ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নতুন সিইসির দৃঢ় অঙ্গীকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৩৮৪ বার

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ দায়িত্ব পালনে তিনিসহ কমিশন সচেষ্ট থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথে কোনো দলবাজ কর্মকর্তা বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বুধবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে শপথ গ্রহণের পর নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে নতুন সিইসি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কেবল বিএনপিই নয়, ছোট-বড় সকল নিবন্ধিত দলের অংশগ্রহণে যাতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সে জন্য আমরা সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’

বিকাল চারটা ২২ মিনিটে সিইসি ও নতুন কমিশনাররা নির্বাচন ভবনে পৌঁছালে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা শেষে পাঁচ কমিশনারই নিজ নিজ দফতরে যান। একটু পরই চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী সিইসির কক্ষে যান। এরপর তারা এক সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে যোগ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিইসি বলেন, শপথ গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের ওপর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। আমাদের কার্যক্রমের প্রধান পাথেয় সংবিধান, সংবিধানের অধীনে প্রণীত বিভিন্ন আইন, আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা এবং নির্বাহী আদেশসমূহ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুসরণীয় হবে ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১টি নির্বাচন কমিশনের রেখে যাওয়া অভিজ্ঞতা সম্বলিত দিক নির্দেশনা। ১৯৭২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৫ বছর ধরে ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের একজন সচিবের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের রয়েছে একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো এবং সুদক্ষ জনবল।’

সিইসি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের প্রধান তিনটি দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালনকরা এবং সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। দেশের সকল ভোটারকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পিত। অভিজ্ঞ এবং নিষ্ঠাবান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে নিয়ে এ সকল দায়িত্বপালনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নতুন সিইসির দৃঢ় অঙ্গীকার

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ দায়িত্ব পালনে তিনিসহ কমিশন সচেষ্ট থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথে কোনো দলবাজ কর্মকর্তা বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বুধবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে শপথ গ্রহণের পর নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে নতুন সিইসি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কেবল বিএনপিই নয়, ছোট-বড় সকল নিবন্ধিত দলের অংশগ্রহণে যাতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সে জন্য আমরা সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’

বিকাল চারটা ২২ মিনিটে সিইসি ও নতুন কমিশনাররা নির্বাচন ভবনে পৌঁছালে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা শেষে পাঁচ কমিশনারই নিজ নিজ দফতরে যান। একটু পরই চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী সিইসির কক্ষে যান। এরপর তারা এক সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে যোগ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিইসি বলেন, শপথ গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের ওপর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। আমাদের কার্যক্রমের প্রধান পাথেয় সংবিধান, সংবিধানের অধীনে প্রণীত বিভিন্ন আইন, আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা এবং নির্বাহী আদেশসমূহ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুসরণীয় হবে ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১১টি নির্বাচন কমিশনের রেখে যাওয়া অভিজ্ঞতা সম্বলিত দিক নির্দেশনা। ১৯৭২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৫ বছর ধরে ধাপে ধাপে নির্বাচন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের একজন সচিবের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের রয়েছে একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো এবং সুদক্ষ জনবল।’

সিইসি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের প্রধান তিনটি দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালনকরা এবং সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। দেশের সকল ভোটারকে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর অর্পিত। অভিজ্ঞ এবং নিষ্ঠাবান নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে নিয়ে এ সকল দায়িত্বপালনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।