,

1636812501_khulna-pic-06

খুলনায় মাত্র ১৫ কিলোমিটার পার হলেই তরিতরকারির দাম ৩ গুন

হাওর বার্তা ডেস্কঃ খুলনায় স্থানীয়ভাবে ডুমুরিয়া উপজেলাকে ‘তরকারির ডিপো’ বলা হয়। প্রায় সবধরণের তরি তরকারি ও শাকসব্জি এই উপজেলায় প্রচুর পরিমানে আবাদ হয়। সড়কপথে শহর থেকে গড় দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। উৎপাদিত তরকারি পরিবহণ করা হয় ভ্যানে। মাঝেমাঝে ইজিবাইক ও পিকআপে। এই ১৫ কিলোমিটার পার হলেই তরকারির দাম বেড়ে যায় ২ থেকে ৩ গুন। উচ্চমূল্য উৎপাদনকারী কৃষকরা পায় না। নিয়ে যায় মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
এই শীতে ডুমুরিয়ার প্রায় ৩০ হাজার মৎসঘেরের আইলে ব্যাপকভাবে লাউ, ঢেঁড়শ, ধুন্দল, কাঁচামরিচ, শিম, পুঁইশাক প্রভৃতি তরকারি চাষ হয়েছে। কৃষক মাঠে প্রতি পিস লাউ বিক্রি করছেন ১০ থেকে ১৫ টাকায়। ধুন্দল ১৫ টাকা, ঢেঁড়শ ১৫ টাকা কেজি। এই তরকারি খুলনার বাজারে উঠলে লাউ প্রতি পিস ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, ধুন্দল ৩০ টাকা, ঢেড়ঁশ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। মাঠে পুঁইশাক ১০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বাজারে তা ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে উপজেলার শীতকালীন তরকারির ব্যাপক আবাদ হয়েছে। ফুলকপি কৃষকরা বিক্রি করছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকায়। একই ভাবে ২০ টাকার পাতা কপি ৫০ টাকা, ২০ টাকার মূলা ৪০ টাকা, ৪০ টাকার শিম ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় কমলপুর গ্রামের কৃষক সিরাজুল, মোমিনুল ও রেজাউল জানান, ব্যাপারীরা এসে তরকারি কিনে নিয়ে যায়। একসাথে এতো তরকারি ব্যাপারী ছাড়া বিক্রি করা যায় না। আমরা কোনো রকম উৎপাদন খরচ রেখে তাদের কাছে তরকারি বিক্রি করে দেই।
তরকারি ব্যাপারী গুটুদিয়া গ্রামের মোস্তফা মোড়ল জানান, আমরা তরকারি কিনে তা খুলনার পাইকারী বিক্রেতাদের দেই। তারা আবার খুচরা বাজারে বিক্রি করে। বিভিন্ন রকম টোল দিতে হয়। ফলে বাজার আর মাঠ পর্যায়ে তরকারির দামে বেশ পার্থক্য।
খুলনা কৃষি বিভাগ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, মধ্যসত্ত্বভোগীদের কারণে পণ্যমূল্য বেড়ে যায়। বাজার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি রয়েছে। শুধুমাত্র ডুমুরিয়া উপজেলায় বছরে সাড়ে ৫শ’ কোটি টাকার তরিতরকারি উৎপাদিত হয়। কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেলে তা স

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর