ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ বিশ্ব বাঘ দিবস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২
  • ২০৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রতিবছরের ২৯ জুলাই পালিত হয় বিশ্ব বাঘ দিবস। ২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বাঘ অভিবর্তনে এই দিবসটির সূচনা হয়। পুরো বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হলেও বাংলাদেশ, ভারত, নেপালসহ ১৩টি দেশে বাঘের ঘনত্ব বেশি থাকায় এসব দেশে গুরুত্ব সহকারে দিবসটি পালন করা হয়।

বনের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাঘের সংখ্যা কমে গেলে বনের পরিবেশের ভারসাম্য হারাবে।

বন বিভাগের তথ্যে জানা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘ ছিল ৩৫০টি। এরপর ১৯৮২ সালে জরিপে ৪২৫টি এবং এর দুই বছর পর ১৯৮৪ সালে সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ১১০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জরিপ চালিয়ে ৪৩০ থেকে ৪৫০টি বাঘ থাকার কথা জানানো হয়।

১৯৯২ সালে ৩৫৯টি বাঘ থাকার তথ্য জানায় বন বিভাগ। পরের বছর ১৯৯৩ সালে সুন্দরবনের ৩৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় প্যাগমার্ক পদ্ধতিতে জরিপ চালিয়ে ধন বাহাদুর তামাং ৩৬২টি বাঘ রয়েছে বলে জানায়। ২০০৪ সালের জরিপে বাঘের সংখ্যা পাওয়া যায় ৪৪০টি। ১৯৯৬-৯৭ সালে বাঘের সংখ্যা উল্লেখ করা হয় ৩৫০টি থেকে ৪০০টি। ওই সময়ে বাঘের পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে গণনা করা হয়। বর্তমানে নানা কারণে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

বাঘ প্রাণিবৈচিত্রের অন্যতম একটি নিদর্শন। আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাঘ সংরক্ষণে আমাদের নানামুখী ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশ্ব বাঘ দিবসকে কেন্দ্র করে বাঘ সংরক্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে হবে এবং সবাইকে সচেতন করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ বিশ্ব বাঘ দিবস

আপডেট টাইম : ০৯:২৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রতিবছরের ২৯ জুলাই পালিত হয় বিশ্ব বাঘ দিবস। ২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বাঘ অভিবর্তনে এই দিবসটির সূচনা হয়। পুরো বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হলেও বাংলাদেশ, ভারত, নেপালসহ ১৩টি দেশে বাঘের ঘনত্ব বেশি থাকায় এসব দেশে গুরুত্ব সহকারে দিবসটি পালন করা হয়।

বনের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাঘের সংখ্যা কমে গেলে বনের পরিবেশের ভারসাম্য হারাবে।

বন বিভাগের তথ্যে জানা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘ ছিল ৩৫০টি। এরপর ১৯৮২ সালে জরিপে ৪২৫টি এবং এর দুই বছর পর ১৯৮৪ সালে সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ১১০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জরিপ চালিয়ে ৪৩০ থেকে ৪৫০টি বাঘ থাকার কথা জানানো হয়।

১৯৯২ সালে ৩৫৯টি বাঘ থাকার তথ্য জানায় বন বিভাগ। পরের বছর ১৯৯৩ সালে সুন্দরবনের ৩৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় প্যাগমার্ক পদ্ধতিতে জরিপ চালিয়ে ধন বাহাদুর তামাং ৩৬২টি বাঘ রয়েছে বলে জানায়। ২০০৪ সালের জরিপে বাঘের সংখ্যা পাওয়া যায় ৪৪০টি। ১৯৯৬-৯৭ সালে বাঘের সংখ্যা উল্লেখ করা হয় ৩৫০টি থেকে ৪০০টি। ওই সময়ে বাঘের পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে গণনা করা হয়। বর্তমানে নানা কারণে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

বাঘ প্রাণিবৈচিত্রের অন্যতম একটি নিদর্শন। আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাঘ সংরক্ষণে আমাদের নানামুখী ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশ্ব বাঘ দিবসকে কেন্দ্র করে বাঘ সংরক্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে হবে এবং সবাইকে সচেতন করতে হবে।