ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বর্জনে অর্জন নেই, তাই নির্বাচনে বিএনপি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৬
  • ৩০৬ বার

নির্বাচন বর্জন করে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক কোনো অর্জন না থাকায় ক্ষমতাসীনদের একচেটিয়া দাপট ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণের পরও চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটের ময়দানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলটির নেতারা মনে করেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন বর্জন করে আমাদের রাজনৈতিক কি অর্জন হবে। বরং নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকলে নির্বাচনে থেকেই নির্বাচনী অব্যবস্থাপনা, ক্ষমতাসীনদের প্রভাব ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ জনগণ ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। এতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আসল চেহারাও উন্মোচিত হচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক সরকারের অধীনে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন যে সম্ভব নয়, সেই দাবির যৌক্তিকতাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিএনপির এক নীতি নির্ধারক মানবকণ্ঠকে বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে এই মুহূর্তে আমাদের দলের পুনর্গঠনের কাজ চলছে। দলের হাইকমান্ড আপাতত সেদিক নিয়েই ব্যস্ত। বিগত দুই দফা সরকারবিরোধী আন্দোলনে আমাদের তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও ক্ষতিগ্রস্ত। মামলা-হামলায় অনেকেই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সামনের দিনগুলোতে আপাতত সরকারবিরোধী বড় ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচিও দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা আবার সক্রিয় হয়েছে। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। নির্বাচনে টিকে থাকাটাই রাজনৈতিকভাবে আমাদের সফলতা।
২২ মার্চ ও ৩১ মার্চ দুই দফায় সারাদেশে সহস্রাধিক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৬ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু দুই দফার নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে নানা মহলে। দুই দফা নির্বাচনে সহিংসতায় প্রাণহানি, জালভোট, কারচুপি, ক্ষমতাসীনদের দাপট ও নির্বাচন কমিশনের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা পর্যালোচনা করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী ধাপগুলোতে অংশগ্রহণ করার বিষয় নিয়ে বিএনপির মধ্যেও প্রশ্ন ওঠে। এমনকি দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতারা চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পরামর্শ দেন। যার ধারাবাহিকতায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে থাকা না থাকার বিষয়ে প্রথমে দলের শীর্ষ নেতাদের এবং পরবর্তী সময়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সেখানে দলের কোনো কোনো কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচন বর্জন করার পক্ষে মত দেন। তবে দল ও জোটের নেতারা আপাতত ভোট বর্জন না করার পরামর্শ দেন। অনেকটা নাটকীয়ভাবেই জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানবকণ্ঠকে বলেন, রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচন কমিশন কতটা খারাপ হতে পারে তা দেশবাসীকে সামনে তুলে ধরতেই পরিবেশ না থাকা সত্ত্বেও আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রতিটি ধাপেই নির্বাচনী পরিস্থিতি বিএনপি পর্যবেক্ষণ করবে। শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে থাকার ইচ্ছা ব্যক্ত করে মির্জা আলমগীর বলেন, সবকিছুই পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরও আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনগুলোতে অংশ নিয়েছি। নির্বাচনে আমরা থাকতে চাই। তবে নির্দলীয় গ্রহণযোগ্য সরকারের অধীনে ছাড়া বিএনপি জাতীয় নির্বাচন করবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপর এক নেতা মানবকণ্ঠকে বলেন, তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র বিতরণ শেষ করেছে। চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই, মনোনয়ন দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিএনপির একজন দফতর সম্পাদক জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের স্ব স্ব এলাকায় থাকতে হাইকমান্ড থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সিরিয়াসভাবে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। যেসব নেতা নির্বাচনী এলাকায় দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা তাদের দলীয় প্রতীক নৌকা ও ধানের শীষ নিয়ে লড়াই করছেন। দু’দফা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। যদিও বিএনপি নির্বাচনী ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে অনেক জায়গায় নতুন নির্বাচন দাবি করেছে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বর্জনে অর্জন নেই, তাই নির্বাচনে বিএনপি

