ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

হাওরে কেন কালচারাল ফিশারী হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৪৮৭ বার

হাওরটিতে এখন আর তেমন প্রসিদ্ধ মাছ নেই। আসে না তেমন পাখি। পুরো হাইল হাওরজুড়ে আছে শুধু দুই থেকে চারফুট উচ্চতার কচুরিপানা আর কচুরিপানা। সেকারণে হাওরটি প্রাকৃতিক সৌন্দয্য হারাতে বসেছে।
এছাড়া নামেমাত্র খাস কালেকশন ও বিল ইজারার নামে হাওরে বেড়েছে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য। অন্যদিকে হাওরের বিলগুলোতে প্রকাশ্যেই বাঁধ দিয়ে মৎস্য আহরণের মহোৎসবে মেতে উঠেছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল। হাওরের ছোট ছোট নালা-খাল-বিল খাস কালেকশন ও লীজের নামে পুরো হাইল হাওর এলাকা ৫০ জন প্রভাবশালীর দখলে চলে গেছে।
সম্প্রতি শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিকরা হাইল হাওরে আনন্দ ভ্রমণে গেলে এ চিত্র দেখতে পায়। বাইক্কা বিল ঘেঁষা বেয়াইবিল, খাগউরা, চাপড়া, কুলিমারা ইত্যাদি বিলগুলোর চতুর্দিকে মাইল পর মাইল জাল আর পাটি বাঁধের দ্বারা ঘেরাও দিয়ে দখল রাখা হয়েছে। কোন কোনটিতে মাছ ধরার কাজে মৎস্যজীবীরা ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে সাবেক জেলা মৎস্য অফিসার নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, এ হাইল হাওরের নীচু এলাকায় কানেকটেড টু কুশিয়ারা নদীতে ওয়াটার ব্লক হয়ে গেছে। সেখানে ওয়াটার মুভমেন্ট নেই। যার কারণে হাওর কচুরিপানায় ভরপুর হয়ে গেছে। আর হাওর ভরাট হচ্ছে পাহাড়ী মাটি ও বালি ভরাটে। এ থেকে হাওরকে বাঁচাতে হলে উপজেলার ছোটবড় ২৫০টি ছড়াতে বৃষ্টির সময়ে এসব বালি ব্লক দিতে হবে। আর হাওরের যেসব রির্জাভার ভরাট হয়ে গেছে এগুলোকে এক্সেভেটার মেশিন দিয়ে খনন করতে হবে। আর যেহেতু হাওর এলাকায় কালচারাল ফিশারীর দিকে ধাবিত হচ্ছে। সবমিলিয়ে ১৫০টির মতো ফিশারী হয়ে গেছে। এখানে মানুষের অবাধ বিচরণ। হাইল হাওরে যারা বিচরণ করছে এদেরই একটি গোষ্ঠী কিন্তু হাইল হাওরে বিলগুলো দখলে নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছে। হাইল হাওরে সবচেয়ে বিপদের কারণ হলো-হাওর হাওরের মতো থাকবে। হাওরে কেন কালচারাল ফিশারী হবে? কালচারাল ফিশারী বন্ধ হয়ে গেলে হাওরের মানুষের বিচরণ বন্ধ হবে। মৎস্য অফিস ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারী বাড়ালে বিল সেচে, জাল দিয়ে মাছ ধরা অনেকটা কমে আসবে।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণি সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান পরিবেশবিদ সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, এই হাইল হাওরটা একসময় পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান ছিল। এই হাওরে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের ছেলে গহর আইয়ুব খান যখন মেজর ছিলেন (তখন ক্যাপ্টেন ছিলেন এমএ জি ওসমানী)। তখনকার সময়ে তারা এই হাইল হাওরের পাখি আর প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ দেখতে আসতেন। এই পরিবেশ আর হাইল হাওর নেই। এখন অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। এক সময়ে এই হাইল হাওরে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান অনেকবার ঘুরে গেছেন। এসেছেন দেশি-বিদেশি অনেক পর্যটক ও পরিবেশবিদগণ। হাওরটা এখন পাহাড়ের মাটি ছড়া দিয়ে এসে দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে। বিলগুলোও ভরাট হয়েছে। এর ফলে এখানে মাছের ও পাখির খাবার কমে গেছে। আগে ছিল ৬২টি বিল। এখন ২২/২৩টি বিল আছে। এগুলোও প্রভাবশালী কিছুলোক লীজ নিয়ে তাদের আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে লাল কাপড়ের ঝান্ডা উড়িয়ে জবরদখল করে পুরো হাইল হাওর মাছ শিকার করে খাচ্ছে। আর যারা হাওরে গরীব মানুষ। যারা মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে তাদেরকে মাছ শিকার করতে দেয়া হচ্ছে না। হাইল হাওরে দেখা ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, প্রতিবছরই এলাকার মৎস্যজীবিরা আমার কাছে আসে। তাদেরকে হাওরে মাছ ধরতে দিচ্ছে না প্রভাবশালীরা।
এ শুধু বাইক্কা বিল নয়, পুরো হাইল হাওরের চেহারাই এখন পাল্টে গেছে। আগে এখানে ৬০/৬৫ টি বিল ছিলো। বিলের সংখ্যা কমতে কমতে এখন ২০/২২ টি হবে। বিলগুলোর ডাক গ্রহিতাদের আত্মীয়-স্বজনরাই সবসময় এখানে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত থাকে বলে অভিযোগ করেন এই পরিবেশবিদ।
তিনি বলেন, হাইল হাওরের পানির দিকে তাকালে এখন আর পানি দেখা যায় না। শুধু কচুরিপানা আর কচুরিপানা। এক সময় বিলে মাছ আটকানোর জন্য মৎস্যজীবিরা কচুরিপানা দিয়ে দল লাগাত। এটা থেকে এ কচুরিপানার সৃষ্টি হয়েছে। একটি কুচুরিপনার গাছ প্রতি রাতে ৮০টি শিকড় ছেড়ে থাকে। গত একবছরে এমনভাবে হাওরে কুচুরিপানার ভরপুর হয়েছে এখন আর সরানো সম্ভব নয়। কারণ বিলের চতুর্দিকে বাঁধ দিয়ে জাল দিয়ে মাছ আটকানোর জন্য রাখা হয়েছে। যেকারণে এ ফেনাগুলো হাওর থেকে বেরুতে পারছে না।
পরিবেশবিদ সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, ‘কার্তিক মাস থেকে যদি মৎস্য বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন থেকে যদি বিলের চর্তুদিকে জালে বাঁধ দিতে নিষেধাজ্ঞা জারী করে তাহলে যখন হাওরে পানি হয় সেপ্টেম্বর-নভেম্বরে তখন বাতাসের সাথে গোপলা নদী হয়ে কচুরিপানা গুলো বের হয়ে যেতে পারে। যদি কুচুরিপানা হাওর থেকে অপসারণ না করা হয় তাহলে আমার মনে হয় আগামী ৫/৭ বছরের মধ্যে মৎস্যজীবিরা হাইল হাওরে প্রসিদ্ধ বোয়াল মাছ, রুই মাছ, কই মাছ শিকারের কোনও সুযোগই আর থাকবে না।
কচুরিপানা অপসারণের জন্য জুন জুলাই মাস থেকে মৎস্যজীবী ও মৎস্য অধিদফতরের সমন্বিত উদ্যোগে যদি মাছ আটকানোর জন্য যদি জাল পুতে না রাখে তাহলে বাতাসে এসব কচুরিপানা গোপলানদীর কিনারা দিয়ে ভেসে নিয়ে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

