ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৈশাখে যা খেলতে পারো

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬
  • ৩৫৬ বার

পহেলা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন। ভুভুজেলা বা হুইসেল বাজিয়ে কারো কান ফাটিয়ে দেওয়ার দিন নয়। দিনটাকে পালন করতে পারো একটু অন্যভাবে। খোলা কোনো মাঠ বা রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে দলবেঁধে মেতে উঠতে পারো মজার কিছু খেলায়।

ফুলটোকা

দলপতিসহ দুই দলে ভাগ হয়ে কিছুটা দূরত্বে মুখোমুখি বসে এই খেলা শুরু করতে হয়। দুই দল নিজেদের খেলোয়াড়দের নাম ফুল অথবা ফলের নামে রেখে থাকে। দলপতি অপরপক্ষের যেকোনো খেলোয়াড়ের চোখ দুহাতে চেপে ধরে সাংকেতিক নামে তার যেকোনো একজন খেলোয়াড়কে ডাকে। সে খেলোয়াড় এসে চোখ ধরে রাখা খেলোয়াড়টির কপালে আলতো করে টোকা দিয়ে নিজের জায়গায় গিয়ে বসে। চোখ খোলার পর ওই খেলোয়াড়কে যে টোকা দিয়েছে তাকে শনাক্ত করতে হয়। সফল হলে সে সামনের দিকে লাফ দেওবার সুযোগ পায়। এভাবে যে দলের খেলোয়াড় লাফ দিয়ে প্রথমে সীমানা অতিক্রম করে সেই দলই জয়ী হয়।

বাঘ-ছাগল খেলা

প্রথমে মাটিতে দাগ কেটে বৃত্ত বানানো হয়। এরপর একজনকে বাঘ বানানো হয়। বাকিরা ছাগল হিসেবে বৃত্তের ভেতর থাকে। বাঘের কাজ হলো বৃত্তের বাইরে থেকে আক্রমণ করা ও একটি করে ‘ছাগল’ ছিনিয়ে নেওয়া। এভাবে নিজের দল ভারি করবে বাঘ। শেষ পর্যন্ত যে ছাগল বৃত্তের ভেতর টিকে থাকবে, সেই হবে পরের বাঘ।

বাঘ কাউকে আক্রমণ করলে ছাগলদলের সদস্যরা তাকে টেনে ধরে রাখে। খেলা চলতে থাকে দুই পক্ষের ছাড়া কাটার মধ্য দিয়ে। বাঘ কেঁদে কেঁদে বলবে অ্যাঙ্গা, অ্যাঙ্গা। ছাগলরা বলবে, ‘কান্দো ক্যান?’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশাখে যা খেলতে পারো

আপডেট টাইম : ১২:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০১৬

পহেলা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন। ভুভুজেলা বা হুইসেল বাজিয়ে কারো কান ফাটিয়ে দেওয়ার দিন নয়। দিনটাকে পালন করতে পারো একটু অন্যভাবে। খোলা কোনো মাঠ বা রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে দলবেঁধে মেতে উঠতে পারো মজার কিছু খেলায়।

ফুলটোকা

দলপতিসহ দুই দলে ভাগ হয়ে কিছুটা দূরত্বে মুখোমুখি বসে এই খেলা শুরু করতে হয়। দুই দল নিজেদের খেলোয়াড়দের নাম ফুল অথবা ফলের নামে রেখে থাকে। দলপতি অপরপক্ষের যেকোনো খেলোয়াড়ের চোখ দুহাতে চেপে ধরে সাংকেতিক নামে তার যেকোনো একজন খেলোয়াড়কে ডাকে। সে খেলোয়াড় এসে চোখ ধরে রাখা খেলোয়াড়টির কপালে আলতো করে টোকা দিয়ে নিজের জায়গায় গিয়ে বসে। চোখ খোলার পর ওই খেলোয়াড়কে যে টোকা দিয়েছে তাকে শনাক্ত করতে হয়। সফল হলে সে সামনের দিকে লাফ দেওবার সুযোগ পায়। এভাবে যে দলের খেলোয়াড় লাফ দিয়ে প্রথমে সীমানা অতিক্রম করে সেই দলই জয়ী হয়।

বাঘ-ছাগল খেলা

প্রথমে মাটিতে দাগ কেটে বৃত্ত বানানো হয়। এরপর একজনকে বাঘ বানানো হয়। বাকিরা ছাগল হিসেবে বৃত্তের ভেতর থাকে। বাঘের কাজ হলো বৃত্তের বাইরে থেকে আক্রমণ করা ও একটি করে ‘ছাগল’ ছিনিয়ে নেওয়া। এভাবে নিজের দল ভারি করবে বাঘ। শেষ পর্যন্ত যে ছাগল বৃত্তের ভেতর টিকে থাকবে, সেই হবে পরের বাঘ।

বাঘ কাউকে আক্রমণ করলে ছাগলদলের সদস্যরা তাকে টেনে ধরে রাখে। খেলা চলতে থাকে দুই পক্ষের ছাড়া কাটার মধ্য দিয়ে। বাঘ কেঁদে কেঁদে বলবে অ্যাঙ্গা, অ্যাঙ্গা। ছাগলরা বলবে, ‘কান্দো ক্যান?’