ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

নীল মুকুট’ নিয়ে আসছেন সাইমন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ৩৫৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফুল-পাতার ব্যাকগ্রাউন্ডে নীল স্কিমে একজন নারীর মুখ আর তার উজ্জ্বল আকুল দুইটা চোখ, দৃষ্টি বহুদূর। এমন দৃষ্টিনন্দন ও চিন্তা জাগানিয়া পোস্টার কামার আহমাদ সাইমনের নতুন ছবি ‘নীল মুকুট’-এর। বিনা কর্তনে মাত্র ১০ দিনে সেন্সর ছাড়পত্র পায় ‘নীল মুকুট’। এবার পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে শুরু হলো আনুষ্ঠানিক প্রচার।

২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া কামারের প্রথম ছবি ‘শুনতে কি পাও!’-এর পোস্টারেও ছিল বৈচিত্র্য। স্বাধীনতাপরবর্তী ঢাকাই ছবির ব্যানার আর্টিস্টদের স্টাইল, যা কি না পরবর্তীতে রিকশা পেইন্টিং আর্টের জন্ম দেয়, সেই স্টাইলে তৈরি ‘শুনতে কি পাও!’-এর পোস্টার তখন ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছিল।

কামার বলেন, “দেশে-বিদেশে অনেকেই ব্যক্তিগত আগ্রহে সংগ্রহ করেছিলেন ‘শুনতে কি পাও!’-এর সেই পোস্টার। এখনো অনেকেই মেসেঞ্জারে জানতে চান কোথায় পাওয়া যেতে পারে সেই পোস্টার।”

সঙ্গে জানান, আগের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই এইবার ‘নীল মুকুট’-এর পাবলিসিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে প্রকাশনা সংস্থা বাতিঘর। এখন ঢাকাসহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাতিঘরের আউটলেটে পাওয়া যাবে ‘শুনতে কি পাও!’ এবং ‘নীল মুকুট’-এর পোস্টার।

মুম্বাই থেকে ‘স্বর্ণশঙ্খ’ আর প্যারিসে ‘গ্রা প্রি’ জয় করার পর দেশে মুক্তি পেয়েও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল ‘শুনতে কি পাও!’, জয় করেছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর চল্লিশটিরও বেশি উৎসবে প্রদর্শিত হয়, দশটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও লাভ করে। কয়েক মাস আগেও প্রদর্শিত হয়েছে ফ্রাঙ্কফুর্টের জার্মান ফিল্ম মিউজিয়ামে।

কয়েক দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে ‘নীল মুকুট’ কোনো উৎসবের আগে দেশে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে চমকে দিয়েছিলেন কামার। তার বক্তব্য, “আন্তর্জাতিক উৎসবে ‘শুনতে কি পাও!’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর অনেকেই বলেছিলেন আমি উৎসবের জন্য ছবি বানাই কি না? তখনই ঠিক করে রেখেছিলাম, সুযোগ পেলে একটা ছবি উৎসব ছাড়াই দেশে মুক্তি দেব।”

কামারের ভাষায় ‘নীল মুকুট’ তার অপরিকল্পিত ছবি, এখন পর্যন্ত ছবির বিষয় নিয়ে কোথাও মুখ খোলেননি কামার। এর আগে শুধু জানিয়েছিলেন, প্লেনের ভেতর থেকে একটা কান্না শুনে এই ছবির আইডিয়া তার মাথায় আসে।

লোকার্নোর ওপেন ডোর্সের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ও আর্তে ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার বিজয়ী কামারের জলত্রয়ীর দ্বিতীয় ছবি ‘অন্যদিন…’ আর বার্লিনালের ডব্লিউসিএফ বিজয়ী ছবি ‘শিকলবাহা’র ফাঁকে ফাঁকে শেষ করেছেন ‘নীল মুকুট’-এর কাজ। খুব শিগগিরই মুক্তি পাবে কোয়াইট অন সেট প্রোডাকশন পরিবেশিত ছবিটি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

নীল মুকুট’ নিয়ে আসছেন সাইমন

আপডেট টাইম : ০৯:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফুল-পাতার ব্যাকগ্রাউন্ডে নীল স্কিমে একজন নারীর মুখ আর তার উজ্জ্বল আকুল দুইটা চোখ, দৃষ্টি বহুদূর। এমন দৃষ্টিনন্দন ও চিন্তা জাগানিয়া পোস্টার কামার আহমাদ সাইমনের নতুন ছবি ‘নীল মুকুট’-এর। বিনা কর্তনে মাত্র ১০ দিনে সেন্সর ছাড়পত্র পায় ‘নীল মুকুট’। এবার পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে শুরু হলো আনুষ্ঠানিক প্রচার।

২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া কামারের প্রথম ছবি ‘শুনতে কি পাও!’-এর পোস্টারেও ছিল বৈচিত্র্য। স্বাধীনতাপরবর্তী ঢাকাই ছবির ব্যানার আর্টিস্টদের স্টাইল, যা কি না পরবর্তীতে রিকশা পেইন্টিং আর্টের জন্ম দেয়, সেই স্টাইলে তৈরি ‘শুনতে কি পাও!’-এর পোস্টার তখন ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছিল।

কামার বলেন, “দেশে-বিদেশে অনেকেই ব্যক্তিগত আগ্রহে সংগ্রহ করেছিলেন ‘শুনতে কি পাও!’-এর সেই পোস্টার। এখনো অনেকেই মেসেঞ্জারে জানতে চান কোথায় পাওয়া যেতে পারে সেই পোস্টার।”

সঙ্গে জানান, আগের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই এইবার ‘নীল মুকুট’-এর পাবলিসিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে প্রকাশনা সংস্থা বাতিঘর। এখন ঢাকাসহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাতিঘরের আউটলেটে পাওয়া যাবে ‘শুনতে কি পাও!’ এবং ‘নীল মুকুট’-এর পোস্টার।

মুম্বাই থেকে ‘স্বর্ণশঙ্খ’ আর প্যারিসে ‘গ্রা প্রি’ জয় করার পর দেশে মুক্তি পেয়েও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল ‘শুনতে কি পাও!’, জয় করেছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর চল্লিশটিরও বেশি উৎসবে প্রদর্শিত হয়, দশটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও লাভ করে। কয়েক মাস আগেও প্রদর্শিত হয়েছে ফ্রাঙ্কফুর্টের জার্মান ফিল্ম মিউজিয়ামে।

কয়েক দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে ‘নীল মুকুট’ কোনো উৎসবের আগে দেশে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে চমকে দিয়েছিলেন কামার। তার বক্তব্য, “আন্তর্জাতিক উৎসবে ‘শুনতে কি পাও!’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর অনেকেই বলেছিলেন আমি উৎসবের জন্য ছবি বানাই কি না? তখনই ঠিক করে রেখেছিলাম, সুযোগ পেলে একটা ছবি উৎসব ছাড়াই দেশে মুক্তি দেব।”

কামারের ভাষায় ‘নীল মুকুট’ তার অপরিকল্পিত ছবি, এখন পর্যন্ত ছবির বিষয় নিয়ে কোথাও মুখ খোলেননি কামার। এর আগে শুধু জানিয়েছিলেন, প্লেনের ভেতর থেকে একটা কান্না শুনে এই ছবির আইডিয়া তার মাথায় আসে।

লোকার্নোর ওপেন ডোর্সের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ও আর্তে ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার বিজয়ী কামারের জলত্রয়ীর দ্বিতীয় ছবি ‘অন্যদিন…’ আর বার্লিনালের ডব্লিউসিএফ বিজয়ী ছবি ‘শিকলবাহা’র ফাঁকে ফাঁকে শেষ করেছেন ‘নীল মুকুট’-এর কাজ। খুব শিগগিরই মুক্তি পাবে কোয়াইট অন সেট প্রোডাকশন পরিবেশিত ছবিটি।