ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

বাত-ম্যালেরিয়া সারাতে, মশা তাড়াতে নিম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০১৫
  • ৫৪৯ বার

সৌন্দর্যচর্চা ও আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে নিম প্রাচীনকাল থেকেই বেশ জনপ্রিয়। ভেষজ চিকিৎসার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার ব্যাপক। বাত, ম্যালেরিয়াসহ দাঁত, চোখের চিকিৎসায় ‌উপকারী নিম। সুন্দর ত্বকের জন্য পরীক্ষিত নিমের পাতা।

নিমের মধ্যে রয়েছে নিমবিন, নিম্বিনেন, নিমবোলাইড, নিমান্দিয়েলসহ কিছু বিশেষ মিশ্র পদার্থ যা এন্টিফাঙ্গাল, এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিইনফ্লেমেটরি হিসেবে কাজ করে। এতে আরও রয়েছে শক্তিশালী এন্টিফাঙ্গাল- এজেন্ট গ্যাডোনিন, নিম্বিডল যা পা ও নখের ফাঙ্গাস, দাদ দূর করে।

নিমের গুণাবলী অনেক। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যকৃতকে সক্রিয় রাখে, রক্ত পরিষ্কার করে ও শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। নিম হজমে সহায়ক ও শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে ম্যালেরিয়া ও ডায়াবেটিসেরও ভালো ওষুধ।


ভাইরাল রোগ
ভারতীয় উপমহাদেশে ভাইরাল রোগ নিরাময়ে নিম ব্যবহৃত হয়। নিমপাতার রস ভাইরাস নির্মূল করে। আগে চিকেন পক্স, হাম ও অন্য চর্মরোগ হলে নিমপাতা বাটা লাগানো হতো। এছাড়াও নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি দূর হয়।

রক্ত পরিষ্কার করে
নিমপাতার রস রক্ত পরিষ্কার করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। এছাড়াও রক্তচলাচল বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও নিমের জুড়ি নেই।


ম্যালেরিয়া
গ্যাডোনিন উপাদান সমৃদ্ধ নিম ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও নিমপাতা সিদ্ধ পানি ঠাণ্ডা করে স্প্রে বোতলে রাখুন। প্রতিদিন ঘরে স্প্রে করলে মশার উপদ্রব কমে যাবে।

বাত
নিমপাতা, নিমের বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাতের ব্যথায় নিমের তেলের ম্যাসাজও বেশ উপকারী।


চোখ
চোখে চুলকানি হলে নিমপাতা পানিতে দশ মিনিট সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করে নিন। চোখে সেই পানির ঝাপটা দিন। আরামবোধ করবেন।

ত্বক
রূপচর্চায় আদিকাল থেকেই নিম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। আবার ঘরে তৈরি নিমের বড়িও খাওয়া যেতে পারে। বড়ি তৈরি করতে নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে নিন। এবার হাতে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করুন। বড় ডিশে ফ্যানের বাতোসে একদিন রেখে দিন। পরদিন রোদে শুকোতে দিন। নিমের বড়ির পানি একেবারে শুকিয়ে এলে এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন।

দাঁত
দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই।


চুল
চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাস‍াজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

বাত-ম্যালেরিয়া সারাতে, মশা তাড়াতে নিম

আপডেট টাইম : ০৩:১২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০১৫

সৌন্দর্যচর্চা ও আয়ুর্বেদিক উপাদান হিসেবে নিম প্রাচীনকাল থেকেই বেশ জনপ্রিয়। ভেষজ চিকিৎসার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার ব্যাপক। বাত, ম্যালেরিয়াসহ দাঁত, চোখের চিকিৎসায় ‌উপকারী নিম। সুন্দর ত্বকের জন্য পরীক্ষিত নিমের পাতা।

নিমের মধ্যে রয়েছে নিমবিন, নিম্বিনেন, নিমবোলাইড, নিমান্দিয়েলসহ কিছু বিশেষ মিশ্র পদার্থ যা এন্টিফাঙ্গাল, এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিইনফ্লেমেটরি হিসেবে কাজ করে। এতে আরও রয়েছে শক্তিশালী এন্টিফাঙ্গাল- এজেন্ট গ্যাডোনিন, নিম্বিডল যা পা ও নখের ফাঙ্গাস, দাদ দূর করে।

নিমের গুণাবলী অনেক। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যকৃতকে সক্রিয় রাখে, রক্ত পরিষ্কার করে ও শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। নিম হজমে সহায়ক ও শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে ম্যালেরিয়া ও ডায়াবেটিসেরও ভালো ওষুধ।


ভাইরাল রোগ
ভারতীয় উপমহাদেশে ভাইরাল রোগ নিরাময়ে নিম ব্যবহৃত হয়। নিমপাতার রস ভাইরাস নির্মূল করে। আগে চিকেন পক্স, হাম ও অন্য চর্মরোগ হলে নিমপাতা বাটা লাগানো হতো। এছাড়াও নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি দূর হয়।

রক্ত পরিষ্কার করে
নিমপাতার রস রক্ত পরিষ্কার করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। এছাড়াও রক্তচলাচল বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও নিমের জুড়ি নেই।


ম্যালেরিয়া
গ্যাডোনিন উপাদান সমৃদ্ধ নিম ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও নিমপাতা সিদ্ধ পানি ঠাণ্ডা করে স্প্রে বোতলে রাখুন। প্রতিদিন ঘরে স্প্রে করলে মশার উপদ্রব কমে যাবে।

বাত
নিমপাতা, নিমের বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাতের ব্যথায় নিমের তেলের ম্যাসাজও বেশ উপকারী।


চোখ
চোখে চুলকানি হলে নিমপাতা পানিতে দশ মিনিট সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করে নিন। চোখে সেই পানির ঝাপটা দিন। আরামবোধ করবেন।

ত্বক
রূপচর্চায় আদিকাল থেকেই নিম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। আবার ঘরে তৈরি নিমের বড়িও খাওয়া যেতে পারে। বড়ি তৈরি করতে নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে নিন। এবার হাতে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করুন। বড় ডিশে ফ্যানের বাতোসে একদিন রেখে দিন। পরদিন রোদে শুকোতে দিন। নিমের বড়ির পানি একেবারে শুকিয়ে এলে এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন।

দাঁত
দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই।


চুল
চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাস‍াজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে।