ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

রাষ্ট্রপতির সাথে ৭টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২৬৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত ও তিন দেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন ওই কূটনীতিকরা। এ সময় তারা দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

চার রাষ্ট্রদূত হলেন—কিউবার আলেজান্দ্রো সিমানকাস মারিন, সার্বিয়ার সিনিসা প্যাভিক, মেক্সিকোর ফেদেরিকো সালাস লোটফি এবং বেলজিয়ামের দিদিয়ের ভ্যান্ডারহাসেল্ট।

তিন অনাবাসিক হাইকমিশনার হলেন—ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ড. রজার গোপাউল, ঘানার কোয়াকু আসোমাহ-চেরেমেহ এবং কিংডম অব ইসওয়াতিনির মেনজি সিফো ডালমিনি।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ঢাকার পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ সব সময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেয়।

বাংলাদেশকে বিপুল সম্ভাবনার দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে সব ধরনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান।

মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত জানান, তারা খুব শিগগিরই বাংলাদেশে দূতাবাস চালু করবেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, বঙ্গভবনে তাদের আগমনের সময় অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূতদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা সংস্কারকৃত বঙ্গভবনের তোষাখানা পরিদর্শন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

রাষ্ট্রপতির সাথে ৭টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আপডেট টাইম : ১২:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত ও তিন দেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন ওই কূটনীতিকরা। এ সময় তারা দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

চার রাষ্ট্রদূত হলেন—কিউবার আলেজান্দ্রো সিমানকাস মারিন, সার্বিয়ার সিনিসা প্যাভিক, মেক্সিকোর ফেদেরিকো সালাস লোটফি এবং বেলজিয়ামের দিদিয়ের ভ্যান্ডারহাসেল্ট।

তিন অনাবাসিক হাইকমিশনার হলেন—ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ড. রজার গোপাউল, ঘানার কোয়াকু আসোমাহ-চেরেমেহ এবং কিংডম অব ইসওয়াতিনির মেনজি সিফো ডালমিনি।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ঢাকার পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ সব সময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেয়।

বাংলাদেশকে বিপুল সম্ভাবনার দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে সব ধরনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান।

মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত জানান, তারা খুব শিগগিরই বাংলাদেশে দূতাবাস চালু করবেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, বঙ্গভবনে তাদের আগমনের সময় অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূতদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা সংস্কারকৃত বঙ্গভবনের তোষাখানা পরিদর্শন করেন।