,

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সফলতা ও ব্যর্থতা মনিটরিং হচ্ছে

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সফলতা-ব্যর্থতা মনিটর করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে পরিদর্শনে এসে সার্বিক খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি মন্ত্রীদের কার্যক্রমও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। মন্ত্রণালয় ভিত্তিক গৃহীত উন্নয়ন কর্মকা-কে কতটুকু এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন কিংবা কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে কাজ করছেন তার উপরই নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের টিকে থাকা। শুধু রাজনৈতিক চাপাবাজী দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। সফলতা-ব্যর্থতার মূল্যায়নের সময় খুব সন্নিকটে। যে কোন দিন মন্ত্রী পরিষদের রদবদলও করা হতে পারে। এতে ছিটকে পড়তে পারেন কেউ-কেউ। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্রের সাথে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, মন্ত্রী পরিষদের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ পেলে সাবেক গণপূর্ত-প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মান্নান খানসহ অন্যান্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যেভাবে হেনস্থা কিংবা দুর্নীতি দমন কমিশনের মুখোমুখি হয়েছেন বা হচ্ছেন একই পরিণাম তাদেরও হবে। এতে পার পাওয়া বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনরকম অনুকম্পা-সহযোগিতা দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছেন। থাকবেন। জাতীয় সংসদে দলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মন্ত্রী-এমপিদের কোনোরকম অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। এলাকায় বলয় সৃষ্টি করে রাজনৈতিক বিরোধ করা যাবে না। যার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঠবে প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে পার পাবেনা। জানাগেছে, বয়সের ভারে এবং চলাচলেও অক্ষম এমন দু’জন মন্ত্রীকে নিয়ে নানা কথা-বার্তা হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকজনের কার্যক্রম নিয়ে দলে এবং শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা আছে। রদবদলের তালিকায় পরতে পারেন তাদের মধ্যে আছেন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী. সৈয়দ মহসিন আলী, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু এবং আরও দু’জন প্রতিমন্ত্রী এ তালিকায় থাকতে পারেন। সচিবালয়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালান এমন কয়েকটি গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে,এসব মন্ত্রীরা নিজের মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে তেমন মনোযোগী পরিলক্ষিত হয়না এবং সরকারের কাজের চেয়ে নিজের কাজেই বেশী ব্যস্ত সময় কাটান। এছাড়া একে অপরের বিরুদ্ধে সমালোচনায় ব্যতিব্যস্ত। ফাইল ওয়ার্ক নিয়েও সচিব-প্রতিমন্ত্রীদের সাথে আছে নানা মতবিরোধ। এদিকে মহাজোটের একজন প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট তৈরি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে এই প্রতিমন্ত্রী মহোদয় কেবিনেট মিটিংয়ের পরেই তার কক্ষে ছোট-খাটো একটি প্রেসব্রিফিং তিনি করেন এবং মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে কি-কি আলাপ হয় তা নিয়ে নানারকম তথ্য তিনি দিয়ে থাকেন। বলা হয়েছে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের বিষয় নিয়ে মন্ত্রী পরিষদের সচিবও একটি আনুষ্ঠানিক প্রেসব্রিফিং করে থাকেন। এতে করে সরকারের দেওয়া তথ্যের মধ্যে তথ্য বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেবে এফবিসিসিআইভারতের সঙ্গে স্থলসীমা চুক্তি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফলতার জন্য সংবর্ধনা দেবে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। গতকাল রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সংগঠনটির নির্বাচন বোর্ডের একসভায় সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ এ ঘোষণা দেন।তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও ছিটমহল সমস্যা নিয়ে ঐতিহাসিক ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি বাস্তবায়িত হয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক সফলতা। এজন্য আমরা দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার এন্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) পক্ষ থেকে তাকে একসপ্তাহের মধ্যে সংবর্ধনা দেয়া হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই।
Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর