ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সিনহা হত্যা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৯৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, পুলিশের গুলিতে মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে যে কমিটি করা হয়েছে, সে কমিটি আমাদের কাছে রিপোর্ট দিয়েছে। আমরা এটা এখনো খুলে দেখিনি। আমরা এ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেব। আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ এর আগে কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কমিটিকে কিছু গাইডলাইন  দিয়েছি। হত্যার কারণ উদঘাটন করে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ আমরা বাস্তবায়ন করব।’

এর আগে আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তদন্ত কমিটির সদস্যরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আসার পর তাঁর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিটির প্রধান।

চার সদস্যের এ কমিটির অন্যরা হলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী।

এ সময় ৮০ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে ৫৮৬ পৃষ্ঠার সংযুক্তিও জমা দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রতিবেদনে ১৩টি সুপারিশ করেছে এ কমিটি।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, ‘মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নিহতের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৬৮ জনের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ করেছে কমিটি। এসব কথা ও বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করে কমিটির সব সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঘটনার ৩৫ দিনের মাথায় রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কমিটির তদন্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ ঘটনায় আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আইনি প্রক্রিয়ায় ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ হত্যার ঘটনার জন্য কারা দোষী, তা আদালত নির্ধারণ করবেন। দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ারও আদালতের। আমাদের কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রয়োজন মনে করলে বিচারকাজে ব্যবহার করার এখতিয়ার আছে আদালতের। তদন্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ লেখা হয়ে গেছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্তে সংবলিত প্রতিবেদনটির ৮০ পৃষ্ঠা হয়েছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর যাতে না ঘটে, সে জন্য করণীয় সম্পর্কে ১৩টি সুপারিশ করা হয়েছে।’

এর আগে গত ২ আগস্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি কার্যক্রম শুরু করে গত ৩ আগস্ট। সাত কর্মদিবস, অর্থাৎ ১০ আগস্ট কমিটিকে প্রতিবেদন জমাদানের সময় বেঁধে দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর প্রথমবার কমিটির সময় বাড়ানো হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। পরে কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবারও সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এ সময়ের মধ্যে ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করতে না পারায় কমিটির মেয়াদ সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ সেপ্টেম্বর কমিটি কক্সবাজার জেলা কারাগার ফটকে প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করে। এরপরই এ কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি সমাপ্ত করে। এবং নির্ধারিত সময়ে তা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে। আর রামু থানায় একটি মামলা করে।

পরে ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে নয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এদের মধ্যে আসামি মোস্তফা ও টুটুল পলাতক।

এর মধ্যে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া পুলিশের চার সদস্য এবং এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তিন সাক্ষীকে গত শুক্রবার থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। যাঁদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

সিনহা হত্যা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা

আপডেট টাইম : ০২:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, পুলিশের গুলিতে মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে যে কমিটি করা হয়েছে, সে কমিটি আমাদের কাছে রিপোর্ট দিয়েছে। আমরা এটা এখনো খুলে দেখিনি। আমরা এ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেব। আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ এর আগে কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কমিটিকে কিছু গাইডলাইন  দিয়েছি। হত্যার কারণ উদঘাটন করে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ আমরা বাস্তবায়ন করব।’

এর আগে আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তদন্ত কমিটির সদস্যরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আসার পর তাঁর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিটির প্রধান।

চার সদস্যের এ কমিটির অন্যরা হলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী।

এ সময় ৮০ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে ৫৮৬ পৃষ্ঠার সংযুক্তিও জমা দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রতিবেদনে ১৩টি সুপারিশ করেছে এ কমিটি।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, ‘মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নিহতের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৬৮ জনের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ করেছে কমিটি। এসব কথা ও বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করে কমিটির সব সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঘটনার ৩৫ দিনের মাথায় রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কমিটির তদন্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ ঘটনায় আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আইনি প্রক্রিয়ায় ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ হত্যার ঘটনার জন্য কারা দোষী, তা আদালত নির্ধারণ করবেন। দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ারও আদালতের। আমাদের কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রয়োজন মনে করলে বিচারকাজে ব্যবহার করার এখতিয়ার আছে আদালতের। তদন্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ লেখা হয়ে গেছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্তে সংবলিত প্রতিবেদনটির ৮০ পৃষ্ঠা হয়েছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর যাতে না ঘটে, সে জন্য করণীয় সম্পর্কে ১৩টি সুপারিশ করা হয়েছে।’

এর আগে গত ২ আগস্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি কার্যক্রম শুরু করে গত ৩ আগস্ট। সাত কর্মদিবস, অর্থাৎ ১০ আগস্ট কমিটিকে প্রতিবেদন জমাদানের সময় বেঁধে দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর প্রথমবার কমিটির সময় বাড়ানো হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। পরে কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবারও সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এ সময়ের মধ্যে ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করতে না পারায় কমিটির মেয়াদ সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ সেপ্টেম্বর কমিটি কক্সবাজার জেলা কারাগার ফটকে প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করে। এরপরই এ কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি সমাপ্ত করে। এবং নির্ধারিত সময়ে তা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে। আর রামু থানায় একটি মামলা করে।

পরে ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে নয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এদের মধ্যে আসামি মোস্তফা ও টুটুল পলাতক।

এর মধ্যে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া পুলিশের চার সদস্য এবং এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তিন সাক্ষীকে গত শুক্রবার থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। যাঁদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।