ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

হাঁপানির লক্ষণগুলো কী? সুস্থ থাকতে করণীয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২
  • ২৬১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাঁপানি বংশগত হতে পারে আবার পরিবেশগত কারণেও হতে পারে। তবে ইদানীং পরিবেশগত কারণটিই বেশি দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে। শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক যে কারো হাঁপানি হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি উদ্যোগ গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ফর অ্যাজমার বাংলাদেশ সমন্বয়ক ডা. কাজী সাইফুদ্দিন বেননুর বলেছেন হাঁপানির প্রাথমিক লক্ষণ চারটি।

মাঝে মাঝেই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়

নিঃশ্বাসের সঙ্গে সাঁ সাঁ শব্দ হয়
শুকনা কাশি, প্রায়শই এই কাশি একটানা অনেকক্ষণ ধরে চলে। বুকে চাপ অনুভব হয়
খুব অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যায়

এই লক্ষণগুলো যদি থাকে তাহলে আপনি সম্ভবত হাঁপানিতে আক্রান্ত। এসব সমস্যা লক্ষ্য করলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ারা পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। যেদিন বাতাসে খুব ধুলোবালি থাকে, বিশেষ করে গরমকালে, সেই ধুলোবালি যদি নাকে যায় তাহলে সাথে সাথে হাঁচি শুরু হয়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়, শ্বাসে টান উঠে যায়। তখন আমাকে ইনহেলার নিতে হয়। বদ্ধ ঘরে কয়েকদিন থাকলেও একই ধরনের সমস্যা হয়।

শহরে হাঁপানি বৃদ্ধির অন্য কারণগুলোর একটি ঘনবসতি। শহরে বহু মানুষকে খুব ঘিঞ্জি ঘরে বসবাস করতে হয় যা ঘরের ভেতরের পরিবেশকে স্যাঁতসেঁতে ও অস্বাস্থ্যকর করে তোলে। ঘরের কোনায়, আসবাবের তলায় জমে থাকা ধুলো এবং সেই ধুলোয় ‘ডাস্ট মাইট’ নামে এক ধরনের কীট বেশি তৈরি হয়। ধুলো এবং এই কীট হাঁপানি বাড়িয়ে দেয়। রান্না থেকে যে ধোঁয়া তৈরি হয় তাতেও ঘরের ভেতরে পরিবেশ দূষণ হয়ে থাকে। শহরে বদ্ধ ঘরে রান্নার ধোঁয়া বের হওয়ার জন্য ব্যবস্থা থাকে না, যা বিশেষ করে নারী ও শিশুদের আক্রান্ত করে। গ্রামাঞ্চলে পরিবেশ খোলামেলা হওয়ার কারণে এসব সমস্যা কম হয়ে থাকে।

সুস্থ থাকতে করণীয়:
গাড়ির দূষণ রয়েছে, প্রচুর নির্মাণকাজ চলছে এমন জায়গায় গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরদোর নিয়মিত পরিষ্কার করা, ঘরে কাগজপত্র জমিয়ে না রাখা, বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।
কিছু টিকা রয়েছে যা নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে দেয়া হয়ে থাকে। সেগুলো হাঁপানি প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
সুষ্ঠু জীবনযাপন, ভাল খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, ধূমপান পরিত্যাগ-এই কয়েকটি বিষয়ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
খোলামেলা পরিবেশ ও নির্মল বাতাসে থাকার চেষ্টা করা।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয় রূপকথার মতো শোনাবে কিন্তু তবুও চেষ্টা করতে হবে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাঁপানির লক্ষণগুলো কী? সুস্থ থাকতে করণীয়

আপডেট টাইম : ০৫:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাঁপানি বংশগত হতে পারে আবার পরিবেশগত কারণেও হতে পারে। তবে ইদানীং পরিবেশগত কারণটিই বেশি দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে। শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক যে কারো হাঁপানি হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি উদ্যোগ গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ফর অ্যাজমার বাংলাদেশ সমন্বয়ক ডা. কাজী সাইফুদ্দিন বেননুর বলেছেন হাঁপানির প্রাথমিক লক্ষণ চারটি।

মাঝে মাঝেই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়

নিঃশ্বাসের সঙ্গে সাঁ সাঁ শব্দ হয়
শুকনা কাশি, প্রায়শই এই কাশি একটানা অনেকক্ষণ ধরে চলে। বুকে চাপ অনুভব হয়
খুব অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যায়

এই লক্ষণগুলো যদি থাকে তাহলে আপনি সম্ভবত হাঁপানিতে আক্রান্ত। এসব সমস্যা লক্ষ্য করলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ারা পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। যেদিন বাতাসে খুব ধুলোবালি থাকে, বিশেষ করে গরমকালে, সেই ধুলোবালি যদি নাকে যায় তাহলে সাথে সাথে হাঁচি শুরু হয়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়, শ্বাসে টান উঠে যায়। তখন আমাকে ইনহেলার নিতে হয়। বদ্ধ ঘরে কয়েকদিন থাকলেও একই ধরনের সমস্যা হয়।

শহরে হাঁপানি বৃদ্ধির অন্য কারণগুলোর একটি ঘনবসতি। শহরে বহু মানুষকে খুব ঘিঞ্জি ঘরে বসবাস করতে হয় যা ঘরের ভেতরের পরিবেশকে স্যাঁতসেঁতে ও অস্বাস্থ্যকর করে তোলে। ঘরের কোনায়, আসবাবের তলায় জমে থাকা ধুলো এবং সেই ধুলোয় ‘ডাস্ট মাইট’ নামে এক ধরনের কীট বেশি তৈরি হয়। ধুলো এবং এই কীট হাঁপানি বাড়িয়ে দেয়। রান্না থেকে যে ধোঁয়া তৈরি হয় তাতেও ঘরের ভেতরে পরিবেশ দূষণ হয়ে থাকে। শহরে বদ্ধ ঘরে রান্নার ধোঁয়া বের হওয়ার জন্য ব্যবস্থা থাকে না, যা বিশেষ করে নারী ও শিশুদের আক্রান্ত করে। গ্রামাঞ্চলে পরিবেশ খোলামেলা হওয়ার কারণে এসব সমস্যা কম হয়ে থাকে।

সুস্থ থাকতে করণীয়:
গাড়ির দূষণ রয়েছে, প্রচুর নির্মাণকাজ চলছে এমন জায়গায় গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরদোর নিয়মিত পরিষ্কার করা, ঘরে কাগজপত্র জমিয়ে না রাখা, বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।
কিছু টিকা রয়েছে যা নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে দেয়া হয়ে থাকে। সেগুলো হাঁপানি প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
সুষ্ঠু জীবনযাপন, ভাল খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, ধূমপান পরিত্যাগ-এই কয়েকটি বিষয়ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
খোলামেলা পরিবেশ ও নির্মল বাতাসে থাকার চেষ্টা করা।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয় রূপকথার মতো শোনাবে কিন্তু তবুও চেষ্টা করতে হবে।

সূত্র: বিবিসি