ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও ফাঁকা ৩৪ হাজার কোটা, হজ নিবন্ধনের আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, যা বললেন স্পিকার বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ভারত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিন্সেস ডায়ানার ভাইয়ের নতুন বই ঘিরে রাজপরিবারে তোলপাড় নদীর বুকে পিলার আছে শুধু, সেতুর নেই দেখা জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি যুবদল সভাপতির নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন

অতিরিক্ত ভাড়া নিলে বাতিল হবে রুট পারমিট: মন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও বাসভাড়া কিলোমিটার প্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের দীর্ঘদিনের একটি প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি রয়েছে। এটি অনুযায়ী জ্বালানির দাম প্রতি লিটারে এক টাকা বাড়লে ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি এক পয়সা বাড়ানোর যৌক্তিকতা রয়েছে।

সে হিসাবে এবার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়ায় প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর দাবি ছিল পরিবহন মালিকদের। তবে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা করে তা কমিয়ে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে শেখ রবিউল আলম এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন বাস্তবতা বিবেচনা করেই দেশেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যয়ের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ফলে পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি ওঠা স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ‘ফুয়েল কস্ট যদি এক টাকা বাড়ে, তাহলে এক পয়সা ভাড়া বাড়বে’-এটি একটি প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি। বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেই এ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

রবিউল আলম বলেন, ওই পদ্ধতি অনুযায়ী কিলোমিটারে ২০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানোর পরিবহন মালিকদের দাবিটি যৌক্তিক ছিল। তবে সরকার জনগণের স্বার্থ ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।

তিনি বলেন, পরিবহন মালিকরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও এক্সেসরিজেরও মূল্য বেড়েছে। এতে পরিবহন খাতের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন মালিকদের ব্যাংক ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক দায় রয়েছে।

তিনি জানান, ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে পরিবহন মালিকদের প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘসময় আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো ভাড়া বৃদ্ধিই সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খাতের ব্যয়ও বাড়ে। তাই একদিকে যাত্রীদের ওপর চাপ কমানো এবং অন্যদিকে পরিবহন খাতকে সচল রাখার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভাড়া বাড়ানো জনগণের জন্য চাপ। না বাড়াতে পারলে ভালো লাগত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবহন সেক্টরের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। সবকিছু বিবেচনা করেই আমরা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা করেছি।’

আগেরবার দাম বাড়ানোর প্রসঙ্গ তুলে রবিউল আলম বলেন, গতবার প্রতি লিটার জ্বালানির দাম ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সে সময়ও আলোচনার মাধ্যমে কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।

নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী বলেন, নতুন ভাড়া কার্যকর হওয়ার পর কোনো পরিবহন মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করলে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জরিমানার পাশাপাশি রুট পারমিট বাতিলের মতো ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়ে। তবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে এই মূল্যবৃদ্ধির সুযোগে কেউ যাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, যৌক্তিক কারণে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এর অপব্যবহার ঠেকাতে পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রেলওয়ের ভাড়া প্রসঙ্গে শেখ রবিউল বলেন, আগেরবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালেও রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়নি। এবারও এখন পর্যন্ত রেলের ভাড়া বাড়ানোর কোনো চিন্তা নেই।

তিনি বলেন, নৌযানের ভাড়া বাড়ানোর দাবিও এসেছে। এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। এরপর বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অতিরিক্ত ভাড়া নিলে বাতিল হবে রুট পারমিট: মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়লেও বাসভাড়া কিলোমিটার প্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের দীর্ঘদিনের একটি প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি রয়েছে। এটি অনুযায়ী জ্বালানির দাম প্রতি লিটারে এক টাকা বাড়লে ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি এক পয়সা বাড়ানোর যৌক্তিকতা রয়েছে।

সে হিসাবে এবার জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়ায় প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর দাবি ছিল পরিবহন মালিকদের। তবে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা করে তা কমিয়ে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে শেখ রবিউল আলম এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন বাস্তবতা বিবেচনা করেই দেশেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যয়ের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ফলে পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি ওঠা স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ‘ফুয়েল কস্ট যদি এক টাকা বাড়ে, তাহলে এক পয়সা ভাড়া বাড়বে’-এটি একটি প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি। বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেই এ পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

রবিউল আলম বলেন, ওই পদ্ধতি অনুযায়ী কিলোমিটারে ২০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানোর পরিবহন মালিকদের দাবিটি যৌক্তিক ছিল। তবে সরকার জনগণের স্বার্থ ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।

তিনি বলেন, পরিবহন মালিকরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও এক্সেসরিজেরও মূল্য বেড়েছে। এতে পরিবহন খাতের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন মালিকদের ব্যাংক ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক দায় রয়েছে।

তিনি জানান, ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে পরিবহন মালিকদের প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘসময় আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো ভাড়া বৃদ্ধিই সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খাতের ব্যয়ও বাড়ে। তাই একদিকে যাত্রীদের ওপর চাপ কমানো এবং অন্যদিকে পরিবহন খাতকে সচল রাখার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভাড়া বাড়ানো জনগণের জন্য চাপ। না বাড়াতে পারলে ভালো লাগত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবহন সেক্টরের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। সবকিছু বিবেচনা করেই আমরা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা করেছি।’

আগেরবার দাম বাড়ানোর প্রসঙ্গ তুলে রবিউল আলম বলেন, গতবার প্রতি লিটার জ্বালানির দাম ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সে সময়ও আলোচনার মাধ্যমে কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।

নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী বলেন, নতুন ভাড়া কার্যকর হওয়ার পর কোনো পরিবহন মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করলে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জরিমানার পাশাপাশি রুট পারমিট বাতিলের মতো ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়ে। তবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে এই মূল্যবৃদ্ধির সুযোগে কেউ যাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, যৌক্তিক কারণে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এর অপব্যবহার ঠেকাতে পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রেলওয়ের ভাড়া প্রসঙ্গে শেখ রবিউল বলেন, আগেরবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালেও রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়নি। এবারও এখন পর্যন্ত রেলের ভাড়া বাড়ানোর কোনো চিন্তা নেই।

তিনি বলেন, নৌযানের ভাড়া বাড়ানোর দাবিও এসেছে। এ বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে। এরপর বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।