ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

লকডাউনের কারণেই গল্পটি শেষ হলো কুসুমের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২০
  • ২৭৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গল্পের নাম ‘ছায়াকাল’। মাথায় খসড়া নিয়ে লিখতেও শুরু করেছিলেন, কিন্তু অর্ধেক লিখেই থমকে যায় কলম! লেখা হয় না। অর্ধলেখা গল্প নিয়ে পড়েছিলেন প্রায় দেড় বছরের মতো। কোনোভাবেই গল্পটির কূলকিনারা করতে পারছিলেন না! অবশেষে এই লকডাউনে শেষ হলো কুসুমের গল্প লেখা!

বলছি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কাপ্রাপ্ত অভিনেত্রী কুসুম শিকদারের কথা। অভিনেত্রী পরিচয়ে সবার কাছে সমাদৃত হলেও তিনি সংগীত ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত বহু আগে থেকেই। তার প্রথম বই ‘নীল ক্যাফের কবি’ সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ও লাভ করে ২০১৫ সালে।

লকডাউনের পুরো সময়টাতে নিজের সাহিত্য সৃষ্টিতে মগ্ন ছিলেন ‘গহীনে শব্দ’ ছবির এই অভিনেত্রী। জানালেন, যেহেতু অভিনয়ের তাড়া ছিলো না, তাই লেখালেখিতে একটু মনযোগী ছিলাম। বিশেষ করে বহুদিন আগে থেকে শুরু করা আমার অসমাপ্ত একটি বড় গল্পের সম্পূর্ণতা ছিলো সময়ের দাবি। প্রায় দেড় বছর ধরে গল্পটি শুরু করি, কিন্তু কোনোভাবেই শেষ করতে পারছিলাম না। অবশেষে এই লকডাউনে বড় গল্পটি শেষ করি।

‘শঙ্খচিল’-এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেত্রী বলেন, ঈদ সংখ্যার জন্য বাংলা ট্রিবিউন লেখা চেয়েছিলো, কিন্তু আমি গল্পটি শেষ করে বাংলা ট্রিবিউনকে পাঠাই মাত্র সাত দিন আগে! কিন্তু ততোদিনে তাদের সংগ্রহে প্রচুর লেখা। ভেবেছিলাম হয়তো এতো এতো লেখার ভিড়ে আমার গল্পটি নাও আসতে পারে। তারাও আমাকে জানিয়েছিলো, ‘পড়ে দেখি!’ কিন্তু বাংলা ট্রিবিউনের ঈদ সংখ্যা দেখে রীতিমত বিস্মিত হয়েছি নিজের গল্পটি দেখে।

অসমাপ্ত গল্পটি সম্পূর্ণ ও প্রকাশ করতে পারার উচ্ছ্বাসে ঈদে ‘ডাবল খুশি’ কুসুম! এরইমধ্যে নিজের ধানমন্ডির বাড়ি থেকে নিকুঞ্জের বাড়িতে এসেছেন প্রায় পাঁচ মাস পর। সেখানে তার বাবা-মার বাস। লকডাউনের কারণে তাদের সাথেও দীর্ঘদিন পর সাক্ষাৎ। তাই নিজ হাতে ঈদের রাতে রান্না করে খাইয়েছেন তিনি। তবে আগের মতো ঈদের টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মন নেই তার। কুসুমের দাবি, করোনার কারণে সমস্ত নাটক-টেলিছবির গল্পের কনসেপ্ট এক জায়গায় গিয়ে ঠেকেছে, তাই এবার আর সাহস করছি না।

লেখালেখি নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কুসুম বলেন, এরআগে আরো একটি বড় গল্প ডেইলিস্টারের ঈদ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিলো। এবার ঈদে ছাপা হলো বাংলা ট্রিবিউনের ঈদ সংখ্যায়। সামনে আরো একটি গল্প লেখার ইচ্ছে আছে। যদি সময় মতো শেষ করতে পারি, তাহলে বইমেলাকে কেন্দ্র করে হয়তো গল্পের একটা বই প্রকাশের উদ্যোগ নেবো।

এদিকে লকডাউনের শুরুতেই শোবিজ অঙ্গনের অস্বচ্ছল মানুষদের পাশে ত্রাণ ও অর্থ নিয়ে পাশে ছিলেন ‘লাল টিপ’ খ্যাত অভিনেত্রী কুসুম। পর্যাপ্ত মাস্ক ও পিপিই নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন করোনায় সম্মুখযোদ্ধাদেরও।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

লকডাউনের কারণেই গল্পটি শেষ হলো কুসুমের

আপডেট টাইম : ১১:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গল্পের নাম ‘ছায়াকাল’। মাথায় খসড়া নিয়ে লিখতেও শুরু করেছিলেন, কিন্তু অর্ধেক লিখেই থমকে যায় কলম! লেখা হয় না। অর্ধলেখা গল্প নিয়ে পড়েছিলেন প্রায় দেড় বছরের মতো। কোনোভাবেই গল্পটির কূলকিনারা করতে পারছিলেন না! অবশেষে এই লকডাউনে শেষ হলো কুসুমের গল্প লেখা!

