদিন দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার দাবি করেন, ‘মিন্নি আমাদের কাছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আমাদের কাছেও প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, মিন্নি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। মিন্নি স্বীকার করেছেন বলেই আমরা বিষয়গুলো আদালতের কাছে তুলে ধরে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রিমান্ড আবেদন করেছি এবং আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’

তখন তিনি আরও দাবি করেন, ‘যারা হত্যাকারী ছিল তাদের সঙ্গে মিন্নি শুরু থেকেই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় অংশ নেন। এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার আগে এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যা যা করা দরকার, তার সবকিছুই তিনি করেছেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে হত্যা পরিকল্পনার মিটিংও করেছেন।’

রিফাত হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবার বাড়ি থেকে পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে রাত ৯টার দিকে বরগুনার গোয়েন্দা পুলিশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিফাত শরীফকে হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

পরদিন বুধবার বেলা ৩টায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিন্নিকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

দিনের কথা থেকে রাতে সরে আসলেন বরগুনার এসপি

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, রিফাত শরীফ হত্যায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। তবে রাতে আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে তিনি বলেন, ‘স্বীকারোক্তি তো পুলিশের কাছে হয় না, স্বীকারোক্তি হয় জজের কাছে।’

বৃহস্পতিবার রাতে এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের এসপি মারুফ হোসেন বলেন, ‘মিন্নি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমাদের যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে আমাদের মনে হয়েছে, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত; যার কারণে এইসব তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে তাকে রিমান্ডে এনেছি। এই হত্যাকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এটাই প্রতীয়মান হয়েছে।’

এর আগে এদিন দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে পুলিশ সুপার দাবি করেন, ‘মিন্নি আমাদের কাছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আমাদের কাছেও প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, মিন্নি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। মিন্নি স্বীকার করেছেন বলেই আমরা বিষয়গুলো আদালতের কাছে তুলে ধরে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রিমান্ড আবেদন করেছি এবং আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’

তখন তিনি আরও দাবি করেন, ‘যারা হত্যাকারী ছিল তাদের সঙ্গে মিন্নি শুরু থেকেই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় অংশ নেন। এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার আগে এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যা যা করা দরকার, তার সবকিছুই তিনি করেছেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে হত্যা পরিকল্পনার মিটিংও করেছেন।’

রিফাত হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবার বাড়ি থেকে পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে রাত ৯টার দিকে বরগুনার গোয়েন্দা পুলিশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিফাত শরীফকে হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

পরদিন বুধবার বেলা ৩টায় বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিন্নিকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।