ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

সরকারি খাস জমিতে নারী কৃষকদের অধিকার নিশ্চিতের দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৩৯৮ বার

সরকারি খাস জমিতে নারী কৃষকদের অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজ ও নারী কৃষক ফোরাম।

সংগঠনের নেতারা বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে নারী কৃষকদের সম্পত্তিতে অধিকার দিতে হবে। একই সাথে তাদের রাষ্ট্রীয় ভর্তূকির আওতায় আনা, পারিবারিক কৃষি কার্ডপ্রবর্তন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন লোকজের নির্বাহী পরিচালক দেব প্রসাদ সরকার ও নারী কৃষক ফোরামের সভাপতি আশালতা হালদার।

লিখিত বক্তব্যে বক্তরা বলেন, খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা (১৯৯৮)’তে অগ্রাধিকারের তালিকায় ‘সক্ষম পুত্রসহ বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা পরিবার’ খাস জমি পাওয়ার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ নাবালক পুত্র বা কন্যা সন্তানের মা হিসেবে কোন নারী ওই তালিকায় স্থান পাবেন না। অথচ নারী উন্নয়ন নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে দেশের অতি দরিদ্রদের দুই তৃতীয়াংশ নারীর অধিকাংশই বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা অথবা তালাকপ্রাপ্ত।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ বণ্টনে এরকম বৈষম্যমূলক নীতি কার্যতঃ অতি দরিদ্র অধিকাংশ নারীর খাস জমি পাওয়ার অধিকারকে ব্যাহত করবে। সক্ষম পুরুষ সন্তান থাকা না থাকার শর্তটি নিঃসন্দেহে পশ্চাৎপদ পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় বহন করে। এই ধরনের মানসিকতা পরিহার করতে না পারলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে নারী কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য বাজারের নিদিষ্ট স্থান বরাদ্দেরও দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন নারী কৃষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাজনীন আক্তার নীপা ও লোকজের সমন্বয়কারী পলাশ দাশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

সরকারি খাস জমিতে নারী কৃষকদের অধিকার নিশ্চিতের দাবি

আপডেট টাইম : ১২:২৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫

সরকারি খাস জমিতে নারী কৃষকদের অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজ ও নারী কৃষক ফোরাম।

সংগঠনের নেতারা বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে নারী কৃষকদের সম্পত্তিতে অধিকার দিতে হবে। একই সাথে তাদের রাষ্ট্রীয় ভর্তূকির আওতায় আনা, পারিবারিক কৃষি কার্ডপ্রবর্তন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন লোকজের নির্বাহী পরিচালক দেব প্রসাদ সরকার ও নারী কৃষক ফোরামের সভাপতি আশালতা হালদার।

লিখিত বক্তব্যে বক্তরা বলেন, খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা (১৯৯৮)’তে অগ্রাধিকারের তালিকায় ‘সক্ষম পুত্রসহ বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা পরিবার’ খাস জমি পাওয়ার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ নাবালক পুত্র বা কন্যা সন্তানের মা হিসেবে কোন নারী ওই তালিকায় স্থান পাবেন না। অথচ নারী উন্নয়ন নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে দেশের অতি দরিদ্রদের দুই তৃতীয়াংশ নারীর অধিকাংশই বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা অথবা তালাকপ্রাপ্ত।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ বণ্টনে এরকম বৈষম্যমূলক নীতি কার্যতঃ অতি দরিদ্র অধিকাংশ নারীর খাস জমি পাওয়ার অধিকারকে ব্যাহত করবে। সক্ষম পুরুষ সন্তান থাকা না থাকার শর্তটি নিঃসন্দেহে পশ্চাৎপদ পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় বহন করে। এই ধরনের মানসিকতা পরিহার করতে না পারলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে নারী কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য বাজারের নিদিষ্ট স্থান বরাদ্দেরও দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন নারী কৃষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাজনীন আক্তার নীপা ও লোকজের সমন্বয়কারী পলাশ দাশ।