,

image-182015-1637251567bdjournal

কিশোরগঞ্জ সদরে পাঁচ স্বতন্ত্রের বাজিমাত, আওয়ামী লীগ চার ও জাতীয় পার্টি একটিতে জয়ী

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রোববার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চমক দেখিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। একটি ইউনিয়নের এক কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করায় বাকি ১০টি ইউনিয়নের বেসরকারি ফলাফলে ৫টিতে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

অন্যদিকে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ চার আওয়ামী লীগ প্রার্থী এবং লাঙ্গল প্রতীকের এক জাতীয় পার্টির প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া স্থগিত ইউনিয়নেও ভোটের হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মূল লড়াই দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়া পাঁচ স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন, রশিদাবাদ ইউনিয়নে জহিরুল ইসলাম জুয়েল, যশোদল ইউনিয়নে ইমতিয়াজ সুলতান রাজন, বিন্নাটি ইউনিয়নে মো. শফিকুল ইসলাম, চৌদ্দশত ইউনিয়নে মো. আতাহার আলী এবং দানাপাটুলী ইউনিয়নে মো. মাসুদ মিয়া।

চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়া আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী হচ্ছেন, মাইজখাপন ইউনিয়নে মো. আবুল কালাম আজাদ তারু, বৌলাই ইউনিয়নে মো. আওলাদ হোসেন, মারিয়া ইউনিয়নে মো. মুজিবুর রহমান হলুদ এবং কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নে মো. বদর উদ্দিন।

জাতীয় পার্টির একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মহিনন্দ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মো. লিয়াকত আলী।

রশিদাবাদ ইউনিয়নে জহিরুল ইসলাম জুয়েল (আনারস) ৫ হাজার ৪২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ওমর ফারুক লিটন (চশমা) পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৪ ভোট।

মাইজখাপন ইউনিয়নে মো. আবুল কালাম আজাদ তারু (নৌকা) ৭ হাজার ৮৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মফিজ উদ্দিন (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৬ হাজার ৪২৪ ভোট।

মহিনন্দ ইউনিয়নে মো. লিয়াকত আলী (লাঙ্গল) ৭ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. ছাদেকুর রহমান (নৌকা) পেয়েছেন ৬ হাজার ১৭০ ভোট।

যশোদল ইউনিয়নে ইমতিয়াজ সুলতান রাজন (চশমা) ৫ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শফিকুল হক বাবুল হাজী (নৌকা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৩৪ ভোট।

বৌলাই ইউনিয়নে মো. আওলাদ হোসেন (নৌকা) ৬ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন বাবুল (আনারস) পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৭১ ভোট।

বিন্নাটি ইউনিয়নে মো. শফিকুল ইসলাম (আনারস) ৭ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আজহারুল ইসলাম বাবুল (নৌকা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩০২ ভোট।

মারিয়া ইউনিয়নে মো. মুজিবুর রহমান হলুদ (নৌকা) ৮ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহ উদ্দীন আহাম্মদ (আনারস) পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৩৩ ভোট।

চৌদ্দশত ইউনিয়নে মো. আতাহার আলী (চশমা) ৯ হাজার ৫০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক আহমদ বাচ্চু (আনারস) পেয়েছেন ৮ হাজার ৪১৪ ভোট।

কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নে মো. বদর উদ্দিন (নৌকা) ৮ হাজার ৯৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন (আনারস) পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৬৮ ভোট।

দানাপাটুলী ইউনিয়নে মো. মাসুদ মিয়া (অটোরিক্সা) ৩ হাজার ২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সাখাওয়াত হোসেন দুলাল (নৌকা) ২ হাজার ২০২ ভোট।

এছাড়া লতিবাবাদ ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আ. রাজ্জাক (চশমা) ৫ হাজার ৫৩০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ৪ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম (অটোরিক্সা)। বন্ধঘোষিত কাটাবাড়িয়া এ আর খান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৮১৭ জন।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর