ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

বাংলাদেশে প্রতিদিন ১৪২ জন মানুষ যক্ষ্মায় রোগে আক্রান্ত হচ্ছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮
  • ৬৪২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দ্যা চেষ্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিদিন ১৪২ জন মানুষ যক্ষ্মা বা টিবি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ‘বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস-২০১৮- উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় শনিবার (২৪ মার্চ) এ তথ্য জানান সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. বিশ্বাস আখতারুজ্জামান।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, যক্ষ্মা একটি নিরাময় যোগ্য রোগ। প্রতিবছর ১৬ কোটির মানুষের মধ্যে ৬৪ হাজার ৪শ মানুষ নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যা দিনে গড়ে দাঁড়ায় ১৪২ জনে। আর বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

সভাপতি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে প্রতিবছর যতো লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের প্রায় ৪০ শতাংশের রোগ নির্ণয় হচ্ছে না। ফলে এরা চিকিৎসা সেবার বাহিরে  থাকছেন। ফলে দিনে প্রতি লাখে বাংলাদেশে ৪০ জন মানুষ মারা যাচ্ছেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু রায়হান বলেন, যক্ষ্মর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কোনো রোগীকে চিকিৎসার আওতার বাহিরে রাখা যাবে না। যারা এখনো চিকিৎসার বাইরে আছেন তাদের খুঁজে বরে করতে হবে। বের করে চিকিৎসা দিয়ে যক্ষ্মা রোগে মৃত্যু শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি এই রোগের কারণে ভোগান্তি এবং কুসংস্কার থেকে দেশের সাধারণ মানুষদের মুক্তি দিবে হবে।

তাছাড়াও ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে যক্ষ্মমুক্ত করার সাহসী অভিযানকে বেগবান করতে হবে বলেও তিনি জানান।

যক্ষ্মা বা টিবি একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামের একটি জীবাণু এ রোগের জন্য দায়ী। এ জীবাণু মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে। কফ, হাঁচি, কাশি ও কথা বলার মাধ্যমে যক্ষ্মার জীবাণু এটি একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়ায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

বাংলাদেশে প্রতিদিন ১৪২ জন মানুষ যক্ষ্মায় রোগে আক্রান্ত হচ্ছে

আপডেট টাইম : ০৩:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দ্যা চেষ্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিদিন ১৪২ জন মানুষ যক্ষ্মা বা টিবি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ‘বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস-২০১৮- উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় শনিবার (২৪ মার্চ) এ তথ্য জানান সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. বিশ্বাস আখতারুজ্জামান।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, যক্ষ্মা একটি নিরাময় যোগ্য রোগ। প্রতিবছর ১৬ কোটির মানুষের মধ্যে ৬৪ হাজার ৪শ মানুষ নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যা দিনে গড়ে দাঁড়ায় ১৪২ জনে। আর বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

সভাপতি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে প্রতিবছর যতো লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের প্রায় ৪০ শতাংশের রোগ নির্ণয় হচ্ছে না। ফলে এরা চিকিৎসা সেবার বাহিরে  থাকছেন। ফলে দিনে প্রতি লাখে বাংলাদেশে ৪০ জন মানুষ মারা যাচ্ছেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু রায়হান বলেন, যক্ষ্মর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কোনো রোগীকে চিকিৎসার আওতার বাহিরে রাখা যাবে না। যারা এখনো চিকিৎসার বাইরে আছেন তাদের খুঁজে বরে করতে হবে। বের করে চিকিৎসা দিয়ে যক্ষ্মা রোগে মৃত্যু শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি এই রোগের কারণে ভোগান্তি এবং কুসংস্কার থেকে দেশের সাধারণ মানুষদের মুক্তি দিবে হবে।

তাছাড়াও ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে যক্ষ্মমুক্ত করার সাহসী অভিযানকে বেগবান করতে হবে বলেও তিনি জানান।

যক্ষ্মা বা টিবি একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামের একটি জীবাণু এ রোগের জন্য দায়ী। এ জীবাণু মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে। কফ, হাঁচি, কাশি ও কথা বলার মাধ্যমে যক্ষ্মার জীবাণু এটি একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়ায়।