বলছি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কাপ্রাপ্ত অভিনেত্রী কুসুম শিকদারের কথা। অভিনেত্রী পরিচয়ে সবার কাছে সমাদৃত হলেও তিনি সংগীত ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত বহু আগে থেকেই। তার প্রথম বই ‘নীল ক্যাফের কবি’ সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ও লাভ করে ২০১৫ সালে।

লকডাউনের পুরো সময়টাতে নিজের সাহিত্য সৃষ্টিতে মগ্ন ছিলেন ‘গহীনে শব্দ’ ছবির এই অভিনেত্রী। জানালেন, যেহেতু অভিনয়ের তাড়া ছিলো না, তাই লেখালেখিতে একটু মনযোগী ছিলাম। বিশেষ করে বহুদিন আগে থেকে শুরু করা আমার অসমাপ্ত একটি বড় গল্পের সম্পূর্ণতা ছিলো সময়ের দাবি। প্রায় দেড় বছর ধরে গল্পটি শুরু করি, কিন্তু কোনোভাবেই শেষ করতে পারছিলাম না। অবশেষে এই লকডাউনে বড় গল্পটি শেষ করি।

‘শঙ্খচিল’-এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেত্রী বলেন, ঈদ সংখ্যার জন্য বাংলা ট্রিবিউন লেখা চেয়েছিলো, কিন্তু আমি গল্পটি শেষ করে বাংলা ট্রিবিউনকে পাঠাই মাত্র সাত দিন আগে! কিন্তু ততোদিনে তাদের সংগ্রহে প্রচুর লেখা। ভেবেছিলাম হয়তো এতো এতো লেখার ভিড়ে আমার গল্পটি নাও আসতে পারে। তারাও আমাকে জানিয়েছিলো, ‘পড়ে দেখি!’ কিন্তু বাংলা ট্রিবিউনের ঈদ সংখ্যা দেখে রীতিমত বিস্মিত হয়েছি নিজের গল্পটি দেখে।

অসমাপ্ত গল্পটি সম্পূর্ণ ও প্রকাশ করতে পারার উচ্ছ্বাসে ঈদে ‘ডাবল খুশি’ কুসুম! এরইমধ্যে নিজের ধানমন্ডির বাড়ি থেকে নিকুঞ্জের বাড়িতে এসেছেন প্রায় পাঁচ মাস পর। সেখানে তার বাবা-মার বাস। লকডাউনের কারণে তাদের সাথেও দীর্ঘদিন পর সাক্ষাৎ। তাই নিজ হাতে ঈদের রাতে রান্না করে খাইয়েছেন তিনি। তবে আগের মতো ঈদের টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মন নেই তার। কুসুমের দাবি, করোনার কারণে সমস্ত নাটক-টেলিছবির গল্পের কনসেপ্ট এক জায়গায় গিয়ে ঠেকেছে, তাই এবার আর সাহস করছি না।

লেখালেখি নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কুসুম বলেন, এরআগে আরো একটি বড় গল্প ডেইলিস্টারের ঈদ সংখ্যায় ছাপা হয়েছিলো। এবার ঈদে ছাপা হলো বাংলা ট্রিবিউনের ঈদ সংখ্যায়। সামনে আরো একটি গল্প লেখার ইচ্ছে আছে। যদি সময় মতো শেষ করতে পারি, তাহলে বইমেলাকে কেন্দ্র করে হয়তো গল্পের একটা বই প্রকাশের উদ্যোগ নেবো।

এদিকে লকডাউনের শুরুতেই শোবিজ অঙ্গনের অস্বচ্ছল মানুষদের পাশে ত্রাণ ও অর্থ নিয়ে পাশে ছিলেন ‘লাল টিপ’ খ্যাত অভিনেত্রী কুসুম। পর্যাপ্ত মাস্ক ও পিপিই নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন করোনায় সম্মুখযোদ্ধাদেরও।