ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

হাওরে সড়ক বানিয়ে উপকারের চেয়ে অপকারই হয়েছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
  • ১৯২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাওরের মাঝখান দিয়ে  সড়ক নির্মাণ করা ঠিক হয়নি মন্তব্য করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমরা এখন টের পাচ্ছি, হাওরে সড়ক নির্মাণ করে নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেছি। হাওরে সড়ক বানিয়ে উপকারের চেয়ে অপকারই হয়েছে ।

শনিবার রাজধানীর প্রেসক্লাবে ‘পরিবেশ দূষণ ও প্রতিকার’ শিরোনামে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সেমিনারটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর হলিস্টিক স্টাডিজ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, হাওরে যারা বসবাস করেন, তাদের হক আছে শহরে যাওয়ার জন্য। সরকারের আর্থিক অবস্থাও ভালো ছিল। তখন আমরা হাওরে চমৎকার সড়ক নির্মাণ করেছি। কিন্তু এখন টের পাচ্ছি, ওই সড়ক বানিয়ে নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেছি। এটা আরও ক্ষতি হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকারের কাজের মধ্যে দ্বৈতকরণ হচ্ছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কাজে সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে। গভীরভাবে অনেক কিছু দেখা হয় না। সব চাহিদা পূরণ না করেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তাদের প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়ে দেয়। কর্মকর্তাদের গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হাওরে বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে এম এ মান্নান বলেন, হাওরাঞ্চলে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প তৈরি করা হলে, সেটি ভালো করে যাচাই-বাছাই করতে বলেছেন তিনি। হাওরে সড়ক নির্মাণ-সংক্রান্ত আর কোনো প্রকল্প নেওয়া হবে না। কারণ, হাওরে সড়ক নির্মাণ করে মঙ্গলের চেয়ে অমঙ্গল হয়েছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের কেন্দ্রীয় দূষণ বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এস পি গৌতম।
বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সেন্টার ফর হলিস্টিক স্টাডিজের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদের ডিন জিল্লুর রহমান, সাবেক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিহির কান্তি মজুমদার, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী অখিল কুমার বিশ্বাস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

হাওরে সড়ক বানিয়ে উপকারের চেয়ে অপকারই হয়েছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০২:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাওরের মাঝখান দিয়ে  সড়ক নির্মাণ করা ঠিক হয়নি মন্তব্য করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমরা এখন টের পাচ্ছি, হাওরে সড়ক নির্মাণ করে নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেছি। হাওরে সড়ক বানিয়ে উপকারের চেয়ে অপকারই হয়েছে ।

শনিবার রাজধানীর প্রেসক্লাবে ‘পরিবেশ দূষণ ও প্রতিকার’ শিরোনামে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সেমিনারটি আয়োজন করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর হলিস্টিক স্টাডিজ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, হাওরে যারা বসবাস করেন, তাদের হক আছে শহরে যাওয়ার জন্য। সরকারের আর্থিক অবস্থাও ভালো ছিল। তখন আমরা হাওরে চমৎকার সড়ক নির্মাণ করেছি। কিন্তু এখন টের পাচ্ছি, ওই সড়ক বানিয়ে নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেছি। এটা আরও ক্ষতি হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকারের কাজের মধ্যে দ্বৈতকরণ হচ্ছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কাজে সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে। গভীরভাবে অনেক কিছু দেখা হয় না। সব চাহিদা পূরণ না করেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তাদের প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়ে দেয়। কর্মকর্তাদের গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হাওরে বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে এম এ মান্নান বলেন, হাওরাঞ্চলে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প তৈরি করা হলে, সেটি ভালো করে যাচাই-বাছাই করতে বলেছেন তিনি। হাওরে সড়ক নির্মাণ-সংক্রান্ত আর কোনো প্রকল্প নেওয়া হবে না। কারণ, হাওরে সড়ক নির্মাণ করে মঙ্গলের চেয়ে অমঙ্গল হয়েছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের কেন্দ্রীয় দূষণ বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এস পি গৌতম।
বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সেন্টার ফর হলিস্টিক স্টাডিজের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদের ডিন জিল্লুর রহমান, সাবেক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিহির কান্তি মজুমদার, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী অখিল কুমার বিশ্বাস।