আপডেট টাইম : ১১:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৬

নির্বাচন বর্জন করে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক কোনো অর্জন না থাকায় ক্ষমতাসীনদের একচেটিয়া দাপট ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণের পরও চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটের ময়দানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলটির নেতারা মনে করেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন বর্জন করে আমাদের রাজনৈতিক কি অর্জন হবে। বরং নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকলে নির্বাচনে থেকেই নির্বাচনী অব্যবস্থাপনা, ক্ষমতাসীনদের প্রভাব ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ জনগণ ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। এতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আসল চেহারাও উন্মোচিত হচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক সরকারের অধীনে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন যে সম্ভব নয়, সেই দাবির যৌক্তিকতাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিএনপির এক নীতি নির্ধারক মানবকণ্ঠকে বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে এই মুহূর্তে আমাদের দলের পুনর্গঠনের কাজ চলছে। দলের হাইকমান্ড আপাতত সেদিক নিয়েই ব্যস্ত। বিগত দুই দফা সরকারবিরোধী আন্দোলনে আমাদের তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও ক্ষতিগ্রস্ত। মামলা-হামলায় অনেকেই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সামনের দিনগুলোতে আপাতত সরকারবিরোধী বড় ধরনের আন্দোলনের কর্মসূচিও দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা আবার সক্রিয় হয়েছে। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। নির্বাচনে টিকে থাকাটাই রাজনৈতিকভাবে আমাদের সফলতা।
২২ মার্চ ও ৩১ মার্চ দুই দফায় সারাদেশে সহস্রাধিক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৬ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু দুই দফার নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে নানা মহলে। দুই দফা নির্বাচনে সহিংসতায় প্রাণহানি, জালভোট, কারচুপি, ক্ষমতাসীনদের দাপট ও নির্বাচন কমিশনের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা পর্যালোচনা করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী ধাপগুলোতে অংশগ্রহণ করার বিষয় নিয়ে বিএনপির মধ্যেও প্রশ্ন ওঠে। এমনকি দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতারা চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পরামর্শ দেন। যার ধারাবাহিকতায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে থাকা না থাকার বিষয়ে প্রথমে দলের শীর্ষ নেতাদের এবং পরবর্তী সময়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সেখানে দলের কোনো কোনো কেন্দ্রীয় নেতা নির্বাচন বর্জন করার পক্ষে মত দেন। তবে দল ও জোটের নেতারা আপাতত ভোট বর্জন না করার পরামর্শ দেন। অনেকটা নাটকীয়ভাবেই জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানবকণ্ঠকে বলেন, রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচন কমিশন কতটা খারাপ হতে পারে তা দেশবাসীকে সামনে তুলে ধরতেই পরিবেশ না থাকা সত্ত্বেও আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রতিটি ধাপেই নির্বাচনী পরিস্থিতি বিএনপি পর্যবেক্ষণ করবে। শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে থাকার ইচ্ছা ব্যক্ত করে মির্জা আলমগীর বলেন, সবকিছুই পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরও আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনগুলোতে অংশ নিয়েছি। নির্বাচনে আমরা থাকতে চাই। তবে নির্দলীয় গ্রহণযোগ্য সরকারের অধীনে ছাড়া বিএনপি জাতীয় নির্বাচন করবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপর এক নেতা মানবকণ্ঠকে বলেন, তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র বিতরণ শেষ করেছে। চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই, মনোনয়ন দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিএনপির একজন দফতর সম্পাদক জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের স্ব স্ব এলাকায় থাকতে হাইকমান্ড থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সিরিয়াসভাবে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। যেসব নেতা নির্বাচনী এলাকায় দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা তাদের দলীয় প্রতীক নৌকা ও ধানের শীষ নিয়ে লড়াই করছেন। দু’দফা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। যদিও বিএনপি নির্বাচনী ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে অনেক জায়গায় নতুন নির্বাচন দাবি করেছে