ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

মন্ত্রীকে প্রথম রাতেই বিড়াল মারতে বললেন চুন্নু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৩৪ বার

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে মামলা হলে পার পাওয়া যায় না, কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতি করলে আইন লঙ্ঘন করে তাদের বাঁচানো হয়।

তিনি বলেন, পূর্তমন্ত্রী এরই মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন। মন্ত্রীকে বলবো দুর্নীতির বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেন। বিড়াল প্রথম রাতেই মারেন।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংসদে পাঠ করে শোনান। যেখানে বিতর্কিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীমের প্রতিষ্ঠানের দুটো কাজের একই অনিয়মে দুই কর্মকর্তাকে আলাদা আলাদা শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়।

বিষয়টি সংসদে তুলে ধরে মুজিবুল হক বলেন, কাকে লঘু দণ্ড দিয়েছে সেটা বড় কথা না। এখানে কত বড় অনিয়ম করা হয়েছে সেটা কথা। টাকা বাজেয়াপ্ত না করে সমন্বয় করা আইনের চরম লঙ্ঘন। একজন কর্মকর্তাকে বাঁচানোর জন্য টাকাটা বাজেয়াপ্ত না করে সমস্ত আইন-কানুন লঙ্ঘন করে ১০ কোটি টাকা সমন্বয় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে মামলা হলে পার পাওয়া যায় না। একজন সরকারি কর্মকর্তা ১০ কোটি টাকা অগ্রিম দিলো, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালার (পিপিআর) চরম লঙ্ঘন করে তাকে বাঁচানো হলো।

চুন্নু বলেন, পূর্তমন্ত্রী এরই মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন। তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলবো, একজন সচিব কী করে এত বড় দুর্নীতি উপেক্ষা করে মন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া এ কাজ করেছেন। এটা কনফার্ম দুর্নীতি। তিনি একটি ঘটনায় বেতন এক গ্রেড কমিয়েছেন, আরেক ঘটনায় প্রকৌশলীকে পদাবনতি করেছেন। এ খাতিরটা কেন? এ সরকারের আমলে এত বড় অন্যায় কাজ করে পার পেয়ে যাবে? এটা চেয়ে চেয়ে দেখবো, তা কী হয়? মন্ত্রীকে বলবো, এখনই ব্যবস্থা নেন। বিড়াল প্রথম রাতেই মারেন।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

মন্ত্রীকে প্রথম রাতেই বিড়াল মারতে বললেন চুন্নু

আপডেট টাইম : ১১:৫২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে মামলা হলে পার পাওয়া যায় না, কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতি করলে আইন লঙ্ঘন করে তাদের বাঁচানো হয়।

তিনি বলেন, পূর্তমন্ত্রী এরই মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন। মন্ত্রীকে বলবো দুর্নীতির বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেন। বিড়াল প্রথম রাতেই মারেন।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংসদে পাঠ করে শোনান। যেখানে বিতর্কিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীমের প্রতিষ্ঠানের দুটো কাজের একই অনিয়মে দুই কর্মকর্তাকে আলাদা আলাদা শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়।

বিষয়টি সংসদে তুলে ধরে মুজিবুল হক বলেন, কাকে লঘু দণ্ড দিয়েছে সেটা বড় কথা না। এখানে কত বড় অনিয়ম করা হয়েছে সেটা কথা। টাকা বাজেয়াপ্ত না করে সমন্বয় করা আইনের চরম লঙ্ঘন। একজন কর্মকর্তাকে বাঁচানোর জন্য টাকাটা বাজেয়াপ্ত না করে সমস্ত আইন-কানুন লঙ্ঘন করে ১০ কোটি টাকা সমন্বয় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে মামলা হলে পার পাওয়া যায় না। একজন সরকারি কর্মকর্তা ১০ কোটি টাকা অগ্রিম দিলো, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালার (পিপিআর) চরম লঙ্ঘন করে তাকে বাঁচানো হলো।

চুন্নু বলেন, পূর্তমন্ত্রী এরই মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন। তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলবো, একজন সচিব কী করে এত বড় দুর্নীতি উপেক্ষা করে মন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া এ কাজ করেছেন। এটা কনফার্ম দুর্নীতি। তিনি একটি ঘটনায় বেতন এক গ্রেড কমিয়েছেন, আরেক ঘটনায় প্রকৌশলীকে পদাবনতি করেছেন। এ খাতিরটা কেন? এ সরকারের আমলে এত বড় অন্যায় কাজ করে পার পেয়ে যাবে? এটা চেয়ে চেয়ে দেখবো, তা কী হয়? মন্ত্রীকে বলবো, এখনই ব্যবস্থা নেন। বিড়াল প্রথম রাতেই মারেন।