ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নতুন সিইসির দৃঢ় অঙ্গীকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৩৮০ বার

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ দায়িত্ব পালনে তিনিসহ কমিশন সচেষ্ট থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথে কোনো দলবাজ কর্মকর্তা বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বুধবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে শপথ গ্রহণের পর নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে নতুন সিইসি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কেবল বিএনপিই নয়, ছোট-বড় সকল নিবন্ধিত দলের অংশগ্রহণে যাতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সে জন্য আমরা সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’

বিকাল চারটা ২২ মিনিটে সিইসি ও নতুন কমিশনাররা নির্বাচন ভবনে পৌঁছালে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা শেষে পাঁচ কমিশনারই নিজ নিজ দফতরে যান। একটু পরই চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী সিইসির কক্ষে যান। এরপর তারা এক সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে যোগ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিইসি বলেন, শপথ গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের ওপর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। আমাদের কার্যক্রমের প্রধান পাথেয় সংবিধান, সংবিধানের অধীনে প্রণীত বিভিন্ন আইন, আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা এবং নির্বাহী আদেশসমূহ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুসরণীয় হবে ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১টি নির্বাচন কমিশনের রেখে যাওয়া অভিজ্ঞতা সম্বলিত দিক নির্দেশনা। ১৯৭২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৫ বছর ধরে ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের একজন সচিবের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের রয়েছে একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো এবং সুদক্ষ জনবল।’

সিইসি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের প্রধান তিনটি দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালনকরা এবং সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। দেশের সকল ভোটারকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পিত। অভিজ্ঞ এবং নিষ্ঠাবান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে নিয়ে এ সকল দায়িত্বপালনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নতুন সিইসির দৃঢ় অঙ্গীকার

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ দায়িত্ব পালনে তিনিসহ কমিশন সচেষ্ট থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথে কোনো দলবাজ কর্মকর্তা বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বুধবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে শপথ গ্রহণের পর নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে নতুন সিইসি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কেবল বিএনপিই নয়, ছোট-বড় সকল নিবন্ধিত দলের অংশগ্রহণে যাতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সে জন্য আমরা সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’

বিকাল চারটা ২২ মিনিটে সিইসি ও নতুন কমিশনাররা নির্বাচন ভবনে পৌঁছালে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা শেষে পাঁচ কমিশনারই নিজ নিজ দফতরে যান। একটু পরই চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী সিইসির কক্ষে যান। এরপর তারা এক সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে যোগ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিইসি বলেন, শপথ গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের ওপর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। আমাদের কার্যক্রমের প্রধান পাথেয় সংবিধান, সংবিধানের অধীনে প্রণীত বিভিন্ন আইন, আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা এবং নির্বাহী আদেশসমূহ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুসরণীয় হবে ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১টি নির্বাচন কমিশনের রেখে যাওয়া অভিজ্ঞতা সম্বলিত দিক নির্দেশনা। ১৯৭২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৫ বছর ধরে ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের একজন সচিবের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের রয়েছে একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো এবং সুদক্ষ জনবল।’

সিইসি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের প্রধান তিনটি দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালনকরা এবং সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। দেশের সকল ভোটারকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পিত। অভিজ্ঞ এবং নিষ্ঠাবান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে নিয়ে এ সকল দায়িত্বপালনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।