হাওরে কেন কালচারাল ফিশারী হবে

আপডেট টাইম : ১২:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৭

হাওরটিতে এখন আর তেমন প্রসিদ্ধ মাছ নেই। আসে না তেমন পাখি। পুরো হাইল হাওরজুড়ে আছে শুধু দুই থেকে চারফুট উচ্চতার কচুরিপানা আর কচুরিপানা। সেকারণে হাওরটি প্রাকৃতিক সৌন্দয্য হারাতে বসেছে।
এছাড়া নামেমাত্র খাস কালেকশন ও বিল ইজারার নামে হাওরে বেড়েছে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য। অন্যদিকে হাওরের বিলগুলোতে প্রকাশ্যেই বাঁধ দিয়ে মৎস্য আহরণের মহোৎসবে মেতে উঠেছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল। হাওরের ছোট ছোট নালা-খাল-বিল খাস কালেকশন ও লীজের নামে পুরো হাইল হাওর এলাকা ৫০ জন প্রভাবশালীর দখলে চলে গেছে।
সম্প্রতি শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিকরা হাইল হাওরে আনন্দ ভ্রমণে গেলে এ চিত্র দেখতে পায়। বাইক্কা বিল ঘেঁষা বেয়াইবিল, খাগউরা, চাপড়া, কুলিমারা ইত্যাদি বিলগুলোর চতুর্দিকে মাইল পর মাইল জাল আর পাটি বাঁধের দ্বারা ঘেরাও দিয়ে দখল রাখা হয়েছে। কোন কোনটিতে মাছ ধরার কাজে মৎস্যজীবীরা ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে সাবেক জেলা মৎস্য অফিসার নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, এ হাইল হাওরের নীচু এলাকায় কানেকটেড টু কুশিয়ারা নদীতে ওয়াটার ব্লক হয়ে গেছে। সেখানে ওয়াটার মুভমেন্ট নেই। যার কারণে হাওর কচুরিপানায় ভরপুর হয়ে গেছে। আর হাওর ভরাট হচ্ছে পাহাড়ী মাটি ও বালি ভরাটে। এ থেকে হাওরকে বাঁচাতে হলে উপজেলার ছোটবড় ২৫০টি ছড়াতে বৃষ্টির সময়ে এসব বালি ব্লক দিতে হবে। আর হাওরের যেসব রির্জাভার ভরাট হয়ে গেছে এগুলোকে এক্সেভেটার মেশিন দিয়ে খনন করতে হবে। আর যেহেতু হাওর এলাকায় কালচারাল ফিশারীর দিকে ধাবিত হচ্ছে। সবমিলিয়ে ১৫০টির মতো ফিশারী হয়ে গেছে। এখানে মানুষের অবাধ বিচরণ। হাইল হাওরে যারা বিচরণ করছে এদেরই একটি গোষ্ঠী কিন্তু হাইল হাওরে বিলগুলো দখলে নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছে। হাইল হাওরে সবচেয়ে বিপদের কারণ হলো-হাওর হাওরের মতো থাকবে। হাওরে কেন কালচারাল ফিশারী হবে? কালচারাল ফিশারী বন্ধ হয়ে গেলে হাওরের মানুষের বিচরণ বন্ধ হবে। মৎস্য অফিস ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারী বাড়ালে বিল সেচে, জাল দিয়ে মাছ ধরা অনেকটা কমে আসবে।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণি সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান পরিবেশবিদ সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, এই হাইল হাওরটা একসময় পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান ছিল। এই হাওরে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের ছেলে গহর আইয়ুব খান যখন মেজর ছিলেন (তখন ক্যাপ্টেন ছিলেন এমএ জি ওসমানী)। তখনকার সময়ে তারা