ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় কয়েক মিনিটের ব্যবধানে অন্তত ছয় জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক তিনজনের পরিচয় জানিয়েছে শাহবাগ থানাপুলিশ।
আটকরা হলেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিলকাঠোর মধ্যপাড়া এলাকার রেজাউল করিম (৪২), রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজার খুটিপাড়া এলাকার সোহেল রানা (৩৩) এবং গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কচাপাড়া এলাকার নাজমুস সাদ (৩৩)।
এর আগে আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় টিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করেন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন। এ সময় উপস্থিত লোকজন তাদের মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মেট্রো স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণের পরপর দুজনকে আটক করে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নিয়ে যান। পরে তারা পুলিশে খবর দেয়। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’
পরে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে আটক করা হয় বলে জানায় শাহবাগ থানাপুলিশ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ইসরাফিল রতন গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘবদ্ধভাবে আট থেকে নয়টা ককটেল ফোটানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেটে, বাংলাদেশ কুয়েত–মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিএসসি এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিক থেকে টিএসসিতে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কারা এসব ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, সে বিষয়েও প্রাথমিকভাবে কিছু জানা সম্ভব হয়নি।
Reporter Name 
























