ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

বাঘ-ছাগলের ভালোবাসা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৫
  • ৪৬৩ বার

বাঘের খাঁচায় ছাগলকে পাঠানোর অর্থ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছাগলটি নির্ঘাৎ বাঘের খাবারে পরিণত হবে। কিন্তু তিমুর নামের একটি অদ্ভূত ছাগলকে বাঘের খাঁচায় পাঠানোর পরে ছাগলটি বাঘের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং তারা বর্তমানে একই খাঁচায় অবস্থান করছে। এই অভূতপূর্ব ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার প্রিমস্কি সাফারি পার্কে। আলোচিত ছাগল তিমুর দেশীয় রাশিয়ান জাতের এবং আমুর নামের বাঘটির জন্মস্থান সাইবেরিয়া। সাফারি পার্কের পরিচালক দিমিত্রি মেজেনসেভ বলেন, তিমুরকে পাঠানো হয়েছিল ক্ষুধার্ত আমুর বাঘের খাবার হিসেবে। এক বছরের বেশি বয়সী আমুর সপ্তাহে দু’টি করে ছাগল খায়। অতীতে অনেক ছোট-বড় ছাগল অনায়াসে খেয়ে ফেলেছে বাঘটি। কিন্তু এ সপ্তাহে তিমুরকে পাঠানোর পরে অদ্ভূত ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, ‘ছাগলটি অত্যন্ত সাহসী প্রকৃতির। যখনই বাঘটি তাকে ধরতে উদ্যত হতো, তখনই সে তার শিং বাগিয়ে বাঘটির দিকে তেড়ে যেত। সাবধানী বাঘটি এতে হতভম্ব হয়ে যায় এবং সিদ্ধান্ত নেয় ছাগলটিকে আক্রমণ না করার।’ পার্ক কর্তৃপক্ষের ধারণকৃত কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তিমুর নামের ছাগলটি বড় আকৃতির বিড়ালকে ধাওয়া করছে। আরো অবাক করার মতো বিষয় হল, ছাগলটি বাঘের ঘুমানোর জায়গা দখল করে নিজে সেখানে ঘুমায় এবং বাঘটি স্বেচ্ছায় তাকে জায়গা ছেড়ে দিয়ে পাশের আরেকটি জায়গায় ঘুমায়। তাদের মধ্যে প্রাথমিক রেষারেষি খুব দ্রুতই বন্ধুত্বে রূপান্তরিত হয়েছে বলে পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বর্তমানে তারা পরস্পরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মেজেনসেভ বলেন, ‘ তিমুর সারাক্ষণ আমুরকে অনুসরণ করে এবং বাঘটি এতে মোটেও বিরক্ত হয় না। যখন আমুরকে আশেপাশে দেখা না যায়, তখন তিমুরকে উদ্বিগ্ন দেখায় এবং সে আমুরকে খুঁজতে থাকে।’ তিমুর নামটির উৎস জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানায়, সোভিয়েত যুগের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ বইয়ের সাহসী বালক চরিত্রের নাম ছিল তিমুর। সেখান থেকেই নামটি ধার করা হয়েছে। পার্ক কর্তৃপক্ষের মতে, ‘নামটির যথার্থতা ইতিমধ্যেই এই অদ্ভূত ছাগলটি প্রমাণ করেছে।’ সূত্র: ডেইলি মেইল

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

বাঘ-ছাগলের ভালোবাসা

আপডেট টাইম : ১১:০৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৫

বাঘের খাঁচায় ছাগলকে পাঠানোর অর্থ কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছাগলটি নির্ঘাৎ বাঘের খাবারে পরিণত হবে। কিন্তু তিমুর নামের একটি অদ্ভূত ছাগলকে বাঘের খাঁচায় পাঠানোর পরে ছাগলটি বাঘের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং তারা বর্তমানে একই খাঁচায় অবস্থান করছে। এই অভূতপূর্ব ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার প্রিমস্কি সাফারি পার্কে। আলোচিত ছাগল তিমুর দেশীয় রাশিয়ান জাতের এবং আমুর নামের বাঘটির জন্মস্থান সাইবেরিয়া। সাফারি পার্কের পরিচালক দিমিত্রি মেজেনসেভ বলেন, তিমুরকে পাঠানো হয়েছিল ক্ষুধার্ত আমুর বাঘের খাবার হিসেবে। এক বছরের বেশি বয়সী আমুর সপ্তাহে দু’টি করে ছাগল খায়। অতীতে অনেক ছোট-বড় ছাগল অনায়াসে খেয়ে ফেলেছে বাঘটি। কিন্তু এ সপ্তাহে তিমুরকে পাঠানোর পরে অদ্ভূত ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, ‘ছাগলটি অত্যন্ত সাহসী প্রকৃতির। যখনই বাঘটি তাকে ধরতে উদ্যত হতো, তখনই সে তার শিং বাগিয়ে বাঘটির দিকে তেড়ে যেত। সাবধানী বাঘটি এতে হতভম্ব হয়ে যায় এবং সিদ্ধান্ত নেয় ছাগলটিকে আক্রমণ না করার।’ পার্ক কর্তৃপক্ষের ধারণকৃত কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তিমুর নামের ছাগলটি বড় আকৃতির বিড়ালকে ধাওয়া করছে। আরো অবাক করার মতো বিষয় হল, ছাগলটি বাঘের ঘুমানোর জায়গা দখল করে নিজে সেখানে ঘুমায় এবং বাঘটি স্বেচ্ছায় তাকে জায়গা ছেড়ে দিয়ে পাশের আরেকটি জায়গায় ঘুমায়। তাদের মধ্যে প্রাথমিক রেষারেষি খুব দ্রুতই বন্ধুত্বে রূপান্তরিত হয়েছে বলে পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বর্তমানে তারা পরস্পরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মেজেনসেভ বলেন, ‘ তিমুর সারাক্ষণ আমুরকে অনুসরণ করে এবং বাঘটি এতে মোটেও বিরক্ত হয় না। যখন আমুরকে আশেপাশে দেখা না যায়, তখন তিমুরকে উদ্বিগ্ন দেখায় এবং সে আমুরকে খুঁজতে থাকে।’ তিমুর নামটির উৎস জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানায়, সোভিয়েত যুগের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ বইয়ের সাহসী বালক চরিত্রের নাম ছিল তিমুর। সেখান থেকেই নামটি ধার করা হয়েছে। পার্ক কর্তৃপক্ষের মতে, ‘নামটির যথার্থতা ইতিমধ্যেই এই অদ্ভূত ছাগলটি প্রমাণ করেছে।’ সূত্র: ডেইলি মেইল