ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

সাদেক হোসেন খোকার রাজনৈতিক উত্থান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০১৯
  • ৩৯৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  ঢাকা মহানগরীর সাবেক মেয়র  বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে … রাজিউন)।  সোমবার ( অক্টোবরবাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান   তথ্য জানান।

১৯৫২ সালের ১২ মে ঢাকায় জন্ম  সাদেক হোসেন খোকার । ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ১৯ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন  তিনি  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তিনি দেশে ফুটবল খেলা আয়োজনে মনোনিবেশ করেন। ঢাকা মহানগর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন তিনি।

খোকার রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে বামপন্থী দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে (ন্যাপ) রাজনীতি করলেও  আশির দশকে বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে যোগ দেন বিএনপিতে।  সে সময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে  সাত দলীয় জোটের এরশাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। ঐ আন্দোলনে খোকা  অবিভক্ত  ঢাকার মহানগর সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালত করেন।

১৯৯০ সালে ভারতের বাবরি মসজিদ ভাঙার পর পুরান ঢাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন খোকা। নব্বইয়ের দশকে তার এই ভূমিকার কারণে পুরান ঢাকার মানুষের মনে আস্থার জায়গা করে নিতে সক্ষম হন খোকা।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

১৯৯১ সালে খোকা ঢাকা-৭ আসনে (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শেখ হাসিনার বিপক্ষে। সে নির্বাচনে সবাইকে অবাক করে দিয়ে শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে  প্রথমবারের এমপি নির্বাচিত হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি।  নির্বাচনে এমন অভূতপূর্ব ফলাফলের পরে তিনি বিএনপি সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

১৯৯৬ নির্বাচনে যেখানে বিএনপি ঢাকায় সব আসনে শোচনীয় পরাজয়বরণ করে সেখানে একমাত্র খোকাই নির্বাচিত হন। এভাবে দিনে দিনে সাদেক হোসেন খোকা ঢাকার রাজনীতিতে বড় একটা ফ্যাক্টর হয়ে ওঠেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ব্যাকফুটে চলে যায়  বিএনপি । রাজনৈতিক বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যও ঢাকায় আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রায় পাঁচ বছর একক নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বিএনপির  অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হন।

১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফের কাছে পরাজিত হন বিএনপির আরেক নেতা মির্জা আব্বাস।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফলবিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য বিরোধী দল কঠোর আন্দোলন শুরু করলে ঢাকায় বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় খোকাকে ১৯৯৬ সালে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিলে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। সে সময় থেকে ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি টানা ১০ বছর  ঢাকার মেয়র ছিলেন।

আন্দোলন সংগ্রামের উত্তাল সময় পরিক্রমা পেরিয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনে  আবারোও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খোকা মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী হন। ওই সময় পুরান ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে দলকে শক্তিশালী করার পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৪ মে মাসে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান। গত ১৮ অক্টোবর সকালে খোকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দেশে কয়েকটি দুর্নীতির মামলা হয়। এসব মামলার কয়েকটিতে সাজাও হয় আদালতে।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ১৮ অক্টোবর সাদেক হোসেন খোকাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৮ অক্টোবর তার স্বাস্থ্যের আরও অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

সম্প্রতি দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন অসুস্থ সাদেক হোসেন খোকা। ভিসা জটিলতা কাটানোর প্রচেষ্টাও চলছিল। সরকারের পক্ষ থেকেও সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু সে প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে চলেন গেলেন বর্ণাঢ্য এ রাজনীতিক।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ২০১৪ সালের মে মাসে একজন ভিজিটর হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রে যান বিএনপি’র এই ভাইস-চেয়ারম্যান। ২০১৭ সালের শেষদিকে তার নিজের এবং স্ত্রী ইসমত হোসেনের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন বা নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন সাবেক এ মেয়র।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

সাদেক হোসেন খোকার রাজনৈতিক উত্থান

আপডেট টাইম : ১১:০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  ঢাকা মহানগরীর সাবেক মেয়র  বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহে … রাজিউন)।  সোমবার ( অক্টোবরবাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান   তথ্য জানান।

১৯৫২ সালের ১২ মে ঢাকায় জন্ম  সাদেক হোসেন খোকার । ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ১৯ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন  তিনি  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তিনি দেশে ফুটবল খেলা আয়োজনে মনোনিবেশ করেন। ঢাকা মহানগর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন তিনি।

খোকার রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে বামপন্থী দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে (ন্যাপ) রাজনীতি করলেও  আশির দশকে বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে যোগ দেন বিএনপিতে।  সে সময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে  সাত দলীয় জোটের এরশাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। ঐ আন্দোলনে খোকা  অবিভক্ত  ঢাকার মহানগর সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালত করেন।

১৯৯০ সালে ভারতের বাবরি মসজিদ ভাঙার পর পুরান ঢাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন খোকা। নব্বইয়ের দশকে তার এই ভূমিকার কারণে পুরান ঢাকার মানুষের মনে আস্থার জায়গা করে নিতে সক্ষম হন খোকা।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

১৯৯১ সালে খোকা ঢাকা-৭ আসনে (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শেখ হাসিনার বিপক্ষে। সে নির্বাচনে সবাইকে অবাক করে দিয়ে শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে  প্রথমবারের এমপি নির্বাচিত হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি।  নির্বাচনে এমন অভূতপূর্ব ফলাফলের পরে তিনি বিএনপি সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

১৯৯৬ নির্বাচনে যেখানে বিএনপি ঢাকায় সব আসনে শোচনীয় পরাজয়বরণ করে সেখানে একমাত্র খোকাই নির্বাচিত হন। এভাবে দিনে দিনে সাদেক হোসেন খোকা ঢাকার রাজনীতিতে বড় একটা ফ্যাক্টর হয়ে ওঠেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ব্যাকফুটে চলে যায়  বিএনপি । রাজনৈতিক বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যও ঢাকায় আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রায় পাঁচ বছর একক নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বিএনপির  অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতায় পরিণত হন।

১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফের কাছে পরাজিত হন বিএনপির আরেক নেতা মির্জা আব্বাস।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফলবিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য বিরোধী দল কঠোর আন্দোলন শুরু করলে ঢাকায় বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় খোকাকে ১৯৯৬ সালে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিলে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। সে সময় থেকে ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি টানা ১০ বছর  ঢাকার মেয়র ছিলেন।

আন্দোলন সংগ্রামের উত্তাল সময় পরিক্রমা পেরিয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনে  আবারোও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খোকা মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী হন। ওই সময় পুরান ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে দলকে শক্তিশালী করার পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৪ মে মাসে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান। গত ১৮ অক্টোবর সকালে খোকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দেশে কয়েকটি দুর্নীতির মামলা হয়। এসব মামলার কয়েকটিতে সাজাও হয় আদালতে।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ১৮ অক্টোবর সাদেক হোসেন খোকাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৮ অক্টোবর তার স্বাস্থ্যের আরও অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

সম্প্রতি দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন অসুস্থ সাদেক হোসেন খোকা। ভিসা জটিলতা কাটানোর প্রচেষ্টাও চলছিল। সরকারের পক্ষ থেকেও সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু সে প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে চলেন গেলেন বর্ণাঢ্য এ রাজনীতিক।

খোকার রাজনৈতিক উত্থান ছবি এর ছবির ফলাফল

ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ২০১৪ সালের মে মাসে একজন ভিজিটর হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রে যান বিএনপি’র এই ভাইস-চেয়ারম্যান। ২০১৭ সালের শেষদিকে তার নিজের এবং স্ত্রী ইসমত হোসেনের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন বা নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন সাবেক এ মেয়র।