ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

বুড়িচংয়ে জৈব বালাইনাশক তৈরি ও নিরাপদ সবজি উৎপাদনের উদ্যোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৯৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কৃষক পর্যায়ে জৈব বালাইনাশক তৈরি ও তা ব্যবহার করে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করে উপজেলা কৃষি অফিস। কৃষকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দীর্ঘ ৮ মাসের চলমান কার্যক্রমে আশানুরুপ সাফল্য আসে উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের এতবারপুর ও রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গ্রামে। দক্ষিণগ্রামের আটজন কৃষক শশা, বেগুন ও ঢেঁড়সসহ উৎপাদন করেন ৯ টন নিরাপদ সবজি।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানিন রায় জানান, স্থানীয় সহজলভ্যতার ভিত্তিতে কৃষকদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, এতবারপুর গ্রামে নিমের নির্যাস আর সীমান্তবর্তী দক্ষিণগ্রামে ব্যবহৃত হবে মেহগনির বীজ।

দক্ষিণ গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ সাথে কথা বলে জানা যায়, শুরুতে তারা মেহগণির বীজ থেকে তৈরিকৃত জৈব বালাইনাশকে কাজ হবে বা ফসলের কোন ক্ষতি হবে কিনা আশ^স্ত হতে পারছিলেন না। স্থানীয় উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো. মুজিবুর রহমান ও উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা দুই দফা উঠান বৈঠক ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জৈব বালাইনাশক তৈরি উপর হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। মাঠে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন পোকামাকড় ও রোগ চেনান। দুই-এক জন কৃষক প্রথমে শুরু করে এখন প্রায় সবাই মেহগনি বীজ ব্যবহার করেন।

কৃষক কালাম হোসেন জানান, পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় প্রচুর মেহগনি বীজ পাওয়া যায়। সবাই যার যার প্রয়োজন মতো জোগাড় করে নেন। গাছে এখন নতুন ফল আসতেছে, আগামী শীতের জন্য সবাই সংগ্রহ করব।

জেলা কৃষি অফিসার মোছা. আফরিণা আক্তার জানান, কৃষকদের নিরাপদ সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরাটা বেশ কষ্টসাধ্য। তবে আমাদের এদিকে এগুলো ছাড়া বিকল্প উপায় নেই। ভোক্তা পর্যায়ে নিরাপদ সবজি গ্রহণের সচেতনতা ও নিরাপদ সবজির ভালো দাম নিশ্চিত করা গেলে কৃষক পর্যায়ে আগ্রহ বাড়বে। মাঠে কর্মরত উপ-সহকারি কৃষি অফিসাররা নিরাপদ সবজি উৎপাদনে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

বুড়িচংয়ে জৈব বালাইনাশক তৈরি ও নিরাপদ সবজি উৎপাদনের উদ্যোগ

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কৃষক পর্যায়ে জৈব বালাইনাশক তৈরি ও তা ব্যবহার করে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করে উপজেলা কৃষি অফিস। কৃষকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দীর্ঘ ৮ মাসের চলমান কার্যক্রমে আশানুরুপ সাফল্য আসে উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের এতবারপুর ও রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গ্রামে। দক্ষিণগ্রামের আটজন কৃষক শশা, বেগুন ও ঢেঁড়সসহ উৎপাদন করেন ৯ টন নিরাপদ সবজি।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানিন রায় জানান, স্থানীয় সহজলভ্যতার ভিত্তিতে কৃষকদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, এতবারপুর গ্রামে নিমের নির্যাস আর সীমান্তবর্তী দক্ষিণগ্রামে ব্যবহৃত হবে মেহগনির বীজ।

দক্ষিণ গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ সাথে কথা বলে জানা যায়, শুরুতে তারা মেহগণির বীজ থেকে তৈরিকৃত জৈব বালাইনাশকে কাজ হবে বা ফসলের কোন ক্ষতি হবে কিনা আশ^স্ত হতে পারছিলেন না। স্থানীয় উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো. মুজিবুর রহমান ও উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা দুই দফা উঠান বৈঠক ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জৈব বালাইনাশক তৈরি উপর হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। মাঠে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন পোকামাকড় ও রোগ চেনান। দুই-এক জন কৃষক প্রথমে শুরু করে এখন প্রায় সবাই মেহগনি বীজ ব্যবহার করেন।

কৃষক কালাম হোসেন জানান, পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় প্রচুর মেহগনি বীজ পাওয়া যায়। সবাই যার যার প্রয়োজন মতো জোগাড় করে নেন। গাছে এখন নতুন ফল আসতেছে, আগামী শীতের জন্য সবাই সংগ্রহ করব।

জেলা কৃষি অফিসার মোছা. আফরিণা আক্তার জানান, কৃষকদের নিরাপদ সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরাটা বেশ কষ্টসাধ্য। তবে আমাদের এদিকে এগুলো ছাড়া বিকল্প উপায় নেই। ভোক্তা পর্যায়ে নিরাপদ সবজি গ্রহণের সচেতনতা ও নিরাপদ সবজির ভালো দাম নিশ্চিত করা গেলে কৃষক পর্যায়ে আগ্রহ বাড়বে। মাঠে কর্মরত উপ-সহকারি কৃষি অফিসাররা নিরাপদ সবজি উৎপাদনে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন।