ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

কিবরিয়া হত্যা মামলা : আবারো পেছালো সাক্ষ্যগ্রহণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৫
  • ৮১৭ বার

হরতালের কারণে সব আসামি ও সাক্ষী আদালতে অনুপস্থিত থাকায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারো পিছিয়েছে। আসামি ও সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া নিয়ে এ পর্যন্ত ছয় দফা পেছালো এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ।

বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জাগো নিউজকে জানান, সাক্ষী ও আসামি হরতালের কারণে না আসায় আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য রেখেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সাক্ষ্যগ্রহণের দশম দিনে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মকবুল আহসানের আদালতে তিন সাক্ষীর সাক্ষগ্রহণের কথা থাকলেও হরতালের কারণে মামলায় গ্রেফতার ১৪ আসামির কাউকে আদালতে হাজির না করায় সাক্ষগ্রহণ হয়নি। আসেননি সাক্ষীরাও।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার বাদী হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ খানের সাক্ষগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। এ পর্যন্ত মামলায় আট জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। মামলায় মোট ১৭১ জনের সাক্ষ্য নেয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। ওই হামলায় নিহত হন কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।

তিন দফা তদন্তের পর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আরিফুল, গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের নাম যোগ করে মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন।

হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল­াহ মামলাটি বিচারের জন্য গত ১১ জুন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কিবরিয়া হত্যা মামলা : আবারো পেছালো সাক্ষ্যগ্রহণ

আপডেট টাইম : ১০:৪১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৫

হরতালের কারণে সব আসামি ও সাক্ষী আদালতে অনুপস্থিত থাকায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারো পিছিয়েছে। আসামি ও সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া নিয়ে এ পর্যন্ত ছয় দফা পেছালো এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ।

বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জাগো নিউজকে জানান, সাক্ষী ও আসামি হরতালের কারণে না আসায় আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য রেখেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সাক্ষ্যগ্রহণের দশম দিনে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মকবুল আহসানের আদালতে তিন সাক্ষীর সাক্ষগ্রহণের কথা থাকলেও হরতালের কারণে মামলায় গ্রেফতার ১৪ আসামির কাউকে আদালতে হাজির না করায় সাক্ষগ্রহণ হয়নি। আসেননি সাক্ষীরাও।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার বাদী হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ খানের সাক্ষগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। এ পর্যন্ত মামলায় আট জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। মামলায় মোট ১৭১ জনের সাক্ষ্য নেয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। ওই হামলায় নিহত হন কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।

তিন দফা তদন্তের পর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আরিফুল, গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের নাম যোগ করে মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন।

হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল­াহ মামলাটি বিচারের জন্য গত ১১ জুন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন।