ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

নতুন কর্মী নিয়োগ স্থগিত করল মালয়েশিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩
  • ২০৩ বার

লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ায় নতুন করে বিদেশি কর্মী নিয়োগ আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া। শনিবার (১৮ মার্চ) দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার এ ঘোষণা দেন।

ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশ থেকে নতুন করে বিদেশি কর্মী নেওয়ার অনুমোদনের আবেদন স্থগিত করেছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বিদেশি কর্মী নেওয়া বন্ধ থাকবে এ ১৫টি দেশ থেকে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি কর্মীর জন্য কোটার আবেদন ও অনুমোদন ১৮ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না করা পর্যন্ত স্থগিত করা হলো। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) পর্যন্ত বিভিন্ন সেক্টরের বিদেশি কর্মীদের জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৬টি কোটা অনুমোদনের পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় উৎপাদন, নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, কৃষি এবং পরিষেবা খাতে কোটা অনুমোদন দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত বিদেশি শ্রমিকের জন্য যে সংখ্যক কোটা অনুমোদন দেয়া হয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ শিল্পকারখানায় শ্রম চাহিদা মেটানো সক্ষম বলে মনে করেন ভি শিবকুমার।

তবে যেসব নিয়োগকর্তাকে তাদের নিজ নিজ কোটার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মীদের মালয়েশিয়ায় আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী।

মালয়েশিয়া সরকারের তথ্যমতে এখনও পর্যন্ত নির্মাণ খাতে ৩৪২,৫৬৮, সার্ভিস সেক্টর (রেস্টুরেন্ট) ১৪৩,৫৬৮, ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর ৩৮৭১২২, প্লান্টেশন খাতে ৭৬৩২৫, এগ্রিকালচার খাতে ৪৫,৮৯৯টি কোটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়া এসব কর্মীর বড় অংশ এখনও মালয়েশিয়ার প্রবেশ করেনি।

এদিকে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র বলছে বিভিন্ন খাতে এখন পর্যন্ত দেড় লক্ষের মতো কর্মী এসেছে বাংলাদেশ থেকে। আর নতুন করে হাইকমিশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে আরও প্রায় আড়াই লক্ষ কর্মীকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন কর্মী নিয়োগ স্থগিত করল মালয়েশিয়া

আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মার্চ ২০২৩

লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ায় নতুন করে বিদেশি কর্মী নিয়োগ আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া। শনিবার (১৮ মার্চ) দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার এ ঘোষণা দেন।

ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশ থেকে নতুন করে বিদেশি কর্মী নেওয়ার অনুমোদনের আবেদন স্থগিত করেছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বিদেশি কর্মী নেওয়া বন্ধ থাকবে এ ১৫টি দেশ থেকে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি কর্মীর জন্য কোটার আবেদন ও অনুমোদন ১৮ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না করা পর্যন্ত স্থগিত করা হলো। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) পর্যন্ত বিভিন্ন সেক্টরের বিদেশি কর্মীদের জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৬টি কোটা অনুমোদনের পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় উৎপাদন, নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, কৃষি এবং পরিষেবা খাতে কোটা অনুমোদন দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত বিদেশি শ্রমিকের জন্য যে সংখ্যক কোটা অনুমোদন দেয়া হয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ শিল্পকারখানায় শ্রম চাহিদা মেটানো সক্ষম বলে মনে করেন ভি শিবকুমার।

তবে যেসব নিয়োগকর্তাকে তাদের নিজ নিজ কোটার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মীদের মালয়েশিয়ায় আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী।

মালয়েশিয়া সরকারের তথ্যমতে এখনও পর্যন্ত নির্মাণ খাতে ৩৪২,৫৬৮, সার্ভিস সেক্টর (রেস্টুরেন্ট) ১৪৩,৫৬৮, ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর ৩৮৭১২২, প্লান্টেশন খাতে ৭৬৩২৫, এগ্রিকালচার খাতে ৪৫,৮৯৯টি কোটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেওয়া এসব কর্মীর বড় অংশ এখনও মালয়েশিয়ার প্রবেশ করেনি।

এদিকে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র বলছে বিভিন্ন খাতে এখন পর্যন্ত দেড় লক্ষের মতো কর্মী এসেছে বাংলাদেশ থেকে। আর নতুন করে হাইকমিশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে আরও প্রায় আড়াই লক্ষ কর্মীকে।