ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে ‘৩৬ জুলাই’ হলো মাটি ও মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে রূপান্তরের অঙ্গীকার আনসার-ভিডিপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আর কখনো নির্ভরশীল রাষ্ট্র হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্নযাত্রায় ধীরগতি তারা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন দেখা হবে রাজপথে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আপনার দলের লোকেরাই আপনাকে পদচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রীকে কর্নেল অলি সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই জাদুঘর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণার কেন্দ্র : ড. ইউনূস

বিকেল হলেই শুরু হয় ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখির কিচিরমিচির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • ২৬৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি। যেন পাখিদের মিলন মেলা। দলবেধে উড়ে এসে বসে গাছের ডালপালায়। গাছের প্রতিটি শাখা-প্রশাখা ভরে ওঠে চড়ুই পাখিতে। আর তাদের কিচিরমিচির শব্দে মুখর থাকে গোটা এলাকা।

এ চিত্র লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে এবং আশেপাশে থাকা গাছপালাগুলোর। প্রতিদিন বিকেল হলেই হাজার হাজার চড়ুই পাখি দলবদ্ধ হয়ে গাছে এসে বসে।

স্থানীয়রা জানান, সারাদিন এ স্থানটি ফাঁকা থাকে। তবে বিকেল হলেই শুরু হয় পাখিদের আনাগোনা। ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে বসতে থাকে পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন আশপাশের গাছপালাগুলোতে। সন্ধ্যার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত হাজার হাজার পাখি এসে জড়ো হয় এলাকাটিতে। পাখিদের কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এসময় এক অপূর্ব পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

তারা জানান, প্রজনন মৌসুমে চড়ুই পাখির উপস্থিতি কমে যায়। তখন মানুষের বাসাবাড়ির ফাঁক ফোঁকরে এরা বাসা বানায়। ডিম দিয়ে বাচ্চা ফোটায়। ওড়ার বয়স হলে বাচ্চাগুলো বাসা ছেড়ে মা পাখির দেখাদেখি গাছে এসে অবস্থান নেয়।

স্থানীয় মুদি দোকানি আবদুল্লাহ আল হাদী বাংলানিউজকে বলেন, আমার দোকানের সমানে কয়েকটি আম গাছ আছে। বিকেল হলেই চড়ুই পাখি এসে গাছে বসে। পাখিগুলো গাছেই রাত কাটায়। তবে সন্ধ্যার পর হলে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। বন্ধ থাকে তাদের কিচিরমিচির। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও তারা গাছের মধ্যে বসে রাত পার করে।

তিনি জানান, সকালে আলো ফোটার আগেই আবার কিচিরমিচির শুরু হয়। তখন পাখিগুলো দলবদ্ধভাবে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে।

কামাল হোসেন নামে পল্লী বিদ্যুতের একজন কর্মী বলেন, অফিসের ভেতরে থাকা ঝাউগাছ, কৃষ্ণচূড়া, আম, কাঁঠালগাছসহ সবগুলো গাছের ডালপালা চড়ুই পাখিদের সমায়িক আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। বিকেলের দিকে পাখিগুলো যখন আসে, তখন খুব সুন্দর দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

খবির হোসেন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, একসঙ্গে হাজার হাজার চড়ুই পাখি আগে দেখা গেলেও এখন সাধারণত দেখা মেলে না। তবে এ স্থানটিতে তারা নিরাপদে থাকতে পারছে। কেউ পাখিদের বিরক্ত করে না। তাই দীর্ঘদিন ধরে এসব পাখি এখানে অবস্থান নিয়ে রাত্রিযাপন করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহ.) তাফসির শাস্ত্রের কিংবদন্তি যিনি

বিকেল হলেই শুরু হয় ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখির কিচিরমিচির

আপডেট টাইম : ১০:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি। যেন পাখিদের মিলন মেলা। দলবেধে উড়ে এসে বসে গাছের ডালপালায়। গাছের প্রতিটি শাখা-প্রশাখা ভরে ওঠে চড়ুই পাখিতে। আর তাদের কিচিরমিচির শব্দে মুখর থাকে গোটা এলাকা।

এ চিত্র লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে এবং আশেপাশে থাকা গাছপালাগুলোর। প্রতিদিন বিকেল হলেই হাজার হাজার চড়ুই পাখি দলবদ্ধ হয়ে গাছে এসে বসে।

স্থানীয়রা জানান, সারাদিন এ স্থানটি ফাঁকা থাকে। তবে বিকেল হলেই শুরু হয় পাখিদের আনাগোনা। ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি এসে বসতে থাকে পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন আশপাশের গাছপালাগুলোতে। সন্ধ্যার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত হাজার হাজার পাখি এসে জড়ো হয় এলাকাটিতে। পাখিদের কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এসময় এক অপূর্ব পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

তারা জানান, প্রজনন মৌসুমে চড়ুই পাখির উপস্থিতি কমে যায়। তখন মানুষের বাসাবাড়ির ফাঁক ফোঁকরে এরা বাসা বানায়। ডিম দিয়ে বাচ্চা ফোটায়। ওড়ার বয়স হলে বাচ্চাগুলো বাসা ছেড়ে মা পাখির দেখাদেখি গাছে এসে অবস্থান নেয়।

স্থানীয় মুদি দোকানি আবদুল্লাহ আল হাদী বাংলানিউজকে বলেন, আমার দোকানের সমানে কয়েকটি আম গাছ আছে। বিকেল হলেই চড়ুই পাখি এসে গাছে বসে। পাখিগুলো গাছেই রাত কাটায়। তবে সন্ধ্যার পর হলে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। বন্ধ থাকে তাদের কিচিরমিচির। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও তারা গাছের মধ্যে বসে রাত পার করে।

তিনি জানান, সকালে আলো ফোটার আগেই আবার কিচিরমিচির শুরু হয়। তখন পাখিগুলো দলবদ্ধভাবে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে।

কামাল হোসেন নামে পল্লী বিদ্যুতের একজন কর্মী বলেন, অফিসের ভেতরে থাকা ঝাউগাছ, কৃষ্ণচূড়া, আম, কাঁঠালগাছসহ সবগুলো গাছের ডালপালা চড়ুই পাখিদের সমায়িক আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। বিকেলের দিকে পাখিগুলো যখন আসে, তখন খুব সুন্দর দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

খবির হোসেন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, একসঙ্গে হাজার হাজার চড়ুই পাখি আগে দেখা গেলেও এখন সাধারণত দেখা মেলে না। তবে এ স্থানটিতে তারা নিরাপদে থাকতে পারছে। কেউ পাখিদের বিরক্ত করে না। তাই দীর্ঘদিন ধরে এসব পাখি এখানে অবস্থান নিয়ে রাত্রিযাপন করে।