ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাতিজা ভাগিনা শ্যালিকাসহ ২১ নিকটাত্মীয় নিয়োগ দিয়েছেন ইফার ডিজি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শ্যালিকা, ভাতিজা, ভাতিজা বৌ, ভাগিনা ও ভাগ্নি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ডিজির নিকটাত্মীয়। সবাই এখন ইফার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। ২১ জন নিকটাত্মীয়কে নিয়োগ দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অভিযোগ উঠেছে ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজালের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৯ সালে যোগদানের পর নানা অনিয়মের মাধ্যমে এসব নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি যখন ডিজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ইসলামিক ফাউন্ডেশনে তার একমাত্র আত্মীয় ছিলেন তার ভায়েরা ভাই সৈয়দ শাহ এমরান। তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিল। এখন তার চারপাশে ছোট বড় পদে প্রায় অর্ধশত নিকটাত্মীয়।

জানা গেছে, আপন বোনের মেয়ে ফাহমিদা বেগম (সহকারী পরিচালক, কক্সবাজার জেলায় উপ-পরিচালক পদে কর্মরত) আরেক বোনের মেয়ে সিরাজুম মুনীরা (মহিলা কো-অর্ডিনেটর, বায়তুল মোকাররম), বোনের ছেলে মাওলানা এহসানুল হক (জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম), আপন ভাইয়ের ছেলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (সহকারী পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি), ভাইয়ের ছেলে শাহ আলম (উৎপাদন ব্যবস্থাপক, চট্টগ্রাম) আরেক ভাইয়ের ছেলে রেজোয়ানুল হক (প্রকাশনা কর্মকর্তা), আরেক ভাইয়ের ছেলে মিসবাহ উদ্দিন (হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, ৫৬০ মডেল মসজিদ প্রকল্প), শ্যালিকা ফারজিমা মিজান শরমীন (আর্টিস্ট, প্রেস শাখা), শ্যালিকার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (সহকারী পরিচালক, প্রশাসন), বন্ধুর মেয়ে সৈয়দ সাবিহা ইসলাম (সহকারী পরিচালক, প্রসাশন)।

এছাড়া আত্মীয় আবদুল্লাহ আল মামুন (সহকারী পরিচালক, উৎপাদন), আত্মীয় ইলিয়াস পারভেজ (সহকারী পরিচালক, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্প) ডিজির ছেলে অনিকের গৃহশিক্ষক আতিয়ার রহমানকে প্রোগ্রাম অফিসার (ইসলামি মিশন) পদে নিয়োগ প্রদান করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই পদের সবগুলোই প্রথম শ্রেণির।

সামীম মোহাম্মদ আফজাল তার আপন ভাইয়ের ছেলে রাসেল মিয়াকে ইসলামিক মিশনের ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান পদে, আরেক ভাইয়ের ছেলে মুনিম ও মাহমুদকে এলডিএ পদে, মাহমুদের স্ত্রীকে ল্যাব টেকনিশিয়ান, আত্মীয় রতনকে ফিল্ড সুপারভাইজার, ফয়সালকে হিসাব রক্ষক পদে, ইউডিএ হিসেবে আনোয়ারুল আজিম, গবেষণা সহকারী পদে আনোয়ারুল হককে নিয়োগ দেন।

ডিজি শুধু আত্মীয়কে নিয়োগ দিয়েই ক্ষান্ত হননি। বন্ধু এমনকী বান্ধবীদের ছেলে-মেয়ে-স্ত্রীরাও বাদ যাননি আত্মীয়করণ থেকে। ঘনিষ্ঠ পরিচালক মু. হারুনুর রশিদের ছেলে নাজমুস সাকিবকে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে, পরিচালক তাহের হোসেনের স্ত্রীর বোনের মেয়ে সাহিনা আক্তারকে সহকারী পরিচালক পদে, পীরভাই জালাল আহমদের স্ত্রী মাহমুদা বেগমকে প্রোগ্রাম অফিসার পদে এবং ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিচালক এবিএম শফিকুল ইসলামের আত্মীয় হোমায়রা আক্তারকে পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেন।

এদিকে ইফা ডিজির বিরুদ্ধে লেখক সম্মানি নিয়ে নয়-ছয়, কেনাকাটার টাকা লুটপাট, পদোন্নতিতে দুর্নীতি ও জ্যেষ্ঠতা লংঘন এবং নিয়োগ-বদলির ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, ফাউন্ডেশনে দৈনিক ভিত্তিতে চাকরি দেয়ার কোনো বিধান না থাকলেও ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূতভাবে দৈনিক ভিত্তিতে ছয় শতাধিক কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এভাবে দৈনিকভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে পরে তাদেরকে নিয়মিতকরণ করা হয়। এখনও প্রায় দুই থেকে আড়াইশ কর্মচারী দৈনিক ভিত্তিতে নিয়োজিত রয়েছেন।

