ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

প্রথম মুসলিম বাংলাদেশী নারী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হেনা চৌধুরী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০১৯
  • ৩৪৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আনন্দে কেঁদে ফেললেন বাংলাদেশী নারী হেনা চৌধুরী। কারণ, তিনি ইংল্যান্ডের ওয়ার্থিংয়ে স্থানীয় নির্বাচনে প্রথম একজন মুসলিম বাংলাদেশী নারী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ২ মে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের ফল যখন ঘোষণা হচ্ছিল অ্যাসেম্বলি হল থেকে তখন হেনার নেতাকর্মী, সমর্থকরা তার পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিলেন। এ সময় আবেগে কেঁদে ফেলেন তিনি।

এতে বলা হয় ওয়ার্থিং বরো কাউন্সিল নির্বাচনে বিরোধী লেবার দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হেনা চৌধুরী। এতে তিনি ১২১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ফল ঘোষণার পর অভিভূত হয়ে পড়েন হেনা।

তিনি বলেন, আমি অভিভূত। কখনো ভাবি নি প্রথম একজন এশিয়ান, বাংলাদেশী নারী হিসেবে এবং একজন মুসলিম গাসফোর্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হবে। আমি সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছি। কখনো ভাবি নি এমনটা ঘটবে। আমাকে বলা হয়েছিল, প্রতিদ্বন্দ্বী খুব শক্তিশালী। অনেকে আমার নেতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু আমি বলতে চাই, দেখুন কত ইতিবাচক মানুষ আছেন। তারা আমাকে ভালবাসা দিয়েছেন। শ্রদ্ধা দিয়েছেন। তারাই রায় দিয়েছেন কে আমি। এ জন্য স্থানীয় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই।

হেনা চৌধুরী আরো বলেন, যেসব মানুষ আমাকে সময় দিয়েছেন, সকালে কাজে যাওয়ার আগে ভোট দিতে এসেছেন, দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের সময় ভোট দিতে এসেছেন, সন্ধ্যায় ভোট দিতে এসেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

ভোটের দিন কেন্দ্র থেকে নড়েন নি হেনা চৌধুরী। তিনি টানা ১৫ ঘন্টা সেখানে অবস্থান করেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ১৫ ঘন্টা অবস্থান করেছি। কোথাও যাই নি। সবাই চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেখানে ছিলাম ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত। কারণ, আমি চেয়েছি ভোট দিতে এসে কোনো ভোটার যাতে এমনটা না দেখেন যে, কেন্দ্রে কোনো প্রার্থী নেই। তাদের জন্য কেউ অপেক্ষা করছে না। তারা যা বিশ্বাস করেছেন, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন সেজন্য আমি নির্বাচিত। তাদের আশা পূরণ করার চেষ্টা করবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

প্রথম মুসলিম বাংলাদেশী নারী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হেনা চৌধুরী

আপডেট টাইম : ০৯:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আনন্দে কেঁদে ফেললেন বাংলাদেশী নারী হেনা চৌধুরী। কারণ, তিনি ইংল্যান্ডের ওয়ার্থিংয়ে স্থানীয় নির্বাচনে প্রথম একজন মুসলিম বাংলাদেশী নারী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ২ মে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের ফল যখন ঘোষণা হচ্ছিল অ্যাসেম্বলি হল থেকে তখন হেনার নেতাকর্মী, সমর্থকরা তার পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিলেন। এ সময় আবেগে কেঁদে ফেলেন তিনি।

এতে বলা হয় ওয়ার্থিং বরো কাউন্সিল নির্বাচনে বিরোধী লেবার দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হেনা চৌধুরী। এতে তিনি ১২১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ফল ঘোষণার পর অভিভূত হয়ে পড়েন হেনা।

তিনি বলেন, আমি অভিভূত। কখনো ভাবি নি প্রথম একজন এশিয়ান, বাংলাদেশী নারী হিসেবে এবং একজন মুসলিম গাসফোর্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হবে। আমি সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছি। কখনো ভাবি নি এমনটা ঘটবে। আমাকে বলা হয়েছিল, প্রতিদ্বন্দ্বী খুব শক্তিশালী। অনেকে আমার নেতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু আমি বলতে চাই, দেখুন কত ইতিবাচক মানুষ আছেন। তারা আমাকে ভালবাসা দিয়েছেন। শ্রদ্ধা দিয়েছেন। তারাই রায় দিয়েছেন কে আমি। এ জন্য স্থানীয় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই।

হেনা চৌধুরী আরো বলেন, যেসব মানুষ আমাকে সময় দিয়েছেন, সকালে কাজে যাওয়ার আগে ভোট দিতে এসেছেন, দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের সময় ভোট দিতে এসেছেন, সন্ধ্যায় ভোট দিতে এসেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

ভোটের দিন কেন্দ্র থেকে নড়েন নি হেনা চৌধুরী। তিনি টানা ১৫ ঘন্টা সেখানে অবস্থান করেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ১৫ ঘন্টা অবস্থান করেছি। কোথাও যাই নি। সবাই চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেখানে ছিলাম ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত। কারণ, আমি চেয়েছি ভোট দিতে এসে কোনো ভোটার যাতে এমনটা না দেখেন যে, কেন্দ্রে কোনো প্রার্থী নেই। তাদের জন্য কেউ অপেক্ষা করছে না। তারা যা বিশ্বাস করেছেন, আমার ওপর আস্থা রেখেছেন সেজন্য আমি নির্বাচিত। তাদের আশা পূরণ করার চেষ্টা করবো।