ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিতলি নিয়ে আর শঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩১৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, ঘুর্ণিঝড় তিতলি ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই ঘুর্ণিঝড় থেকে বাংলাদেশের আর ভয়ের কোনো কারণ নেই।

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এসময় জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে আবহাওয়ার তথ্য জেনে ঘর থেকে বের হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ঘুর্ণিঝড় তিতলি নিয়ে আর কোনো আশঙ্কা নেই। তিতলি ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই ঘুর্ণিঝড় থেকে বাংলাদেশের আর ভয়ের কোনো কারণ নেই। তবে, তিতলির আঘাতের ১৯টি জেলা আক্রান্তের আশঙ্কা ছিল। এসব জেলায় সব ধরণের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

ঘুর্ণিঝড় ‘তিতলি’ মোকাবিলায় প্রত্যেক জেলা উপজেলার প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সব জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব কর্মকর্তার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫৬ হাজার ভলান্টিয়ার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো ক্ষতির আশঙ্কা করছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, গোপালপুরের কাছ দিয়ে ভারতের ওডিশা-অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে তা উপকূল অতিক্রম করবে।

অধিদপ্তর বলছে, তিতলি হ্যারিকেনের তীব্রতা নিয়ে ভারতে আঘাত হানলেও সেটি আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পরছে, এর প্রভাববে বাংলাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রভাবে বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ সারা দেশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে, কাক ডাকা ভোর থেকেই আকাশ মেঘলা দেখা যায়। সাত সকালে বৃষ্টিও হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর অবশ্য এখনও সমুদ্র বন্দরগুলোতে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলছে। বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা, ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তিতলি নিয়ে আর শঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, ঘুর্ণিঝড় তিতলি ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই ঘুর্ণিঝড় থেকে বাংলাদেশের আর ভয়ের কোনো কারণ নেই।

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এসময় জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে আবহাওয়ার তথ্য জেনে ঘর থেকে বের হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ঘুর্ণিঝড় তিতলি নিয়ে আর কোনো আশঙ্কা নেই। তিতলি ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানার পর দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই ঘুর্ণিঝড় থেকে বাংলাদেশের আর ভয়ের কোনো কারণ নেই। তবে, তিতলির আঘাতের ১৯টি জেলা আক্রান্তের আশঙ্কা ছিল। এসব জেলায় সব ধরণের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

ঘুর্ণিঝড় ‘তিতলি’ মোকাবিলায় প্রত্যেক জেলা উপজেলার প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সব জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব কর্মকর্তার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫৬ হাজার ভলান্টিয়ার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো ক্ষতির আশঙ্কা করছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, গোপালপুরের কাছ দিয়ে ভারতের ওডিশা-অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে তা উপকূল অতিক্রম করবে।

অধিদপ্তর বলছে, তিতলি হ্যারিকেনের তীব্রতা নিয়ে ভারতে আঘাত হানলেও সেটি আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পরছে, এর প্রভাববে বাংলাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রভাবে বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ সারা দেশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে, কাক ডাকা ভোর থেকেই আকাশ মেঘলা দেখা যায়। সাত সকালে বৃষ্টিও হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর অবশ্য এখনও সমুদ্র বন্দরগুলোতে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলছে। বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা, ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।