ইফা ডিজি নারিন্দা মশুরীখোলা দরবারের পীর শাহ মোহাম্মদ আহছানুজ্জামানকে বোগদাদী কায়দার রয়্যালিটি বাবদ অবৈধভাবে ১৪ লাখ টাকা দিয়েছেন। কারণ, বোগদাদী কায়দা সুপ্রাচীনকাল থেকে এই উপমহাদেশে কোরআন শরিফ শেখার জন্য পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এটার লেখক শাহ আহসানুজ্জামান নন। অথচ ডিজি তার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে শাহ আহছানুজ্জামানকে এ টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

একইভাবে অন্যের দ্বারা বই লিখিয়ে লাখ লাখ টাকা রয়্যালিটি গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে ডিজির বিরুদ্ধে। ২০০৯ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের আগে তার নিজ নামে কোনো বই ছিল না। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১০ বছরে ২৫টির অধিক বই তার নামে ছাপা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি বইও ডিজি নিজে লেখেননি।

মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কর্মসূচিতে ২০২০ জন শিক্ষক ও ফিল্ড সুপারভাইজার নিয়োগে দুর্নীতি ও আর্থিক লেনদেন, ইসলামিক মিশনের টিএ-ডিএ খাতে অনিয়ম, ৫৬০টি মডেল মসজিদের সাইনবোর্ড তৈরিতে কমিশন বাণিজ্য, আইন উপদেষ্টা পদে বেআইনি নিয়োগসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এসব কারণে খোদ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ডিজির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীও তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন ১৮ জুন। এদিন তিনি অফিস না করে ৩ দিনের ছুটির দরখাস্ত পাঠিয়েছেন ফাউন্ডেশনে। যদিও এই ছুটির আবেদন যথাযথ হয়নি বলে জানিয়েছেন ফাউন্ডেশন সচিব। এ বিষয়ে কথা বলতে ডিজির মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাতিজা ভাগিনা শ্যালিকাসহ ২১ নিকটাত্মীয় নিয়োগ দিয়েছেন ইফার ডিজি

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শ্যালিকা, ভাতিজা, ভাতিজা বৌ, ভাগিনা ও ভাগ্নি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ডিজির নিকটাত্মীয়। সবাই এখন ইফার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। ২১ জন নিকটাত্মীয়কে নিয়োগ দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অভিযোগ উঠেছে ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজালের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৯ সালে যোগদানের পর নানা অনিয়মের মাধ্যমে এসব নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি যখন ডিজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ইসলামিক ফাউন্ডেশনে তার একমাত্র আত্মীয় ছিলেন তার ভায়েরা ভাই সৈয়দ শাহ এমরান। তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিল। এখন তার চারপাশে ছোট বড় পদে প্রায় অর্ধশত নিকটাত্মীয়।

জানা গেছে, আপন বোনের মেয়ে ফাহমিদা বেগম (সহকারী পরিচালক, কক্সবাজার জেলায় উপ-পরিচালক পদে কর্মরত) আরেক বোনের মেয়ে সিরাজুম মুনীরা (মহিলা কো-অর্ডিনেটর, বায়তুল মোকাররম), বোনের ছেলে মাওলানা এহসানুল হক (জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম), আপন ভাইয়ের ছেলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (সহকারী পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি), ভাইয়ের ছেলে শাহ আলম (উৎপাদন ব্যবস্থাপক, চট্টগ্রাম) আরেক ভাইয়ের ছেলে রেজোয়ানুল হক (প্রকাশনা কর্মকর্তা), আরেক ভাইয়ের ছেলে মিসবাহ উদ্দিন (হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, ৫৬০ মডেল মসজিদ প্রকল্প), শ্যালিকা ফারজিমা মিজান শরমীন (আর্টিস্ট, প্রেস শাখা), শ্যালিকার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (সহকারী পরিচালক, প্রশাসন), বন্ধুর মেয়ে সৈয়দ সাবিহা ইসলাম (সহকারী পরিচালক, প্রসাশন)।

