ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

অল্প পুঁজিতেও বাজিমাত, সুপার ফোরে পাকিস্তান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮৫ বার

পাকিস্তানকে ১৪৬ রানে আটকে দিয়ে স্বপ্নে বিভোর ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। কী সেই স্বপ্ন? পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা করে নেওয়া। তবে শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি স্বাগতিকদের। পাকিস্তানের কাছে ৪১ রানে হেরে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হলো দলটিকে। আর বাঁচামরার ম্যাচে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের জোরে সুপার ফোরে জায়গা করে নিল পাকিস্তান।

ব্যাট হাতে গতি না হলেও বোলাররা পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছেন। আমিরাত ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার আলিশান শারাফুকে (১২) ফিরিয়ে শুরুটা করেন তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর আবরার আহমেদ-সাইম আইয়ুবরা আমিরাতের ব্যাটারদের চেপে ধরেন। তাদের ঘূর্ণিজাদুর সামনে অসহায় রূপ ফুটে ওঠে স্বাগতিকদের।

আবরার আহমেদের বলে দারুণ এক ক্যাচ নিয়ে আমিরাতি অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিমের (১৪) বিদায় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ নওয়াজ। তিনে নামা মোহাম্মদ জোহাইবের স্টাম্প গুঁড়িয়ে দেন সাইম। ৩৭ রানে তিন উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে সে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন আমিরাতের চার ও পাঁচ নম্বর ব্যাটার রাহুল চোপড়া ও ধ্রুব পারাশার। চতুর্থ উইকেটে ৫১ বলে ৪৮ রান যোগ করেন তারা দুজন।

তবে তাদের এই প্রচেষ্টায় স্বস্তির চেয়ে বরং রানরেটের চাপ-ই বেড়েছে। দলীয় ৮৫ রানে ধ্রুবকে খুশদিল শাহর ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন হারিস রউফ। ২৩ বলে ১ চারে ২০ রানে সাঙ্গ হয় তার ইনিংস। আর দলীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে আগা সালমানের বলে ক্যাচ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন রাহুল। আমিরাতের শেষ ছয় ব্যাটারের কেউ দুই অঙ্কের ঘরও ছুঁতে পারেননি। তাতে শেষ পর্যন্ত ১০৫ রানে অলআউট হয়ে যায় দলটি।

শাহিন, হারিস এবং আবরার সমান দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করা পাকিস্তান ২০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৪৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। আমিরাতি বোলারদের দাপটে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি পাকিস্তানের বেশিরভাগ ব্যাটার। অনেকটা যেন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ৩৬ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন অভিজ্ঞ ফখর জামান।

আমিরাতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন পেসার জুনায়েদ সিদ্দিক। ৩ উইকেট যায় বাঁহাতি স্পিনার সিমরানজিত সিংয়ের ঝুলিতে।

গ্রুপ এ থেকে টানা দুই জয়ে আগেই সুপার ফোর নিশ্চিত করে ভারত। ২১ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে পাকিস্তানের সুপার ফোর মিশন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

অল্প পুঁজিতেও বাজিমাত, সুপার ফোরে পাকিস্তান

আপডেট টাইম : ০৯:৩৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানকে ১৪৬ রানে আটকে দিয়ে স্বপ্নে বিভোর ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। কী সেই স্বপ্ন? পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা করে নেওয়া। তবে শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি স্বাগতিকদের। পাকিস্তানের কাছে ৪১ রানে হেরে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হলো দলটিকে। আর বাঁচামরার ম্যাচে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের জোরে সুপার ফোরে জায়গা করে নিল পাকিস্তান।

ব্যাট হাতে গতি না হলেও বোলাররা পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছেন। আমিরাত ইনিংসের শুরুতেই ওপেনার আলিশান শারাফুকে (১২) ফিরিয়ে শুরুটা করেন তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর আবরার আহমেদ-সাইম আইয়ুবরা আমিরাতের ব্যাটারদের চেপে ধরেন। তাদের ঘূর্ণিজাদুর সামনে অসহায় রূপ ফুটে ওঠে স্বাগতিকদের।

আবরার আহমেদের বলে দারুণ এক ক্যাচ নিয়ে আমিরাতি অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিমের (১৪) বিদায় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ নওয়াজ। তিনে নামা মোহাম্মদ জোহাইবের স্টাম্প গুঁড়িয়ে দেন সাইম। ৩৭ রানে তিন উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ে সে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন আমিরাতের চার ও পাঁচ নম্বর ব্যাটার রাহুল চোপড়া ও ধ্রুব পারাশার। চতুর্থ উইকেটে ৫১ বলে ৪৮ রান যোগ করেন তারা দুজন।

তবে তাদের এই প্রচেষ্টায় স্বস্তির চেয়ে বরং রানরেটের চাপ-ই বেড়েছে। দলীয় ৮৫ রানে ধ্রুবকে খুশদিল শাহর ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন হারিস রউফ। ২৩ বলে ১ চারে ২০ রানে সাঙ্গ হয় তার ইনিংস। আর দলীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে আগা সালমানের বলে ক্যাচ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন রাহুল। আমিরাতের শেষ ছয় ব্যাটারের কেউ দুই অঙ্কের ঘরও ছুঁতে পারেননি। তাতে শেষ পর্যন্ত ১০৫ রানে অলআউট হয়ে যায় দলটি।

শাহিন, হারিস এবং আবরার সমান দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করা পাকিস্তান ২০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৪৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। আমিরাতি বোলারদের দাপটে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি পাকিস্তানের বেশিরভাগ ব্যাটার। অনেকটা যেন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ৩৬ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন অভিজ্ঞ ফখর জামান।

আমিরাতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন পেসার জুনায়েদ সিদ্দিক। ৩ উইকেট যায় বাঁহাতি স্পিনার সিমরানজিত সিংয়ের ঝুলিতে।

গ্রুপ এ থেকে টানা দুই জয়ে আগেই সুপার ফোর নিশ্চিত করে ভারত। ২১ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে পাকিস্তানের সুপার ফোর মিশন।