ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানি শীর্ষ নেতাদের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র, তথ্য দিলেই মিলবে ১০ মিলিয়ন ডলার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার

যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সম্পর্কে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এই পুরস্কারের আওতায় তথ্য দিলে ওই নেতাদের অবস্থান, পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য দেওয়া যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির অধীনে এই ঘোষণা এসেছে। এতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং ইরানের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এই ঘোষণার সময় ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য চাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মোজতবা খামেনি, ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ আলি আসগর হেজাজি, সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি, উপদেষ্টা আলি লারিজানি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসকান্দার মোমেনি এবং গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব।

এছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের চারজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা, সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সামরিক প্রধান এবং কমান্ডার। এই কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা, সংগঠন ও বাস্তবায়নে জড়িত। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী ইরানের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই বাহিনী বর্তমানে ইরানের অর্থনীতির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাবশালী।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তথ্য প্রদানকারীকে পুরস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সুযোগও দেওয়া হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক অভিযানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা নতুন করে কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।

সূত্র: সিএনএন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি শীর্ষ নেতাদের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র, তথ্য দিলেই মিলবে ১০ মিলিয়ন ডলার

আপডেট টাইম : ০১:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সম্পর্কে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এই পুরস্কারের আওতায় তথ্য দিলে ওই নেতাদের অবস্থান, পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য দেওয়া যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির অধীনে এই ঘোষণা এসেছে। এতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং ইরানের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এই ঘোষণার সময় ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য চাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মোজতবা খামেনি, ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ আলি আসগর হেজাজি, সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি, উপদেষ্টা আলি লারিজানি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসকান্দার মোমেনি এবং গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব।

এছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের চারজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা, সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের সামরিক প্রধান এবং কমান্ডার। এই কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা, সংগঠন ও বাস্তবায়নে জড়িত। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী ইরানের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই বাহিনী বর্তমানে ইরানের অর্থনীতির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাবশালী।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তথ্য প্রদানকারীকে পুরস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সুযোগও দেওয়া হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক অভিযানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা নতুন করে কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।

সূত্র: সিএনএন।