এছাড়া আত্মীয় আবদুল্লাহ আল মামুন (সহকারী পরিচালক, উৎপাদন), আত্মীয় ইলিয়াস পারভেজ (সহকারী পরিচালক, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্প) ডিজির ছেলে অনিকের গৃহশিক্ষক আতিয়ার রহমানকে প্রোগ্রাম অফিসার (ইসলামি মিশন) পদে নিয়োগ প্রদান করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই পদের সবগুলোই প্রথম শ্রেণির।

সামীম মোহাম্মদ আফজাল তার আপন ভাইয়ের ছেলে রাসেল মিয়াকে ইসলামিক মিশনের ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান পদে, আরেক ভাইয়ের ছেলে মুনিম ও মাহমুদকে এলডিএ পদে, মাহমুদের স্ত্রীকে ল্যাব টেকনিশিয়ান, আত্মীয় রতনকে ফিল্ড সুপারভাইজার, ফয়সালকে হিসাব রক্ষক পদে, ইউডিএ হিসেবে আনোয়ারুল আজিম, গবেষণা সহকারী পদে আনোয়ারুল হককে নিয়োগ দেন।

ডিজি শুধু আত্মীয়কে নিয়োগ দিয়েই ক্ষান্ত হননি। বন্ধু এমনকী বান্ধবীদের ছেলে-মেয়ে-স্ত্রীরাও বাদ যাননি আত্মীয়করণ থেকে। ঘনিষ্ঠ পরিচালক মু. হারুনুর রশিদের ছেলে নাজমুস সাকিবকে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে, পরিচালক তাহের হোসেনের স্ত্রীর বোনের মেয়ে সাহিনা আক্তারকে সহকারী পরিচালক পদে, পীরভাই জালাল আহমদের স্ত্রী মাহমুদা বেগমকে প্রোগ্রাম অফিসার পদে এবং ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিচালক এবিএম শফিকুল ইসলামের আত্মীয় হোমায়রা আক্তারকে পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেন।

এদিকে ইফা ডিজির বিরুদ্ধে লেখক সম্মানি নিয়ে নয়-ছয়, কেনাকাটার টাকা লুটপাট, পদোন্নতিতে দুর্নীতি ও জ্যেষ্ঠতা লংঘন এবং নিয়োগ-বদলির ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, ফাউন্ডেশনে দৈনিক ভিত্তিতে চাকরি দেয়ার কোনো বিধান না থাকলেও ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূতভাবে দৈনিক ভিত্তিতে ছয় শতাধিক কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এভাবে দৈনিকভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে পরে তাদেরকে নিয়মিতকরণ করা হয়। এখনও প্রায় দুই থেকে আড়াইশ কর্মচারী দৈনিক ভিত্তিতে নিয়োজিত রয়েছেন।

ইফা ডিজি নারিন্দা মশুরীখোলা দরবারের পীর শাহ মোহাম্মদ আহছানুজ্জামানকে বোগদাদী কায়দার রয়্যালিটি বাবদ অবৈধভাবে ১৪ লাখ টাকা দিয়েছেন। কারণ, বোগদাদী কায়দা সুপ্রাচীনকাল থেকে এই উপমহাদেশে কোরআন শরিফ শেখার জন্য পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এটার লেখক শাহ আহসানুজ্জামান নন। অথচ ডিজি তার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে শাহ আহছানুজ্জামানকে এ টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

একইভাবে অন্যের দ্বারা বই লিখিয়ে লাখ লাখ টাকা রয়্যালিটি গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে ডিজির বিরুদ্ধে। ২০০৯ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের আগে তার নিজ নামে কোনো বই ছিল না। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১০ বছরে ২৫টির অধিক বই তার নামে ছাপা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি বইও ডিজি নিজে লেখেননি।

মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কর্মসূচিতে ২০২০ জন শিক্ষক ও ফিল্ড সুপারভাইজার নিয়োগে দুর্নীতি ও আর্থিক লেনদেন, ইসলামিক মিশনের টিএ-ডিএ খাতে অনিয়ম, ৫৬০টি মডেল মসজিদের সাইনবোর্ড তৈরিতে কমিশন বাণিজ্য, আইন উপদেষ্টা পদে বেআইনি নিয়োগসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এসব কারণে খোদ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ডিজির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীও তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন ১৮ জুন। এদিন তিনি অফিস না করে ৩ দিনের ছুটির দরখাস্ত পাঠিয়েছেন ফাউন্ডেশনে। যদিও এই ছুটির আবেদন যথাযথ হয়নি বলে জানিয়েছেন ফাউন্ডেশন সচিব। এ বিষয়ে কথা বলতে ডিজির মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।