সৌদি আরবের জিজান এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ সাত বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। নিহত ও আহত ব্যক্তিরা একাধিক পরিবারের সদস্য। তাদের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া, চকরিয়া ও টেকনাফ এলাকায়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোরে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে তাদের বহনকারী একটি বাসকে পেছন থেকে ট্রাক ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে, ইলিয়াসের স্ত্রী এবং আলম শাহ ও তার এক মাস বয়সী মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মদিনায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারত শেষে জিয়াউর রহমান, আলম শাহ ও ইলিয়াস পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশে রওনা হন। পথে তাদের বহনকারী বাসটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। এতে বাসের যাত্রীরা হতাহত হন।
নিহত ও আহত ব্যক্তিরা সৌদি আরবে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘আল আবির কোল্ড স্টোর অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি’তে কর্মরত ছিলেন। নিহত জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠানটির স্টোরকিপার, ইলিয়াস ফর্কলিফট চালক এবং আলম শাহ মক্কার একটি স্টোরের কিপার হিসেবে কাজ করতেন।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে দুজনের মরদেহ আল খোলাইজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। অন্যদের মরদেহ এবং আহত ব্যক্তিদের সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইউসুফ দোভাষী থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, জেদ্দায় নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য জানতে সৌদি আরবের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কনস্যুলেট। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
Reporter Name 

























