হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফেরদৌস আহমেদ ও সোহানা সাবা দুজনই জনপ্রিয় তারকা। ফেরদৌস দীর্ঘদিন সিনেমায় অভিনয় করে ভালো একটা অবস্থান তৈরি করেছেন দর্শকের হৃদয়ে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন পাঁচবার। সাবা টিভি নাটক, চলচ্চিত্র ও নাচের মঞ্চে সদা উজ্জ্বল। এ দুই তারকার বন্ধুত্বও খুব গাঢ়। এই সম্পর্কের শুরু সোহানা সাবার প্রথম সিনেমা ‘আয়না’ থেকে। চিত্রনায়িকা কবরী পরিচালিত সেই সিনেমার নায়ক-নায়িকা ছিলেন ফেরদৌস ও সাবা। এরপর তারা জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন মুরাদ পারভেজের ‘বৃহন্নলা’ সিনেমায়। মাঝে বেশ বিরতি গেলেও দুই বন্ধু আবার ফিরছেন রুপালি পর্দায়। ভক্তদের জন্য দ্বিগুণ খুশির খবর হলো একটি নয়, দুটি সিনেমায় তারা অভিনয় করেছেন সম্প্রতি। একটি সিনেমার নাম ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’। শিশুতোষ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করছেন প্রখ্যাত অভিনেতা ও নির্দেশক আফজাল হোসেন। এ সিনেমা নিয়ে সাবা বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগের চেয়ে অনেক বেছে ভালোমানের কাজগুলো করব। এটি সে ধরনের একটি সিনেমা। এ সিনেমায় রাজি হওয়ার কয়েকটি কারণ আছে। একটি হলো আফজাল হোসেনের মতো রুচিশীল মানুষের আশপাশে থাকতে চেয়েছি। আরেকটি কারণ হলো বন্ধু ফেরদৌসের সঙ্গে আবার অভিনয় করার লোভ। আমি জানি, সে আর আমি যে সেটে থাকব, তা খুব আনন্দের হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নাটকে অভিনয়ের জন্য নিয়মিত শ্যুটিংবাড়িতে কাজ করি। কিন্তু একটা চেনা শ্যুটিংবাড়িকে কীভাবে সম্পূর্ণ নতুন করে সিনেমার গল্প উপযোগী করা যায়, তা হয়তো আফজাল ভাইয়ের চেয়ে ভালো কেউ পারেন না। সিনেমাটি দেখলেই দর্শক বুঝবেন, কেন এই সিনেমাটি নিয়ে আমি এত আশাবাদী। এ বছরই দর্শক প্রেক্ষাগৃহে কাজটি দেখতে পাবেন।’
ফেরদৌস আর সাবা অভিনীত আরেকটি নতুন সিনেমা হলো ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’। এখানে তারা দুজন একটি থিয়েটার দলের কর্মী। এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ভালোবাসা থেকেই দুজনে করেছেন। ফেরদৌস বলেন, ‘একটি থিয়েটার দলের গল্প এটি। আমি সেই থিয়েটার দলের প্রধান। যখন দেশ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ভুলতে বসেছে, তেমন সময় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মঞ্চনাটক করার মতো দুঃসাহস দেখায় সেই থিয়েটার দল। আশা করছি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকের কাজটি দর্শকের মন জয় করবে।’
সহশিল্পী হিসেবে সোহানা সাবাকে নিয়ে ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা খুব ভালো বন্ধু। যতক্ষণ একসঙ্গে থাকি, হাসি-আনন্দে সময় কাটাই। কাজ করার সময় ক্লান্ত লাগে না। সাবা খুব পরিণত অভিনেত্রী। তাই কাজের মানও ভালো হয়।’
এদিকে, ভারতীয় নির্মাতা শ্যাম বেনেগালের বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে তাজউদ্দীন আহমদের চরিত্রে ফেরদৌসের অভিনয়ের ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে। যদিও এখনই এ নিয়ে তিনি বিস্তারিত কথা বলতে চান না। শুধু এটুকু বললেন, ‘আমি যদি চরিত্রটি করতে পারি, তা হবে আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রাথমিক সিলেকশনে আমাকে কর্র্তৃপক্ষ তাজউদ্দীন আহমদের চরিত্রটির জন্য যোগ্য মনে করেছেন। এখন চূড়ান্ত সিলেকশনে আমি যদি থাকি, তাহলে মনপ্রাণ ঢেলে কাজটি করব।’
Reporter Name 
























