,

1626225591.Flood-sm&bg

ঈদের পরপরই বানে ভাসতে পারে যমুনা পাড়

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বর্তমানে কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও ঈদের পরপরই ফুলে ফেঁপে উঠতে পারে বন্যাপ্রবণ কয়েকটি নদ-নদীর পানি। যমুনার কূল ভেসে দেখা দিতে পানে বন্যা পরিস্থিতি।

২১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে। বাহাদুরাবাদে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার উপরে পানি ওঠা মানে বন্যা পরিস্থিতির অবধারিতভাবে অবনতি হওয়া। সেখানে ২৫ সেন্টিমিটার উপরে উঠলে জামালপুরের জেলায় বড় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

এছাড়া বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার পানি ২৩ জুলাই বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে, সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

যমুনার পানি বৃদ্ধির অর্থ হচ্ছে উপরের দিকে তিস্তা এবং ব্রহ্মপুত্রের পানির সমতলও বৃদ্ধি হওয়া। কেননা, উত্তরের নদীগুলোর পানি মেশে যমুনায়। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রাম, রংপুর, গাইবান্ধায় এই দুই নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃস্টি হয়েছে।

অন্যদিকে পদ্মার পানি গোয়ালন্দে বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে যেতে পারে একই দিন। এছাড়া মেঘনার পানি চাঁদপুরে, ধলেশ্বরীর পানি ইলাসিনঘাটে বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদী এই আভাস সত্যি হলে জামালপুর, কুড়িগ্রাম, রংপুর, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়ায় দেখা দিতে পারে বড় বন্যা।

পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মো. আরিফুজ্জামান ভুঁইয়া জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের অধিকাংশ নদ-নদীর পানি কমছে। এতে আপাতত ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রমের শঙ্কা নেই।

তবে দেশের উত্তরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্যগুলোতে বৃষ্টিপাত বাড়লে উত্তরের বন্যাপ্রবণ নদ-নদীগুলোর পানির সমতলও বাড়বে। বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, সিকিম, পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে ১৮ জুলাইয়ের দিকে। এ ক্ষেত্রে বর্ষণ স্থায়ী হলে বেড়ে যাবে উত্তরের নদ-নদীগুলোর পানি।

পাউবো জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানির সমতল আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত স্থিতিশীল থেকে তারপর বাড়তে পারে। আগামী ৭ দিনে আপাতত ব্ৰহ্মপুত্র নদীর অববাহিকায় বিপৎসীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা নেই।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির সমতল আগামী ৫ দিন স্থিতিশীল থেকে তারপর বৃদ্ধি পেতে পারে।

ঢাকার চারপাশের নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং ঢাকার চারপাশের নদীসমূহের অববাহিকায় বিপৎসীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা নেই।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর