ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আলহাজ্ব মহিবুর রহমান সওদাগর: আজমিরীগঞ্জের ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্বের প্রতীক ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী

সামাজিকতা সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে চা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১
  • ২৫১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘সুদীর্ঘ ১৮০ বছর ধরে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে চা শিল্প গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। দেশের সাধারণ মানুষের সামাজিকতা, সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে চা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। তিনি ৪ জুন ১৯৫৭ থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ পর্যন্ত চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে চা শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত চা শিল্পের পুনর্বাসনে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। এ প্রেক্ষাপটে ৪ জুন ‘জাতীয় চা দিবস’ পালনের উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।’

শুক্রবার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ ২০২১ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় চা দিবস-২০২১’ উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষে আমি চা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘একসময় চা ছিল আমাদের অন্যতম রফতানি পণ্য। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে চা রফতানি কমে গেলেও সরকার চায়ের উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধির জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। চা বাগানের শ্রমিক ও পোষ্যদের মৌলিক চাহিদা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য ১৫ হাজার স্বয়ংসম্পূর্ণ বাসস্থান নির্মাণ, ঘরে ঘরে সুপেয় পানি, শিক্ষা, গর্ভবতী মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে সম্প্রতি চা রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি আর বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করা, রফতানি বাজার সম্প্রসারণ, চা বাগানে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং পিছিয়েপড়া চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ চা শিল্পসংশ্লিষ্ট সকলে নিরলস প্রচেষ্টা চালাবে এ প্রত্যাশা করছি। আমি ‘জাতীয় চা দিবস-২০২১’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আলহাজ্ব মহিবুর রহমান সওদাগর: আজমিরীগঞ্জের ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্বের প্রতীক

সামাজিকতা সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে চা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত

আপডেট টাইম : ১১:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘সুদীর্ঘ ১৮০ বছর ধরে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে চা শিল্প গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। দেশের সাধারণ মানুষের সামাজিকতা, সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে চা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। তিনি ৪ জুন ১৯৫৭ থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ পর্যন্ত চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে চা শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত চা শিল্পের পুনর্বাসনে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। এ প্রেক্ষাপটে ৪ জুন ‘জাতীয় চা দিবস’ পালনের উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।’

শুক্রবার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ ২০২১ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় চা দিবস-২০২১’ উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষে আমি চা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘একসময় চা ছিল আমাদের অন্যতম রফতানি পণ্য। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির ফলে চা রফতানি কমে গেলেও সরকার চায়ের উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধির জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। চা বাগানের শ্রমিক ও পোষ্যদের মৌলিক চাহিদা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য ১৫ হাজার স্বয়ংসম্পূর্ণ বাসস্থান নির্মাণ, ঘরে ঘরে সুপেয় পানি, শিক্ষা, গর্ভবতী মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে সম্প্রতি চা রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে।’

রাষ্ট্রপতি আর বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করা, রফতানি বাজার সম্প্রসারণ, চা বাগানে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং পিছিয়েপড়া চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ চা শিল্পসংশ্লিষ্ট সকলে নিরলস প্রচেষ্টা চালাবে এ প্রত্যাশা করছি। আমি ‘জাতীয় চা দিবস-২০২১’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।