ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২০
  • ২৫৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০১২ সালের ২৮শে ডিসেম্বর ভালোবেসে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন চিত্রনায়িকা শাবনূর ও অনীক মাহমুদ। বিয়ের পরের বছরই ২৯শে ডিসেম্বর এই দম্পতির ঘর আলোকিত করে আসে পুত্র সন্তান আইজান। তবে চলতি বছরের শুরুতেই ভেঙ্গে গেল সেই সংসার। শোবিজে বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জন ছিল, শাবনূর-অনীকের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।  সে সময় শাবনূর অস্ট্রেলিয়া থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও অনীক বলেছিলেন, এমন কিছু হয়নি। তারা একসঙ্গেই আছেন, ভালো আছেন। তবে এরই মধ্যে ঘটলো ভিন্ন ঘটনা। স্বামী অনীক মাহমুদের সঙ্গে আর সংসার করতে চান না শাবনূর। তাই ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছেন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই অভিনয়শিল্পী।

তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুত করেছেন এডভোকেট কাওসার আহমেদ। গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় এসে এই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান শাবনূর। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আছেন। শাবনূর সিডনি থেকে জানান, দু’জনের মধ্যে বনিবনা না হওয়ার কারণেই বিচ্ছেদ চেয়েছেন তিনি। সন্তান জন্মের পর থেকেই তাদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়। অনেকগুলো বিষয়ে মতের অমিল হচ্ছিল। শাবনূর বলেন, মূলত বনিবনা না হওয়ার কারণেই বিচ্ছেদ চেয়েছি। সন্তান জন্মের পর অনীক পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতো না। এসব অমিল হওয়ার কারণে আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। প্রথমে ভেবেছিলাম একটা সময় উপলব্ধিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু তা আর হলো না। এরপর অনীকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়। অনেক চেষ্টার পরও বনিবনা হচ্ছিল না। তারপর ভাবলাম, এভাবে থাকার চেয়ে আলাদা থাকাটাই ভালো। আইনজীবীর মাধ্যমে গত ২৬শে জানুয়ারি তালাক নোটিশ অনীকের বাসায় পাঠানো হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অনীকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসার ঠিকানায় সেই ডিভোর্সের নোটিশ পাঠানো হয়। উত্তরার নোটিশটি ফেরত এলেও গাজীপুরের ঠিকানায় পাঠানো নোটিশ এখনো ফেরত আসেনি। নোটিশটি অনীক গ্রহণ না করলে এর মধ্যেই ফেরত আসতো। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে গতকাল সকালে অনীক মাহমুদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কোনো ধরনের নোটিশ হাতে পাইনি। এরপর তিনি ফোন কলটি কেটে দেন। পরে অনেকবার চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেননি অনীক। শাবনূরের পারিবারিক সূত্রেও নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত ২৬শে জানুয়ারি স্বামী অনীককে তালাক দিয়েছেন শাবনূর। নিজের সই করা নোটিশটি আইনজীবীর মাধ্যমে অনীক মাহমুদের কাছে পাঠান তিনি। জানা গেছে, এই তালাক নোটিশে সাক্ষী রয়েছেন নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামের দু’জন ব্যক্তি। দুই পরিবার মিলে কয়েক দফা আলোচনা করে শাবনূর-অনীকের সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু দু’জনের মতের অমিল এতটাই চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে যে তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে আইনগতভাবে তাদের এই তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদ

আপডেট টাইম : ০৯:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০১২ সালের ২৮শে ডিসেম্বর ভালোবেসে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন চিত্রনায়িকা শাবনূর ও অনীক মাহমুদ। বিয়ের পরের বছরই ২৯শে ডিসেম্বর এই দম্পতির ঘর আলোকিত করে আসে পুত্র সন্তান আইজান। তবে চলতি বছরের শুরুতেই ভেঙ্গে গেল সেই সংসার। শোবিজে বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জন ছিল, শাবনূর-অনীকের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।  সে সময় শাবনূর অস্ট্রেলিয়া থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও অনীক বলেছিলেন, এমন কিছু হয়নি। তারা একসঙ্গেই আছেন, ভালো আছেন। তবে এরই মধ্যে ঘটলো ভিন্ন ঘটনা। স্বামী অনীক মাহমুদের সঙ্গে আর সংসার করতে চান না শাবনূর। তাই ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছেন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই অভিনয়শিল্পী।

তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুত করেছেন এডভোকেট কাওসার আহমেদ। গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় এসে এই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান শাবনূর। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আছেন। শাবনূর সিডনি থেকে জানান, দু’জনের মধ্যে বনিবনা না হওয়ার কারণেই বিচ্ছেদ চেয়েছেন তিনি। সন্তান জন্মের পর থেকেই তাদের মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি হয়। অনেকগুলো বিষয়ে মতের অমিল হচ্ছিল। শাবনূর বলেন, মূলত বনিবনা না হওয়ার কারণেই বিচ্ছেদ চেয়েছি। সন্তান জন্মের পর অনীক পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতো না। এসব অমিল হওয়ার কারণে আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। প্রথমে ভেবেছিলাম একটা সময় উপলব্ধিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু তা আর হলো না। এরপর অনীকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়। অনেক চেষ্টার পরও বনিবনা হচ্ছিল না। তারপর ভাবলাম, এভাবে থাকার চেয়ে আলাদা থাকাটাই ভালো। আইনজীবীর মাধ্যমে গত ২৬শে জানুয়ারি তালাক নোটিশ অনীকের বাসায় পাঠানো হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অনীকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসার ঠিকানায় সেই ডিভোর্সের নোটিশ পাঠানো হয়। উত্তরার নোটিশটি ফেরত এলেও গাজীপুরের ঠিকানায় পাঠানো নোটিশ এখনো ফেরত আসেনি। নোটিশটি অনীক গ্রহণ না করলে এর মধ্যেই ফেরত আসতো। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে গতকাল সকালে অনীক মাহমুদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কোনো ধরনের নোটিশ হাতে পাইনি। এরপর তিনি ফোন কলটি কেটে দেন। পরে অনেকবার চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেননি অনীক। শাবনূরের পারিবারিক সূত্রেও নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত ২৬শে জানুয়ারি স্বামী অনীককে তালাক দিয়েছেন শাবনূর। নিজের সই করা নোটিশটি আইনজীবীর মাধ্যমে অনীক মাহমুদের কাছে পাঠান তিনি। জানা গেছে, এই তালাক নোটিশে সাক্ষী রয়েছেন নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামের দু’জন ব্যক্তি। দুই পরিবার মিলে কয়েক দফা আলোচনা করে শাবনূর-অনীকের সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু দু’জনের মতের অমিল এতটাই চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে যে তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে আইনগতভাবে তাদের এই তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর।