ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭
  • ৩৬৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  মৌলভীবাজারের  বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি হয়েছে। কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছিলো। তবে গত বৃহস্পতিবার রাতের কয়েক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে। ফলে আবারও বাড়িঘর রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হতে থাকে। ফলে জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়ছেই কেবল।
সূত্র জানায়, অকাল বন্যায় হাকালুকি হাওর সংলগ্ন বর্ণি, তালিমপুর, সুজানগর ও দাসেরবাজার ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার অন্তত ৬টি ইউনিয়নের প্রায় দেড়লাখ মানুষ গত ২ মাস ধরে পানিবন্দী হয়ে পড়েন। বন্যার অবনতি ঘটায় উপজেলার তালিমপুর, বর্ণি, সুজানগর, উত্তর শাহবাজপুর, দাসেরবাজারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়া দুর্গত ২৫৩ পরিবার আশ্রয় নেয়।
এদিকে গত কয়েক দিন তেমন ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছিলো। রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর থেকে পানি নামতে শুরু করায় অনেকেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতের কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে। পানি বৃদ্ধিও পাশাপাশি অনেকের ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়া অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক আবারও পানিতে তলিয়ে গেছে।
সরেজমিনে তালিমপুর ইউপি’র হাল্লা, ইসলামপুর, খুটাউরা, বাড্ডা, নুুনুয়া, পাবিজুরি, শ্রীরামপুর, মুর্শিবাদকুরা, পশ্চিম গগড়া, পূর্ব গগড়া, বড়ময়দান, গাগড়াকান্দি, তেলিমেলি, গোপালপুর, হাউদপুর; সুজানগর ইউনিয়নের দশঘরি, রাঙ্গিনগর, ঝগড়ি, বাড্ডা, পাটনা, ভোলারকান্দি, উত্তর বাঘমারা, বাঘেরকোণা, চরকোণা, পশ্চিম সালদিগা; বর্ণি ইউপি’র পাকশাইল, সৎপুর, কাজিরবন্দ, নোয়াগাঁও, উজিরপুর, মুন্সিনগর এবং দাসেরবাজার ইউপি’র চাঁনপুর, অহিরকুঞ্জি, উত্তর বাগিরপার, দক্ষিণ বাগিরপার, পানিশাইল, ধর্মদেহী, চুলারকুড়ি, কোদালী, ধলিরপাড়, নেরাকান্দি, মাইজমজুড়ি ও মালিশ্রী গ্রামের রাস্তাঘাট ঢলের পানিতে নিমজ্জিত থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকেই আবারও উঁচু এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন।
তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুত কান্তি দাস ও সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী জানান, কয়েক দিন বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছিলো। এ কারণে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলো বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলো। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতের ভারী বৃষ্টিপাতে আবার পানি বাড়ছে। তাদের বাড়িফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে মানুষজনের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি

আপডেট টাইম : ০৪:২১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  মৌলভীবাজারের  বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি হয়েছে। কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছিলো। তবে গত বৃহস্পতিবার রাতের কয়েক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে। ফলে আবারও বাড়িঘর রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হতে থাকে। ফলে জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়ছেই কেবল।
সূত্র জানায়, অকাল বন্যায় হাকালুকি হাওর সংলগ্ন বর্ণি, তালিমপুর, সুজানগর ও দাসেরবাজার ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার অন্তত ৬টি ইউনিয়নের প্রায় দেড়লাখ মানুষ গত ২ মাস ধরে পানিবন্দী হয়ে পড়েন। বন্যার অবনতি ঘটায় উপজেলার তালিমপুর, বর্ণি, সুজানগর, উত্তর শাহবাজপুর, দাসেরবাজারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়া দুর্গত ২৫৩ পরিবার আশ্রয় নেয়।
এদিকে গত কয়েক দিন তেমন ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছিলো। রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর থেকে পানি নামতে শুরু করায় অনেকেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতের কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে। পানি বৃদ্ধিও পাশাপাশি অনেকের ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়া অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক আবারও পানিতে তলিয়ে গেছে।
সরেজমিনে তালিমপুর ইউপি’র হাল্লা, ইসলামপুর, খুটাউরা, বাড্ডা, নুুনুয়া, পাবিজুরি, শ্রীরামপুর, মুর্শিবাদকুরা, পশ্চিম গগড়া, পূর্ব গগড়া, বড়ময়দান, গাগড়াকান্দি, তেলিমেলি, গোপালপুর, হাউদপুর; সুজানগর ইউনিয়নের দশঘরি, রাঙ্গিনগর, ঝগড়ি, বাড্ডা, পাটনা, ভোলারকান্দি, উত্তর বাঘমারা, বাঘেরকোণা, চরকোণা, পশ্চিম সালদিগা; বর্ণি ইউপি’র পাকশাইল, সৎপুর, কাজিরবন্দ, নোয়াগাঁও, উজিরপুর, মুন্সিনগর এবং দাসেরবাজার ইউপি’র চাঁনপুর, অহিরকুঞ্জি, উত্তর বাগিরপার, দক্ষিণ বাগিরপার, পানিশাইল, ধর্মদেহী, চুলারকুড়ি, কোদালী, ধলিরপাড়, নেরাকান্দি, মাইজমজুড়ি ও মালিশ্রী গ্রামের রাস্তাঘাট ঢলের পানিতে নিমজ্জিত থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকেই আবারও উঁচু এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন।
তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুত কান্তি দাস ও সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান নছিব আলী জানান, কয়েক দিন বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছিলো। এ কারণে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলো বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলো। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতের ভারী বৃষ্টিপাতে আবার পানি বাড়ছে। তাদের বাড়িফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এতে মানুষজনের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।