ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’, আলোচিত বিআরটিএ কর্মকর্তা এবার ঢাকায় বদলি

জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্মতারিখ ও নাম নিশ্চিত হয়েই পরিবর্তন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ২৬৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতীয় পরিচয়পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং এর তথ্য খুবই স্পর্শকাতর। জন্মতারিখ বা নাম পরিবর্তন করে কিছু অসাধু ব্যক্তি অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। এর মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা হতে অব্যাহতি চাওয়া, জমিজমার মালিকানা হস্তান্তর, চাকরিপ্রাপ্তি ইত্যাদি। উপযুক্ত প্রমাণাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে জন্মতারিখ বা নাম পরিবর্তনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সমীচীন হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সংসদ কার্যে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহ।

জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, এনআইডি সার্ভিস ইসলামী ফাউন্ডেশন ভবনে থাকাকালে জনবল স্বল্পতা, স্থান সংকটসহ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, নির্বাচন কমিশন যা শনাক্ত করে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল সংগ্রহ, কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম স্থাপন, আবেদন জমা গ্রহণ ও কার্ড বিতরণ কাউন্টার স্থাপন, সম্মানিত প্রবাসী ও সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা কাউন্টার স্থাপন, আবেদনকারীদের বসার সুব্যবস্থাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী জানান, কাউকে যাতে দূর-দূরান্ত হতে কষ্ট করে ঢাকায় আসতে না হয়, সেজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা ইতোমধ্যে উপজেলা/থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সব ধরনের আবেদন গ্রহণ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে। যার জন্য কোনো আবেদনকারীকে সেবা গ্রহণের জন্য নিজ নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস ব্যতীত অন্য কোথাও এমনকি ঢাকার এনআইডি উইংয়ে আসার প্রয়োজন হচ্ছে না।

তিনি আরো জানান, শুধু হারানো/নষ্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের জরুরি সেবা ঢাকার আগারগাঁওস্থ নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনের দ্বিতীয় তলা হতে সরাসরি প্রদান করা হয়। হারানো/নষ্ট জাতীয় পরিচয়পত্র জরুরি পেতে পূর্বনির্ধারিত কাউন্টারে সকাল ৯টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদন জমা গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে আবেদনকারীরা হারানো/সংশোধনের আবেদন জমা দেওয়ার পর ধাপে ধাপে তাদের প্রদত্ত মুঠোফোন নম্বরে আবেদনের অগ্রগতি জানানো হয়, সেজন্য কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদনকারীর সাহায্য-সহযোগিতা চাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, আগামীতে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে সরাসরি নির্বাচনের কোনো তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নেই। একই দলের বেগম শিরিন নাঈমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০০৮ থেকে ২০১৬ মেয়াদে সারা দেশে ৯টি আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, ৫৪টি জেলা নির্বাচন অফিস, ৩৯৪টি উপজেলা নির্বাচন অফিস ও ৯টি থানা নির্বাচন অফিস নির্মাণ ও ক্রয় করা হয়।

ঢাকা মহানগরীতে জমির মূল্য অত্যাধিক হওয়ায় সাতটি থানা নির্বাচন অফিসের স্পেস ক্রয় করা হয়। এগুলো হলো-ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, গুলশান, মিরপুর, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট থানা নির্বাচন অফিস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্মতারিখ ও নাম নিশ্চিত হয়েই পরিবর্তন

আপডেট টাইম : ১১:৩৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতীয় পরিচয়পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং এর তথ্য খুবই স্পর্শকাতর। জন্মতারিখ বা নাম পরিবর্তন করে কিছু অসাধু ব্যক্তি অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। এর মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা হতে অব্যাহতি চাওয়া, জমিজমার মালিকানা হস্তান্তর, চাকরিপ্রাপ্তি ইত্যাদি। উপযুক্ত প্রমাণাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে জন্মতারিখ বা নাম পরিবর্তনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সমীচীন হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সংসদ কার্যে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহ।

জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, এনআইডি সার্ভিস ইসলামী ফাউন্ডেশন ভবনে থাকাকালে জনবল স্বল্পতা, স্থান সংকটসহ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, নির্বাচন কমিশন যা শনাক্ত করে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল সংগ্রহ, কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম স্থাপন, আবেদন জমা গ্রহণ ও কার্ড বিতরণ কাউন্টার স্থাপন, সম্মানিত প্রবাসী ও সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা কাউন্টার স্থাপন, আবেদনকারীদের বসার সুব্যবস্থাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী জানান, কাউকে যাতে দূর-দূরান্ত হতে কষ্ট করে ঢাকায় আসতে না হয়, সেজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা ইতোমধ্যে উপজেলা/থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস হতে সব ধরনের আবেদন গ্রহণ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে। যার জন্য কোনো আবেদনকারীকে সেবা গ্রহণের জন্য নিজ নিজ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস ব্যতীত অন্য কোথাও এমনকি ঢাকার এনআইডি উইংয়ে আসার প্রয়োজন হচ্ছে না।

তিনি আরো জানান, শুধু হারানো/নষ্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের জরুরি সেবা ঢাকার আগারগাঁওস্থ নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনের দ্বিতীয় তলা হতে সরাসরি প্রদান করা হয়। হারানো/নষ্ট জাতীয় পরিচয়পত্র জরুরি পেতে পূর্বনির্ধারিত কাউন্টারে সকাল ৯টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদন জমা গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে আবেদনকারীরা হারানো/সংশোধনের আবেদন জমা দেওয়ার পর ধাপে ধাপে তাদের প্রদত্ত মুঠোফোন নম্বরে আবেদনের অগ্রগতি জানানো হয়, সেজন্য কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদনকারীর সাহায্য-সহযোগিতা চাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, আগামীতে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে সরাসরি নির্বাচনের কোনো তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নেই। একই দলের বেগম শিরিন নাঈমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০০৮ থেকে ২০১৬ মেয়াদে সারা দেশে ৯টি আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস, ৫৪টি জেলা নির্বাচন অফিস, ৩৯৪টি উপজেলা নির্বাচন অফিস ও ৯টি থানা নির্বাচন অফিস নির্মাণ ও ক্রয় করা হয়।

ঢাকা মহানগরীতে জমির মূল্য অত্যাধিক হওয়ায় সাতটি থানা নির্বাচন অফিসের স্পেস ক্রয় করা হয়। এগুলো হলো-ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, গুলশান, মিরপুর, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট থানা নির্বাচন অফিস।