ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

নেত্রকোনায় কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১৮ বার

Oplus_16908288

কাজ না করেই সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা: নেত্রকোনার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির বিরুদ্ধে। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও প্রকল্প এলাকায় কোনো কাজ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী বাঘমারা উচ্চবিদ্যালয়ের খেলার মাঠের কোণা থেকে নন্দনের বাড়ি পর্যন্ত সড়কে মাটি ভরাটের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩০ জুনের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্প এলাকায় মাটি ভরাট বা উন্নয়নকাজের কোনো চিহ্ন নেই। অথচ কাগজপত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের তথ্য রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল দাস, নূর আলম ও শহীদ মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতিবছরই এ সড়কের নামে সরকারি বরাদ্দ এলেও কাজ হয় না। এ নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। চলতি বছরও বরাদ্দ এলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সফিয়ন তালুকদার বলেন, “পিআইও অফিস থেকে বিল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাজ করা সম্ভব হয়নি।”

তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির বলেন, “বালালী এলাকার প্রকল্পের বিল ছাড় হয়েছে। কমিটি বিল উত্তোলন করেছে কি না, তা যাচাই করে বলতে হবে।” প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে কি না—এ বিষয়ে তিনি কোনো সুস্পষ্ট মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম বলেন, “কাজ না করে বিল নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজ ও বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

নেত্রকোনায় কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১০:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

কাজ না করেই সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোনা: নেত্রকোনার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির বিরুদ্ধে। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও প্রকল্প এলাকায় কোনো কাজ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী বাঘমারা উচ্চবিদ্যালয়ের খেলার মাঠের কোণা থেকে নন্দনের বাড়ি পর্যন্ত সড়কে মাটি ভরাটের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩০ জুনের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্প এলাকায় মাটি ভরাট বা উন্নয়নকাজের কোনো চিহ্ন নেই। অথচ কাগজপত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের তথ্য রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল দাস, নূর আলম ও শহীদ মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতিবছরই এ সড়কের নামে সরকারি বরাদ্দ এলেও কাজ হয় না। এ নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। চলতি বছরও বরাদ্দ এলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সফিয়ন তালুকদার বলেন, “পিআইও অফিস থেকে বিল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাজ করা সম্ভব হয়নি।”

তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির বলেন, “বালালী এলাকার প্রকল্পের বিল ছাড় হয়েছে। কমিটি বিল উত্তোলন করেছে কি না, তা যাচাই করে বলতে হবে।” প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে কি না—এ বিষয়ে তিনি কোনো সুস্পষ্ট মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম বলেন, “কাজ না করে বিল নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজ ও বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।