এই হাইল হাওরের পাখি আর প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ দেখতে আসতেন। এই পরিবেশ আর হাইল হাওর নেই। এখন অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। এক সময়ে এই হাইল হাওরে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান অনেকবার ঘুরে গেছেন। এসেছেন দেশি-বিদেশি অনেক পর্যটক ও পরিবেশবিদগণ। হাওরটা এখন পাহাড়ের মাটি ছড়া দিয়ে এসে দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে। বিলগুলোও ভরাট হয়েছে। এর ফলে এখানে মাছের ও পাখির খাবার কমে গেছে। আগে ছিল ৬২টি বিল। এখন ২২/২৩টি বিল আছে। এগুলোও প্রভাবশালী কিছুলোক লীজ নিয়ে তাদের আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে লাল কাপড়ের ঝান্ডা উড়িয়ে জবরদখল করে পুরো হাইল হাওর মাছ শিকার করে খাচ্ছে। আর যারা হাওরে গরীব মানুষ। যারা মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে তাদেরকে মাছ শিকার করতে দেয়া হচ্ছে না। হাইল হাওরে দেখা ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, প্রতিবছরই এলাকার মৎস্যজীবিরা আমার কাছে আসে। তাদেরকে হাওরে মাছ ধরতে দিচ্ছে না প্রভাবশালীরা।
এ শুধু বাইক্কা বিল নয়, পুরো হাইল হাওরের চেহারাই এখন পাল্টে গেছে। আগে এখানে ৬০/৬৫ টি বিল ছিলো। বিলের সংখ্যা কমতে কমতে এখন ২০/২২ টি হবে। বিলগুলোর ডাক গ্রহিতাদের আত্মীয়-স্বজনরাই সবসময় এখানে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত থাকে বলে অভিযোগ করেন এই পরিবেশবিদ।
তিনি বলেন, হাইল হাওরের পানির দিকে তাকালে এখন আর পানি দেখা যায় না। শুধু কচুরিপানা আর কচুরিপানা। এক সময় বিলে মাছ আটকানোর জন্য মৎস্যজীবিরা কচুরিপানা দিয়ে দল লাগাত। এটা থেকে এ কচুরিপানার সৃষ্টি হয়েছে। একটি কুচুরিপনার গাছ প্রতি রাতে ৮০টি শিকড় ছেড়ে থাকে। গত একবছরে এমনভাবে হাওরে কুচুরিপানার ভরপুর হয়েছে এখন আর সরানো সম্ভব নয়। কারণ বিলের চতুর্দিকে বাঁধ দিয়ে জাল দিয়ে মাছ আটকানোর জন্য রাখা হয়েছে। যেকারণে এ ফেনাগুলো হাওর থেকে বেরুতে পারছে না।
পরিবেশবিদ সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, ‘কার্তিক মাস থেকে যদি মৎস্য বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন থেকে যদি বিলের চর্তুদিকে জালে বাঁধ দিতে নিষেধাজ্ঞা জারী করে তাহলে যখন হাওরে পানি হয় সেপ্টেম্বর-নভেম্বরে তখন বাতাসের সাথে গোপলা নদী হয়ে কচুরিপানা গুলো বের হয়ে যেতে পারে। যদি কুচুরিপানা হাওর থেকে অপসারণ না করা হয় তাহলে আমার মনে হয় আগামী ৫/৭ বছরের মধ্যে মৎস্যজীবিরা হাইল হাওরে প্রসিদ্ধ বোয়াল মাছ, রুই মাছ, কই মাছ শিকারের কোনও সুযোগই আর থাকবে না।
কচুরিপানা অপসারণের জন্য জুন জুলাই মাস থেকে মৎস্যজীবী ও মৎস্য অধিদফতরের সমন্বিত উদ্যোগে যদি মাছ আটকানোর জন্য যদি জাল পুতে না রাখে তাহলে বাতাসে এসব কচুরিপানা গোপলানদীর কিনারা দিয়ে ভেসে নিয়ে যাবে।