ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস

বড় সিদ্ধান্তটির কথা জানাতে চেয়েছিলেন বাবা : সাকা পুত্র

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০১৫
  • ৫৮১ বার

যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, কাল (বৃহস্পতিবার) বাবার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। আপনারা যে বিষয়টি (সাংবাদিকরা) জানতে চাচ্ছেন- ‘মার্সি পিটিশন’ করব কিনা। এ বিষয়ে বাবা আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের দেখা করতে দেয়া হলো না। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দুই ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও ফাইয়াজ কাদের চৌধুরী এবং দুই আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুজ্জাতুল ইসলাম খান আল ফেসানী ও অ্যাডভোকেট আকবর ইউসুফসহ পরিবারের সাত সদস্য কারাগারের আসেন। কারাগারের ভেতরে অনুসন্ধান রুমে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বের হয়ে যান তারা। পরে ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, বাবা আজ বড় একটি সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন, সেজন্য তিনি চেয়েছিলেন তার আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। গতকাল বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার কথা আমাদের বলেন তিনি। আমরা বিষয়টি আইনজীবীদের জানাই। আইনজীবীরা দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাবার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতির জন্য আবেদনের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের সেই সুযোগ দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, বাবা চেয়েছিলেন বড় সিদ্ধান্তটা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন। কিন্তু আমরা দেখা করার সুযোগ পেলাম না। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী, ছেলেমেয়ে ও ভাই-বোনসহ ১৫ জন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আসেন। সাক্ষাৎ শেষে বেলা দেড়টার দিকে তড়িঘড়ি করে তারা বের হয়ে যান। গণমাধ্যমের সঙ্গে তারা কোনো কথা বলেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন”

বড় সিদ্ধান্তটির কথা জানাতে চেয়েছিলেন বাবা : সাকা পুত্র

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০১৫

যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, কাল (বৃহস্পতিবার) বাবার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। আপনারা যে বিষয়টি (সাংবাদিকরা) জানতে চাচ্ছেন- ‘মার্সি পিটিশন’ করব কিনা। এ বিষয়ে বাবা আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের দেখা করতে দেয়া হলো না। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দুই ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও ফাইয়াজ কাদের চৌধুরী এবং দুই আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুজ্জাতুল ইসলাম খান আল ফেসানী ও অ্যাডভোকেট আকবর ইউসুফসহ পরিবারের সাত সদস্য কারাগারের আসেন। কারাগারের ভেতরে অনুসন্ধান রুমে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বের হয়ে যান তারা। পরে ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, বাবা আজ বড় একটি সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন, সেজন্য তিনি চেয়েছিলেন তার আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। গতকাল বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার কথা আমাদের বলেন তিনি। আমরা বিষয়টি আইনজীবীদের জানাই। আইনজীবীরা দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাবার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতির জন্য আবেদনের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের সেই সুযোগ দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, বাবা চেয়েছিলেন বড় সিদ্ধান্তটা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন। কিন্তু আমরা দেখা করার সুযোগ পেলাম না। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী, ছেলেমেয়ে ও ভাই-বোনসহ ১৫ জন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আসেন। সাক্ষাৎ শেষে বেলা দেড়টার দিকে তড়িঘড়ি করে তারা বের হয়ে যান। গণমাধ্যমের সঙ্গে তারা কোনো কথা বলেননি।